বিন চাষ করলে কৃষকদের অন্যান্য ফসলের থেকে অনেকটাই বেশি লাভ হয়। কারণ চাষে তেমন খরচ হয় না। বিন চাষ করার উপযুক্ত সময় কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাস। বিঘাপ্রতি বীজ লাগে প্রায় ১৩-১৪ কেজির মতো। জমিতে ১৮ ইঞ্চ দূরে দূরে বীজ রোপন করতে হয়। সার প্রয়োগ করতে হয় ফুল থেকে শুঁটি আসার আগেই।
আরও পড়ুনঃ সারা বছর পাতে থাকবে ইলিশ! এই নিয়ম জানলে বছরভর মিলবে স্বর্গীয় স্বাদ
advertisement
বিনের চাষ যেহেতু শীতকালে হয়, সে কারণে এই ফসলটি চাষে খুব একটা সেচের প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, শীতকালে এমনিতেই জমিতে রস থাকে। তবে যদি কোনও কারণে জমিতে টান দেখা যায়, তখন সেচ জল দরকার। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। ১৮ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চি দূরত্বের মধ্যে যদি কোনও অতিরিক্ত গাছ দেখা যায়, তা হলে তা তুলে ফেলে দিতে হবে। এছাড়াও জমিতে রোগগ্রস্ত গাছ যেগুলি থেকে ফলন পাওয়া যাবে না, সেগুলিকেও জমি থেকে তুলে ফেলতে হবে।
এক কৃষক জানান, প্রতিবিঘা থেকে ভাল ফলন হলে প্রায় ৬০ হাজার টাকার মতো লাভ হয়। মাত্র ১৯-২০ হাজার টাকা ব্যয়ে লাভ হয় বেশ ভাল। আমাদের এই এলাকাগুলিতে কৃষকেরা বিঘের পর বিঘে জমিতে এই বিন চাষ করে। অন্যসব সবজির থেকে কম খরচে বেশি লাভ হয় এই সবজি চাষে।
প্রসঙ্গত, জলপাইগুড়ির মান্তাধারী ক্রান্তি ব্লকের কৃষকরা শীতকালীন বিন চাষে প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। কারণ এই বিন ভিন্ন রাজ্য পাড়ি দেয়। এমনটাই জানালেন সেখানকার চাষীরা। শুধু তাই নয়,বাজারেও ক্রেতাদের চাহিদা থাকে বিন কেনার প্রতি। দামও ভাল মেলে।
সুরজিৎ দে





