মৌমাছি পালনে এর আগের নাম উঠে এসেছিল আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের নুরপুর এলাকার। তবে সেখানে মহিলাদের কাজে যুক্ত থাকতে কম দেখা গিয়েছে। জলদাপাড়া জঙ্গলঘেরা কালচিনি ব্লকের উত্তর মেন্দাবাড়ির রাভাবস্তির মহিলারা মধু সংগ্রহ থেকে শুরু করে তা বোতলে ভরে বাজারজাত করার সব কাজ সামলাচ্ছেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা ঋণ নিয়ে এই কাজ করছেন। তাঁদের দাবি মধু বিক্রির টাকা দিয়েই ঋণ পরিশোধ করবেন তারা। নিজেদের জমিতে চাষ হওয়া মৌমাছির মধু বিক্রি করতে চলেছেন তারা। এলাকাতেই একটি মধু বিক্রির স্টল খুলেছেন মহিলারা। এবছর কৃষি দফতরের সহায়তায় মৌমাছিকে ঢাল করে সরষে চাষ করেছেন উত্তর মেন্দাবাড়ির রাভা বস্তির কৃষকেরা।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোল বদলে একেবারে নতুন রূপে ফারাক্কা স্টেশন! অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে কী কী হচ্ছে দেখুন
কৃষি দফতরের কথায়, মৌমাছির কারণে পরাগমিলন ভাল হয় এবং যার কারণে ফসলও ভাল হয়। পাশাপাশি, সেই মৌমাছি থেকে পাওয়া মধু বিক্রি করেও লাভের মুখ দেখতে পারবেন কৃষক পরিবারের সদস্যরা। উত্তর মেন্দাবাড়ির রাভা বস্তির সরষে চাষের জমি থেকে এবছর প্রায় ৩০ কেজি মধু মিলেছে বলে জানান মহিলারা।মধু বিক্রি করার জন্য এলাকার এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ২৫ হাজার টাকা অনুদানও কৃষি দফতর তরফে দেওয়া হয়েছে। কৃষি দফতরের আতমা প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের অনুদান দেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এলাকার মহিলা বেনশ্রী রাভা বলেন, “মধু কেজি প্রতি ৬০০ টাকায় বিক্রি করব আমরা। অনেকটাই লাভজনক। ফলে আগামীতে আরও বেশি পরিমাণে যাতে মৌমাছি পালন বাড়ে, তা আশা রাখছি আমরা।” জানা যায় এই প্রথম এলাকায় এই মৌমাছি পালন হল। আর প্রথমবারেই বিপুল পরিমাণ মধু মিলেছে। খুশি সকলেই।





