West Medinipur News: রঙ, রেখা ও গানে গাঁথা ঐতিহ্য! পিংলার পটচিত্রে বেঁচে আছে বাংলার লোকসংস্কৃতি, নবরূপে জয় করছে মানুষের মন
- Reported by:Ranjan Chanda
- hyperlocal
- Published by:Sneha Paul
Last Updated:
West Medinipur News: পটচিত্র এখন শুধু লোকজ ভিক্ষা নয়, বরং উৎসব, প্রদর্শনী ও শিল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে সার্বজনীনভাবে সমাদৃত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি সহ বিভিন্ন জায়গায় পটচিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন পটুয়ারা।
ভারতবর্ষের এক প্রাচীন লোকশিল্প, যেখানে কাপড়ের উপর রঙ ও রেখার মাধ্যমে গল্প তুলে ধরা হয়। ‘পট’ মানে কাপড় এবং ‘চিত্র’ মানে ছবি। ছবি এঁকে গান রচনা করেন তাঁরা। আর সেই গল্প বর্ণনা করে ভিক্ষা করতেন পট শিল্পীরা। প্রাচীন কালে এই শিল্প রীতিমতো ধর্মীয় কাহিনি, পুরাণ ও গ্রাম বাংলার জীবনযাপনকে কেন্দ্র করে আঁকা হত এবং শিল্পীরা গান করে পরিবেশন করতেন। (ছবি ও তথ্যঃ রঞ্জন চন্দ)
advertisement
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পটচিত্র শুধু শিল্প নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের উপার্জনের একটি মাধ্যমও ছিল। পটুয়ারা গ্রামে গিয়ে পট দেখাতেন, গান শোনাতেন এবং বিনিময়ে সামান্য উপার্জন পেতেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিল্পের প্রভাব বাড়ায় পটচিত্র এখন শুধু লোকজ ভিক্ষা নয়, বরং উৎসব, প্রদর্শনী ও শিল্প প্রদর্শনের মাধ্যমে সার্বজনীনভাবে সমাদৃত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি সহ বিভিন্ন জায়গায় পটচিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন পটুয়ারা।
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা ব্লকের নয়াগ্রামকে 'পটচিত্র গ্রাম' বা 'ছবির গ্রাম' বলা হয়। এখানে প্রায় চার শতাধিক পটচিত্র শিল্পী বাস করেন এবং বংশপরম্পরায় এই শিল্প চালিয়ে আসছেন। এই গ্রাম আজ বাংলার লোকশিল্পের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এখানকার একাধিক পটচিত্রশিল্পী রাষ্ট্রপতির থেকে সম্মান পেয়েছেন।
advertisement
পিংলার পটচিত্র শিল্পীরা বার্ষিক পটচিত্র উৎসব আয়োজন করেন, যেখানে গ্রামের শিল্পীরা নিজেদের পাণ্ডিত্য প্রদর্শন করেন। এই উৎসবটি স্থানীয় পর্যটন ও সাংস্কৃতিক জাগরণে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং দর্শনার্থীদের কাছে পটচিত্রের ঐতিহ্য বুঝিয়ে দেয়। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসেন, বিদেশ থেকেও হাজির হন অনেকে।
advertisement
advertisement








