বঙ্গের ঋতু রঙ্গে সবচেয়ে প্রিয় ঋতু শীত। শীতকাল মানেই চলে আসে নলেন গুড়, পিঠে পুলি, পায়েস-সহ বিভিন্ন খাবার দাবার। সেই খাদ্য তালিকায় বড়ির স্থান উপরের দিকেই। আর তা যদি হয় গয়না বড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই। এই বড়ির সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষের ভালবাসা ওতপ্রতভাবে জড়িত। সাধারণত অগ্রহায়ন মাস থেকেই বাড়িতে বাড়িতে লেগে থাকে এই উৎসব। বিউলির ডাল, পোস্ত, সাদা তিল এবং অন্যান্য মশলার সংমিশ্রনের সঙ্গে মেয়েদের সুদক্ষ হাতের কারুকার্যের নিদর্শন হল এই গয়না বড়ি। বছর পর বছর পেরিয়েও বর্তমান প্রজন্মের রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে সেই কারুকার্যের ছাপ। এই শিল্পজাত সৌন্দর্যময় বড়িকে প্যাকেজিং করে বাজারজাত করার কাজ শুরু করেছে জেলা পরিষদ।
advertisement
আরও পড়ুন: দোলের আগে ধামাকা অফার! বস্তা-বস্তা আবির মিলছে মাত্র ২৫০ টাকাতেই, জানুন কোথায়
এ বিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক জেলা পরিষদ মানস কুমার মণ্ডল জানান, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ঘরে ঘরে বড়ি তৈরি হয়। এই বড়ি বাজারে চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখনও সেভাবে বাজারে পাওয়া যায় না। যার একটাই কারণ অসংগঠিত ভাবে বাড়ি বাড়ি বড়ি তৈরি হয়। গয়না বড়িকে সুন্দর প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে বাজারজাত করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে জেলা পরিষদের তরফ থেকে। এতে করে একদিকে যেমন এই শিল্প মাধ্যম বাজারে পৌঁছবে অন্যদিকে কর্মসংস্থানের পথ খুলবে। চলছে ব্র্যান্ডিং। এর পাশাপাশি বড়িতে ফুড সেফটি দফতরের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলার গয়না বড়িতে জিও ট্যাগিংএর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রসঙ্গত বাঙালির খাদ্য তালিকায় গয়না বড়ি আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু শীতকাল ছাড়া এই বড়ি সাধারণত পাওয়া যায় না। আর এই বড়ি মূলত তৈরি হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন এই গয়না বড়িকে একধারে যেমন নতুন ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বাজারে আনতে চলেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের খুলে দেবে বলে অভিমত জেলা প্রশাসনের। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় মূলত স্ব-সহায়ক দলের মহিলাদের গয়না বড়িকে নতুন প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে বাজারে আনতে চলেছে প্রশাসন।





