গোষ্ঠীর মহিলারা জানান, অ্যারারুট পাউডারের সঙ্গে বিভিন্ন ফুল ও সবজির নির্যাস মিশিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় এই আবির তৈরি করা হয়। গোলাপ, গাঁদা, পলাশ ফুলের পাপড়ি, নিমপাতা, হলুদ, গাজর ও বিটের রস ফুটিয়ে শুকিয়ে নিয়ে তা চালুনিতে ছেঁকে রঙিন আবির প্রস্তুত করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ কেমিক্যালমুক্ত এই আবির ত্বকের জন্য নিরাপদ এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না।
advertisement
প্রিয়া মন্ডল নামে গোষ্ঠীর এক সদস্য জানান, রাসায়নিক আবির ব্যবহারে ত্বকের সমস্যা, অ্যালার্জি এমনকি চোখের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। সেই কারণেই তাঁরা ভেষজ আবিরকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছেন। নিজেদের বাগানের কেমিক্যালবিহীন ফুল ও উপকরণ ব্যবহার করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অপর সদস্য বিপাশা মজুমদার জানান, এই বছর প্রথমবার বড় আকারে উৎপাদন করে তাঁরা আর্থিকভাবেও সাফল্য পেয়েছেন। তৈরি করা অধিকাংশ আবির গোষ্ঠীর সদস্যরাই এলাকার মানুষদের মধ্যে বিক্রি করেছেন। ফলে স্বনির্ভরতার পথে আরও একধাপ এগিয়েছেন তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
চন্দননগর এল এস সমবায় সমিতির সম্পাদক অপূর্ব প্রসাদ বিশ্বাস বলেন, মহিলাদের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগামী দিনে বৃহত্তর বাজারে এই ভেষজ আবির ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সমিতির ম্যানেজার দেবব্রত বিশ্বাসও জানান, সময়োপযোগী এই উদ্যোগ সমাজকে ক্ষতিকর রাসায়নিকের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহারের সচেতন বার্তা দিচ্ছে। পরিবেশ সচেতনতার যুগে কৃষ্ণগঞ্জের এই গোষ্ঠীর মহিলাদের উদ্যোগে দোল উৎসবে নতুন দিশা দেখছেন সকলে।





