সাধারণ এক পানীয়তেই শরীর থাকবে আদ্র, গায়েব ‘কিডনি স্টোন’

Published by  Rukmini Mazumder                   22-02-2026

জীবনযাপনে লাগামহীনতা, পেশাগত চাপ, জল কম খাওয়া, দীর্ঘ ক্ষণ প্রস্রাব না করার মতো নানা কারণে কিডনিতে পাথর জমার প্রবণতা বাড়ছে। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত পাঁচ বছর ধরেই মানুষের মধ্যে কিডনি স্টোনের সমস্যা ঊর্ধ্বমুখী।

বিভিন্ন ওষুধ খেয়েও অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি উপশম পান না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসার পাশাপাশি একটি সহজ ও প্রাকৃতিক পানীয় হিসাবে নারকেল জল কিডনির স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পারে।

নারকেল জল শরীরকে আদ্র রাখতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণ করে। এটি ক্লান্তি কমায়, দ্রুত শরীর ঠান্ডা করে এবং প্রস্রাবের সমস্যা মেটায়, ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

অত্যধিক অ্যাসিডিক প্রস্রাব কিডনিতে পাথর হওয়ার একটি প্রধান কারণ। নারকেল জলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা প্রস্রাবকে আরও ক্ষারীয় করতে সাহায্য করে এবং ছোট আকারের পাথর তৈরি হওয়ার ঝুঁকি কমায়

More Stories.

রান্নাঘরের ৪ উপকরণেই ঘাড় চকচক করবে, গায়েব সান-ট্যান

‘লিভার সিরোসিস’-এর আগে শরীর আর কোন ৪ ইঙ্গিত দেয়?

আঙুলের কোন লক্ষণ ক্যানসারের ইঙ্গিত দেয়?

নারকেলের জল প্রাকৃতিক ডাইইউরেটিক হিসেবেও কাজ করে, ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ে এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত নুন ও অশুদ্ধ পদার্থ বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। এর ফলে মূত্রনালির সংক্রমণের ঝুঁকিও কমতে পারে।

নারকেল জলে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর গঠনে বাধা দেয়। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে নারকেল জল খেলে যাঁদের বারবার পাথর হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের উপকার হয়

চিনিযুক্ত সফট ড্রিঙ্কের বদলে নারকেল জল খান। তবে যাঁদের কিডনি বিকল হওয়ার সমস্যা রয়েছে বা যাঁদের পটাশিয়াম গ্রহণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে, তাঁদের নিয়মিত নারকেল জল খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পড়তে ক্লিক করুন