এই প্রকল্পের আওতায় হকাররা ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণের অর্থ ব্যবহার করে তারা নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ, পণ্য ক্রয় এবং দৈনন্দিন ব্যবসায়িক প্রয়োজন মেটাতে পারবেন বলে জানিয়েছে পৌরসভা। ফলে এলাকার বহু হকার উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
advertisement
রঘুনাথপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি জানান, এই হকার লোন সরাসরি পৌরসভার মাধ্যমেই প্রদান করা হবে। প্রকল্পটি তিনটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে ১৫,০০০ টাকা ঋণ, এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২৫,০০০ টাকা ঋণ দেড় বছরের মধ্যে ফেরত দেওয়ার সুযোগ থাকবে। তৃতীয় ধাপে সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা ঋণ তিন বছরের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। এই প্রকল্পের আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল ডিজিটাল লেনদেনের উৎসাহ। যারা UPI-এর মাধ্যমে লেনদেন করবেন, তারা প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে বছরে সর্বোচ্চ ১,২০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের প্রথম পাতার কপি এবং আধার লিঙ্ক করা সক্রিয় মোবাইল নম্বরের ফটোকপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে ভেন্ডার হওয়ার শংসাপত্রে সই ও স্ট্যাম্প থাকা বাধ্যতামূলক। রঘুনাথপুর পৌরসভার এই উদ্যোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।





