advertisement

Supreme Court on SIR: হাইকোর্টের নজরদারিতে হবে SIR! রাজ্যের ‘এক্সট্রা অর্ডিনারি’ পরিস্থিতিতে বেনজির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Last Updated:
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে জুডিশিয়াল অফিসার এবং অবসরপ্রাপ্ত দায়িত্ববান জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য আবেদন করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ৷
1/7
নয়াদিল্লি: সময়ে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করতে এবার হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের বেনজির নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত নির্দেশ দেন, ‘‘আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলব, জুডিশিয়াল অফিসার অ‍্যাপয়েন্ট করার। ’’ রাজ্যের এই পরিস্থিতিকে ‘এক্স্ট্রা অর্ডিনারি’ পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি৷
নয়াদিল্লি: সময়ে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করতে এবার হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের বেনজির নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত নির্দেশ দেন, ‘‘আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে বলব, জুডিশিয়াল অফিসার অ্যাপয়েন্ট করার। ’’ রাজ্য়ের এই পরিস্থিতিকে ‘এক্স্ট্রা অর্ডিনারি’ পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি৷
advertisement
2/7
এদিন রাজ্যের বিরুদ্ধে কম যোগ্যতা সম্পন্ন আধিকারিকদের রাজ্যের তরফে ইআরও হিসাবে নিয়োগ করার অভিযোগ জানায় কমিশন৷ এমনকি, ক্লার্কের পদে চাকরি করা ব্যক্তিকে ইআরও নিয়োগ করা হয়েছে বলেও আদালতকে জানায় কমিশন৷ পাল্টা, স্পেশাল রোল অবজার্ভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় রাজ্যের তরফে৷ এর পরেই প্রধান বিচারপতি দু’পক্ষের মধ্যে ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’ অর্থাৎ, বিশ্বাসহীনতার প্রসঙ্গ তোলেন এবং বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের নেতৃত্বে বঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন৷
এদিন রাজ্যের বিরুদ্ধে কম যোগ্যতা সম্পন্ন আধিকারিকদের রাজ্যের তরফে ইআরও হিসাবে নিয়োগ করার অভিযোগ জানায় কমিশন৷ এমনকি, ক্লার্কের পদে চাকরি করা ব্যক্তিকে ইআরও নিয়োগ করা হয়েছে বলেও আদালতকে জানায় কমিশন৷ পাল্টা, স্পেশাল রোল অবজার্ভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় রাজ্যের তরফে৷ এর পরেই প্রধান বিচারপতি দু’পক্ষের মধ্যে ‘ট্রাস্ট ডেফিসিট’ অর্থাৎ, বিশ্বাসহীনতার প্রসঙ্গ তোলেন এবং বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের নেতৃত্বে বঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেন৷
advertisement
3/7
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘অধিকাংশ ব্যক্তিরা যাঁদের কাছে নোটিস গিয়েছে, তাঁদের আপত্তি এবং আবেদনকে অ্যাডজুডিকেট করার প্রয়োজন রয়েছে কোয়াশি জুডিশিয়াল আধিকারিকদের দ্বারা। ইআরও এবং এইআরওদের এটা করার কথা। রাজ্য সরকারের তরফে গ্রুপ এ র‍্যাঙ্কের আধিকারিক দেওয়া প্রয়োজন ইআরও পদে কাজের জন‍্য। কিন্তু রাজ্যের তরফে দেওয়া আধিকারিকদের র‍্যাঙ্ক নিয়ে ডিসপুট তৈরি হয়েছে।’’
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘অধিকাংশ ব্যক্তিরা যাঁদের কাছে নোটিস গিয়েছে, তাঁদের আপত্তি এবং আবেদনকে অ্যাডজুডিকেট করার প্রয়োজন রয়েছে কোয়াশি জুডিশিয়াল আধিকারিকদের দ্বারা। ইআরও এবং এইআরওদের এটা করার কথা। রাজ্য সরকারের তরফে গ্রুপ এ র‍্যাঙ্কের আধিকারিক দেওয়া প্রয়োজন ইআরও পদে কাজের জন‍্য। কিন্তু রাজ্যের তরফে দেওয়া আধিকারিকদের র‍্যাঙ্ক নিয়ে ডিসপুট তৈরি হয়েছে।’’
advertisement
4/7
আদালতের কথায়, ‘‘গোটা প্রক্রিয়ার অ্যাডজুডিকেশনের জন‍্য এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার জন‍্য দুপক্ষের সম্মতিতে আমাদের কাছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা ছাড়া উপায় নেই। জুডিশিয়াল অফিসার এবং অবসরপ্রাপ্ত দায়িত্ববান জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য। যাঁরা খতিয়ে দেখবেন এবং ডিসপোস অফ করবেন লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির ক্লেইমগুলি৷’’
