মূলত নারীদের ব্যবহারযোগ্য অলংকার, যেমন মালা, কানের দুলসহ বিভিন্ন নান্দনিক সামগ্রী নিজেই ডিজাইন ও প্রস্তুত করেন সুইটি। প্রতিটি সৃষ্টিতে ফুটে ওঠে তাঁর নিখুঁত কাজের দক্ষতা এবং সূক্ষ্ম নান্দনিক বোধ, যা তাঁর কাজকে করে তুলেছে আলাদা। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সুইটি দাস জানান, “করোনা মহামারির সময় বাড়িতে বসেই এই কাজের সূচনা। ধীরে ধীরে আগ্রহ বাড়তে থাকায় এটি তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।
advertisement
বর্তমানে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত থাকায় সময়ের সীমাবদ্ধতা থাকলেও অবসর পেলেই তিনি এই কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন।” তার কথায়, “এটা এখন আর পেশা নয়, বরং একপ্রকার নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” নিজের আগ্রহ, নিষ্ঠা ও সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে সুইটি দাস শুধু নিজের প্রতিভার বিকাশই ঘটাচ্ছেন না, একই সঙ্গে সমাজের কাছে এক ইতিবাচক বার্তাও তুলে ধরছেন। কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও কীভাবে নিজের ভালবাসার কাজকে ধরে রাখা যায়, তার বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, ইচ্ছা ও অধ্যবসায় থাকলে পেশার পাশাপাশি নিজের সৃজনশীলতাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন অনেক তরুণ-তরুণী পেশাগত চাপে নিজেদের শখ বা সৃজনশীলতাকে হারিয়ে ফেলেন, সেখানে সুইটির এই প্রচেষ্টা অন্যদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। তার হাতে তৈরি প্রতিটি হস্তশিল্প সামগ্রী শুধু নান্দনিক দিক থেকেই নয়, আত্মনির্ভরতার দৃষ্টিকোণ থেকেও একটি শক্ত বার্তা বহন করে। প্রযুক্তির জগতের সঙ্গে যুক্ত থেকেও হস্তশিল্পের মত সৃজনশীল ক্ষেত্রে সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সুইটি দাস দেখিয়ে দিয়েছেন তার বহুমুখী প্রতিভা।





