২০০৯ সাল থেকে কাজ করছে তারা। সাড়ে তিনটে থেকে তার শিফট ছিল। তার দাদা বারবার তাকে ফোন করেই যায়। ফোনে পায়নি। পরের দিন বেলায় পুলিশ ফোন করে জানায় সুখেনের চোট লেগেছে। কিন্তু গিয়ে ভাইয়ের দেহ দেখে সে ভেঙে পড়ে।আমি মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছি না।