আদালতের কথায়, ‘‘গোটা প্রক্রিয়ার অ্যাডজুডিকেশনের জন‍্য এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার জন‍্য দুপক্ষের সম্মতিতে আমাদের কাছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা ছাড়া উপায় নেই। জুডিশিয়াল অফিসার এবং অবসরপ্রাপ্ত দায়িত্ববান জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার জন‍্য। যাঁরা খতিয়ে দেখবেন এবং ডিসপোস অফ করবেন লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির ক্লেইমগুলি৷’’
advertisement
5/7
সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ‘‘এই জুডিশিয়াল অফিসারদের সহযোগিতা করবেন মাইক্রো এবং অবজারভাররা৷ যাঁরা কমিশন এবং রাজ্যের তরফে নিযুত্ত হয়েছেন এখনও পর্যন্ত৷ আমরা অবগত এই বিষয়ে যে এই প্রক্রিয়া বকেয়া আদালতের কেসের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমরা একটি কমিটি তৈরি করতে বলছি প্রধান বিচারপতিকে। যেখানে মামলা বণ্টনের এক সপ্তাহের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। সমস্ত ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর এবং পুলিশ সুপার জুডিশিয়াল অফিসার এবং তাঁর টিমকে সহযোগিতা করবে৷’’
সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ‘‘এই জুডিশিয়াল অফিসারদের সহযোগিতা করবেন মাইক্রো এবং অবজারভাররা৷ যাঁরা কমিশন এবং রাজ্যের তরফে নিযুত্ত হয়েছেন এখনও পর্যন্ত৷ আমরা অবগত এই বিষয়ে যে এই প্রক্রিয়া বকেয়া আদালতের কেসের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমরা একটি কমিটি তৈরি করতে বলছি প্রধান বিচারপতিকে। যেখানে মামলা বণ্টনের এক সপ্তাহের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। সমস্ত ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর এবং পুলিশ সুপার জুডিশিয়াল অফিসার এবং তাঁর টিমকে সহযোগিতা করবে৷’’
advertisement
6/7
পাশাপাশি আদালতে জানায়, ‘‘মোডালিটি এখন হাইকোর্ট পর্যায়ে রয়েছে। আমরা সিইও এবং কমিশনের শীর্ষ আধিকারিক, সিএস, ডিজিপি এবং এজি এবং এএসজি বসে আগামিকালই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে বসতে৷ কীভাবে এই অচলাবস্থা শেষ করা যায় এবং সচলাবস্থা আনানো যায় সেটা নিশ্চিত করুক। আমাদের একটাই কনসার্ন, গোটা পরিস্থিতি যাতে সঠিক ভাবে শেষ হয়৷ হাইকোর্টের সঙ্গে কোঅপারেট করুন। এমন এনভায়রনমেন্ট তৈরি করুন যাতে কাজে সমস্যা না হয়। এসআইআর যদি শেষ না হয়, তাহলে কী হবে বুঝতে পারছেন?’’
পাশাপাশি আদালতে জানায়, ‘‘মোডালিটি এখন হাইকোর্ট পর্যায়ে রয়েছে। আমরা সিইও এবং কমিশনের শীর্ষ আধিকারিক, সিএস, ডিজিপি এবং এজি এবং এএসজি বসে আগামিকালই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে বসতে৷ কীভাবে এই অচলাবস্থা শেষ করা যায় এবং সচলাবস্থা আনানো যায় সেটা নিশ্চিত করুক। আমাদের একটাই কনসার্ন, গোটা পরিস্থিতি যাতে সঠিক ভাবে শেষ হয়৷ হাইকোর্টের সঙ্গে কোঅপারেট করুন। এমন এনভায়রনমেন্ট তৈরি করুন যাতে কাজে সমস্যা না হয়। এসআইআর যদি শেষ না হয়, তাহলে কী হবে বুঝতে পারছেন?’’
advertisement
7/7
আদালত জানায়, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা আগে এতদিন পর্যন্ত যে ডিসপিউটহীন ভোটারদের নাম জানা গিয়েছে, তাদের নিয়ে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা যেতে হবে। কিন্তু সেটিকে চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না৷ তবে সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারিই একটি তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে৷ এরপরে যদিও কোনও কোনও ভোটারের মামলার নিষ্পত্তি হয়, সেগুলি পরে পরে তালিকায় যোগ করা যেতে পারে৷ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ প্রয়োজনে পিছতে পারে বলেই নির্দেশে ইঙ্গিত৷
আদালত জানায়, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা আগে এতদিন পর্যন্ত যে ডিসপিউটহীন ভোটারদের নাম জানা গিয়েছে, তাদের নিয়ে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা যেতে হবে। কিন্তু সেটিকে চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না৷ তবে সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারিই একটি তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে৷ এরপরে যদিও কোনও কোনও ভোটারের মামলার নিষ্পত্তি হয়, সেগুলি পরে পরে তালিকায় যোগ করা যেতে পারে৷ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ প্রয়োজনে পিছতে পারে বলেই নির্দেশে ইঙ্গিত৷
advertisement
advertisement
advertisement