আরও পড়ুন: সুখবর, নতুন আয়কর নিয়ম অনুযায়ী বেড়ে যাবে আপনার বেতন, সম্পূর্ণ হিসেবটি বুঝে নিন এখনই
ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে সোনা ও রুপো (গয়না, মুদ্রা বা বার) কেনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে:
বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করা কঠিন এবং ব্যয়বহুল।
স্টোরেজ খরচ (লকার/হোম স্টোরেজ) এবং চুরির ঝুঁকি।
মেকিং চার্জ, জিএসটি এবং অন্যান্য খরচ রিটার্ন কমায়।
advertisement
প্রচুর পরিমাণে সম্পদ কর আরোপ করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: সোনার চেয়েও দামি রুপো ! ১০ লাখ টাকা হবে রুপোর দাম ?
ETF-এর মূল সুবিধা:
নিরাপত্তা এবং সুবিধা – ধাতুটি SEBI-নিয়ন্ত্রিত কাস্টোডিয়ানের (যেমন একটি ব্যাঙ্ক) কাছে নিরাপদে রাখা হয়। চুরি বা ক্ষতির কোনও ঝুঁকি নেই।
কম খরচ – কোন মেকিং চার্জ নেই। ব্যয়ের অনুপাত সাধারণত বার্ষিক ০.৪-০.৮% এর মধ্যে থাকে।
উচ্চ তরলতা – বাজার চলাকালীন তাৎক্ষণিক ক্রয়-বিক্রয় সম্ভব, বিক্রিতে কোনও ঝামেলা নেই।
স্বচ্ছতা – রিয়েল-টাইম এনএভি এবং দাম উপলব্ধ, সহজ ট্র্যাকিং।
কর সুবিধা: আর্থিক সম্পদের উপর সম্পদ কর আরোপ করা হয় না। দীর্ঘমেয়াদী মূলধন লাভ (>১ বছর) ১২.৫% হারে কর ধার্য করা হয় (২০২৬ সালের নিয়ম অনুসারে)।
ছোট বিনিয়োগ দিয়ে শুরু- SIP-এর মাধ্যমেও (কিছু প্ল্যাটফর্মে) ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে বিনিয়োগ করা সম্ভব।
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতি বা বাজার পতনের সময়ে এগুলি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
২০২৬ সালে গোল্ড ইটিএফ গড়ে ১৫-১৬%+ রিটার্ন প্রদান করছে, যেখানে সিলভার ইটিএফ ৩৫-৪০%+ পর্যন্ত রিটার্ন দেখেছে (উচ্চতর অস্থিরতা সহ)।
বিশেষজ্ঞরা পোর্টফোলিওতে এগুলো ৮-১০% হারে রাখার পরামর্শ দেন।
কে ভাল?
সোনা ও রুপোর ETF দুই খুচরো বিনিয়োগকারীদের জন্য ভাল। তবে, বাজারের ঝুঁকি আছে- দাম ওঠানামা করে। অতএব, বিনিয়োগ করার আগে ঝুঁকি সহনশীলতা, লক্ষ্য এবং সময়সীমা মূল্যায়ন করতে ভুললে চলবে না। এই ETFগুলি প্রায়শই দীর্ঘমেয়াদে (৫+ বছর) ভাল পারফর্ম করে।
