আর এই পর্যটনের উপর নির্ভর করে থাকেন এই এলাকার বনবস্তি বাসিন্দারা। এ বারে পুজোর সময় বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প লাগোয়া বিভিন্ন হোম স্টেতে এই সময় বুকিং হয়নি বললে চলে। গ্রিন ট্রাইবুনালের রায়ের পর পর্যটকেরা এই পর্যটনস্থলগুলিতে আসতেন না।
আরও পড়ুনঃ ৫ টাকায় পেট পুরে খাবার, তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে চালু হল মা ক্যান্টিন
advertisement
গত ৩০ মে পরিবেশ আদালত রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থাকবে না। যদিও পরবর্তীতে এই রায়ের বিষয়ে হাইকোর্ট থেকে স্টে অর্ডার নেয় উত্তরবঙ্গ বনজন শ্রমজীবী মঞ্চ। কিন্তু পরিবেশ আদালতের ৩০ মে যে রায় বেরিয়ে ছিল তা এতটা বেশি প্রচার পেয়েছে যে বক্সা এলাকার হোমস্টেগুলিতে থাকতে ভয় পাচ্ছিলেন পর্যটকরা। যার জন্য তারা বক্সা, রাজাভাতখাওয়া, চিলাপাতাতে আসতে চাইছিলেন না। তবে শীতের মরশুম আসতেই পর্যটকরা আসছেন এই এলাকাগুলিতে। বক্সা পাহাড়ে উঠে থাকছেন হোম স্টে গুলিতে। যারফলে মুখে হাসি ফুটেছে পর্যটকদের।
এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গ বনজন শ্রমজীবী মঞ্চের আহ্বায়ক তথা রাজাভাতখাওয়ার এক হোম স্টের মালিক লাল সিং ভুজেল জানান, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প সংলগ্ন বিভিন্ন বনবস্তির বাসিন্দারা ছোটো ছোটো হোম স্টে খুলে জীবন যাপন করছে। তাদের কাছে অন্য কোনও পেশা নেই। কিন্তু পরিবেশ আদালতের রায়ের ফলে এই সমস্ত এলাকায় আসতে চাইছিলেন না পর্যটকরা। তারা অন্যত্র চলে যাচ্ছিলেন বেড়াতে। কিন্তু গত দু-সপ্তাহ ধরে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পর্যটকেরা ভয় কাটিয়ে আসছেন। কিছু পর্যটক হোম স্টে-তে থাকছেন।
Annanya Dey





