advertisement

শুকিয়ে কাঠ কাটাখালি নদী! পায়ে হেঁটে পারাপার হাসনাবাদে, সাংঘাতিক পরিস্থিতি, দ্রুত সমাধান না হলে পরিবেশের বড় ক্ষতি

Last Updated:
North 24 Parganas News: প্রাণচঞ্চল কাটাখালি নদী আজ প্রায় জলশূন্য। নদীর বুক জুড়ে বালুচর। শুকিয়ে যাওয়া নদী হেঁটে পারাপার করছে হাসনাবাদের মানুষ। কাটাখালি নদীকে আবার তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।
1/6
উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের কাটাখালি নদী আজ প্রায় জলশূন্য। একসময় প্রবাহমান এই নদী ছিল এলাকার মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। স্থানীয়দের স্মৃতিতে এখনও ভাসে সেই সময়ের স্মৃতি, যখন ভরা জলে সারাবছরই নদী ছিল প্রাণচাঞ্চল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নদীর বুক জুড়ে বালুচর। আর সেই শুকিয়ে যাওয়া নদীই পারাপারের রাস্তা হয়ে উঠেছে। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের কাটাখালি নদী আজ প্রায় জলশূন্য। একসময় প্রবাহমান এই নদী ছিল এলাকার মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। স্থানীয়দের স্মৃতিতে এখনও ভাসে সেই সময়ের স্মৃতি, যখন ভরা জলে সারাবছরই নদী ছিল প্রাণচাঞ্চল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। নদীর বুক জুড়ে বালুচর। আর সেই শুকিয়ে যাওয়া নদীই পারাপারের রাস্তা হয়ে উঠেছে। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
2/6
জল না থাকায় অনেক জায়গায় মানুষ সরাসরি পায়ে হেঁটে নদী পার হচ্ছেন। কোথাও আবার বাঁশ ফেলে অস্থায়ী পথ তৈরি করা হয়েছে। সেই পথ ধরেই সাইকেল ও মোটরবাইক নিয়ে যাতায়াত করছেন এলাকাবাসী। ফলে নদী থাকলেও তার স্বাভাবিক অস্তিত্ব যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।
জল না থাকায় অনেক জায়গায় মানুষ সরাসরি পায়ে হেঁটে নদী পার হচ্ছেন। কোথাও আবার বাঁশ ফেলে অস্থায়ী পথ তৈরি করা হয়েছে। সেই পথ ধরেই সাইকেল ও মোটরবাইক নিয়ে যাতায়াত করছেন এলাকাবাসী। ফলে নদী থাকলেও তার স্বাভাবিক অস্তিত্ব যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।
advertisement
3/6
হাসনাবাদের ভবানীপুরের দ্বীপাঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। ইতিহাস বলছে, ব্রিটিশ আমলে হাসনাবাদ থেকে ভবানীপুরের যোগাযোগ সহজ করতে ইছামতী ও ডাঁসা নদীর মাঝামাঝি একটি খাল কাটা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই খালই কাটাখালি নদী হিসেবে পরিচিতি পায়।
হাসনাবাদের ভবানীপুরের দ্বীপাঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। ইতিহাস বলছে, ব্রিটিশ আমলে হাসনাবাদ থেকে ভবানীপুরের যোগাযোগ সহজ করতে ইছামতী ও ডাঁসা নদীর মাঝামাঝি একটি খাল কাটা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সেই খালই কাটাখালি নদী হিসেবে পরিচিতি পায়।
advertisement
4/6
ভৌগোলিকভাবে ভবানীপুর দ্বীপটি বিদ্যাধরী, ডাঁসা, বেতনি এবং কাটাখালি - এই চার নদী দ্বারা বেষ্টিত। দ্বীপের এক প্রান্তে রয়েছে শুলকুনি ফেরিঘাট, যেখান থেকে বেদেমারি, ভোলাখালি ও পারভবানীপুর হয়ে মডেলবাজার এবং সন্দেশখালির কালীনগর এলাকায় যাতায়াত করেন বহু মানুষ।
ভৌগোলিকভাবে ভবানীপুর দ্বীপটি বিদ্যাধরী, ডাঁসা, বেতনি এবং কাটাখালি - এই চার নদী দ্বারা বেষ্টিত। দ্বীপের এক প্রান্তে রয়েছে শুলকুনি ফেরিঘাট, যেখান থেকে বেদেমারি, ভোলাখালি ও পারভবানীপুর হয়ে মডেলবাজার এবং সন্দেশখালির কালীনগর এলাকায় যাতায়াত করেন বহু মানুষ।
advertisement
5/6
কিন্তু বর্তমানে কাটাখালি নদী অধিকাংশ সময়ই জলশূন্য হয়ে পড়ে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড়ে গাছ কাটা এবং বিভিন্নভাবে নদীর স্বাভাবিক গতিপথে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় নদীর নাব্যতা দ্রুত কমছে। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কিন্তু বর্তমানে কাটাখালি নদী অধিকাংশ সময়ই জলশূন্য হয়ে পড়ে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড়ে গাছ কাটা এবং বিভিন্নভাবে নদীর স্বাভাবিক গতিপথে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় নদীর নাব্যতা দ্রুত কমছে। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
advertisement
6/6
এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। পাশাপাশি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খনন কাজের পাশাপাশি নদীর পাড়ে ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর মতো উদ্যোগ নেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে কাটাখালি নদীকে আবার তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। পাশাপাশি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খনন কাজের পাশাপাশি নদীর পাড়ে ম্যানগ্রোভ গাছ লাগানোর মতো উদ্যোগ নেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে কাটাখালি নদীকে আবার তার স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। (ছবি ও তথ্য: জুলফিকার মোল্যা)
advertisement
advertisement
advertisement