Saraswati Temple: দেশে হাতেগোনা, রাজ্যে দু'নম্বর, পূর্ব মেদিনীপুরের একমাত্র স্থায়ী সরস্বতী মন্দির! রোজ হয় পূজার্চনা, জানুন কোথায়

Last Updated:
East Medinipur Saraswati Temple: ১০০ বছরের প্রাচীন সরস্বতী মন্দির। কাঁথি আদালত থেকে মন্দিরটি খুব বেশি দূরে নয়। এলাকার পড়ুয়ারা প্রতিদিন মন্দিরে প্রণাম করে স্কুলে যায়। দেশে হাতে গোনা কয়েকটি সরস্বতী মন্দির রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দু’টি মন্দিরের মধ্যে একটি কাঁথি শহরের এই মন্দির।
1/6
কাঁথির সরস্বতীতলা। শুধু সরস্বতী পুজোর দিন নয়, এখানে সারা বছর হাতে খড়ি হয়। এখানে বাগদেবীর আরাধনা নিয়মিত চলে। প্রতিদিন দু'বেলা পুজো হয়। কাঁথি শহরের মাঝেই রয়েছে ১০০ বছরের প্রাচীন সরস্বতী মন্দির। কাঁথি আদালত থেকে মন্দিরটি খুব বেশি দূরে নয়। এলাকার পড়ুয়ারা প্রতিদিন মন্দিরে প্রণাম করে স্কুলে যায়। দেশে হাতে গোনা কয়েকটি সরস্বতী মন্দির রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দু’টি মন্দিরের মধ্যে একটি কাঁথি শহরের এই মন্দির।
কাঁথির সরস্বতীতলা। শুধু সরস্বতী পুজোর দিন নয়, এখানে সারা বছর হাতে খড়ি হয়। এখানে বাগদেবীর আরাধনা নিয়মিত চলে। প্রতিদিন দু'বেলা পুজো হয়। কাঁথি শহরের মাঝেই রয়েছে ১০০ বছরের প্রাচীন সরস্বতী মন্দির। কাঁথি আদালত থেকে মন্দিরটি খুব বেশি দূরে নয়। এলাকার পড়ুয়ারা প্রতিদিন মন্দিরে প্রণাম করে স্কুলে যায়। দেশে হাতে গোনা কয়েকটি সরস্বতী মন্দির রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দু’টি মন্দিরের মধ্যে একটি কাঁথি শহরের এই মন্দির।
advertisement
2/6
বাংলায় ১৩৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই সরস্বতী মন্দির। কাঁথি আদালতের আইনজীবীরা মন্দিরটি পরিচালনা করেন। স্বাধীনতার পরে তপন মাইতি নামে এক আইনজীবী পারিবারিক সূত্রে এই জমিটি পান। আগে ক্লাবের মতো আয়োজন করে বসন্ত পঞ্চমীর দিনে সরস্বতী পুজো হতো। পরে আদালতের আইনজীবীরা স্থির করেন একটি স্থায়ী সরস্বতী মন্দির নির্মাণের। এভাবে মন্দিরের ভিত্তি তৈরি হয়।
বাংলায় ১৩৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই সরস্বতী মন্দির। কাঁথি আদালতের আইনজীবীরা মন্দিরটি পরিচালনা করেন। স্বাধীনতার পরে তপন মাইতি নামে এক আইনজীবী পারিবারিক সূত্রে এই জমিটি পান। আগে ক্লাবের মতো আয়োজন করে বসন্ত পঞ্চমীর দিনে সরস্বতী পুজো হতো। পরে আদালতের আইনজীবীরা স্থির করেন একটি স্থায়ী সরস্বতী মন্দির নির্মাণের। এভাবে মন্দিরের ভিত্তি তৈরি হয়।
advertisement
3/6
নির্মাণের পরে শ্বেত পাথরের সরস্বতী মূর্তি মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়। সঙ্গে লক্ষ্মী ও গণেশের মূর্তিও রাখা হয়। মন্দিরে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দেবীর পুজো শুরু হয়। সন্ধ্যায় আরতি অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের হাতে খড়ি দেওয়া এখন নিয়মিত। তাই অনেক অভিভাবক সরস্বতী পুজোর জন্য অপেক্ষা না করে ৩৬৫ দিনের মধ্যে যেকোনো দিন মন্দিরেই খড়ি করান। এই প্রথা চালু হওয়ার পর থেকে মন্দিরে প্রতিদিন তিন থেকে চার শিশুর হাতে খড়ি দেওয়া হয়।
