এই শিল্পকর্মগুলিতে সৃজনশীলতা ও ধৈর্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন লক্ষ্য করা যায়। প্রতিটি মূর্তি ও সামগ্রীর নকশা অত্যন্ত নিখুঁত, সূক্ষ্ম কারুকাজের মাধ্যমে সাধারণ উপাদানকে তিনি অসাধারণ রূপ দেন। মার্বেল গুঁড়ো দিয়ে তৈরি হলেও এগুলি যথেষ্ট মজবুত ও টেকসই, ফলে সৌন্দর্যের পাশাপাশি ব্যবহারিক দিক থেকেও এগুলি সমাদৃত।
আরও পড়ুন: পথ কুকুরের তাড়া খেয়ে প্রাণ গেল সিভিক ভলান্টিয়ারের, পিছন ফিরে তাকাতেই সব শেষ! পরিবারে হাহাকার
advertisement
শিল্পী জামিল খান জানান, উত্তরপ্রদেশে এই ধরনের সামগ্রী দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয়। তবে পুরুলিয়ার মানুষও এখন সেগুলি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন। স্বল্পমূল্য, আকর্ষণীয় নকশা এবং টেকসই মান, এই তিনের সমন্বয়েই চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।” শিল্পী আরও জানান, “তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে পুরুলিয়া জেলায় এসে সেখানেই এই ধরনের সামগ্রী তৈরি করছেন। পরে তিনি সেগুলি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এই পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।” এই উদ্যোগ শুধু একজন প্রবীণ শিল্পীর আয়ের পথ সুগম করেনি, বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এমন নান্দনিক শিল্পকর্ম পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন নিজের জীবিকা নির্বাহ করছেন, তেমনই অন্যদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের সৌন্দর্য ও আবেদন।