নির্মাণের পরে শ্বেত পাথরের সরস্বতী মূর্তি মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হয়। সঙ্গে লক্ষ্মী ও গণেশের মূর্তিও রাখা হয়। মন্দিরে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দেবীর পুজো শুরু হয়। সন্ধ্যায় আরতি অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের হাতে খড়ি দেওয়া এখন নিয়মিত। তাই অনেক অভিভাবক সরস্বতী পুজোর জন্য অপেক্ষা না করে ৩৬৫ দিনের মধ্যে যেকোনও দিন মন্দিরেই খড়ি করান। এই প্রথা চালু হওয়ার পর থেকে মন্দিরে প্রতিদিন তিন থেকে চার শিশুর হাতে খড়ি দেওয়া হয়।
advertisement
4/6
মন্দিরের পুরোহিত বাপি পন্ডা বলেন,
মন্দিরের পুরোহিত বাপি পণ্ডা বলেন, "প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দেবীর পুজো হয়। সন্ধ্যায় আরতি হয়। বর্তমানে তিন বছরে শিশুদের স্কুলে ভর্তি করা হয়। তাই অনেক অভিভাবক সরস্বতী পুজো পর্যন্ত হাতে খড়ির জন্য অপেক্ষা করতে চান না। আমরা মন্দিরে প্রতিদিনই হাতে খড়ির ব্যবস্থা করি। প্রত্যেকদিন তিন থেকে চার শিশুর হাতে খড়ি দেওয়া হয়।"
advertisement
5/6
সারা বছর পুজো হলেও বসন্ত পঞ্চমীর দিন বিশেষভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়। মন্দিরের বাইরে বড়ো করে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। দেবীকে ফুল দিয়ে সাজানো হয়। শ্বেতপাথরের দেবী মূর্তি হলুদ গাঁদা ও রাঙা পলাশ দিয়ে সজ্জিত করা হয়। দোয়াত, কলম, স্লেট, পেন্সিল সবই থাকে নিয়ম মতো। এ দিন মন্দিরের বাইরে অঞ্জলি দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে। স্থানীয়দের সঙ্গে শহরের মানুষও সকালেই এখানে ভিড় জমায়।
সারা বছর পুজো হলেও বসন্ত পঞ্চমীর দিন বিশেষভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়। মন্দিরের বাইরে বড়ো করে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়। দেবীকে ফুল দিয়ে সাজানো হয়। শ্বেতপাথরের দেবী মূর্তি হলুদ গাঁদা ও রাঙা পলাশ দিয়ে সজ্জিত করা হয়। দোয়াত, কলম, স্লেট, পেন্সিল সবই থাকে নিয়ম মতো। এ দিন মন্দিরের বাইরে অঞ্জলি দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে। স্থানীয়দের সঙ্গে শহরের মানুষও সকালেই এখানে ভিড় জমায়।
advertisement
6/6
বসন্ত পঞ্চমীর ভোগের আয়োজনও বিশেষ হয়। খিচুড়ি, আলুর দম এবং পায়েস দেবীর কাছে অর্পণ করা হয়। আদালতের বিচারক থেকে আইনজীবী, স্কুল–কলেজের পড়ুয়া সবাই সকালেই মন্দিরে আসে। দেবীর আরাধনা এবং হাতে খড়ির প্রথা এই মন্দিরকে জনপ্রিয় করেছে। এখানে প্রতিদিন ভক্তরা আসে।
বসন্ত পঞ্চমীর ভোগের আয়োজনও বিশেষ হয়। খিচুড়ি, আলুর দম এবং পায়েস দেবীর কাছে অর্পণ করা হয়। আদালতের বিচারক থেকে আইনজীবী, স্কুল–কলেজের পড়ুয়া সবাই সকালেই মন্দিরে আসে। দেবীর আরাধনা এবং হাতে খড়ির প্রথা এই মন্দিরকে জনপ্রিয় করেছে। এখানে প্রতিদিন ভক্তরা আসে।
advertisement
advertisement
advertisement