advertisement

Bankura News: বাঁকুড়ায় এ কী মিলল! এখনকার নয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা ফেলত এই 'জিনিস'! কী ভয়ঙ্কর জিনিস জানেন?

Last Updated:
Bankura News: ভারতীয় সেনার বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে, এই বিস্ফোরকগুলি সাম্প্রতিক নয়, বরং বহু দশক আগের এক ভয়াবহ যুদ্ধের সাক্ষী।
1/6
বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার অধীন ডিহিপাড়া গ্রামে, দামোদর নদ-এর চর ও নদীগর্ভে বালি তোলার সময় উদ্ধার হওয়া তিনটি বোম ঘিরে উঠে এল একাধিক চমকপ্রদ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ভারতীয় সেনার বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে, এই বিস্ফোরকগুলি সাম্প্রতিক নয়, বরং বহু দশক আগের এক ভয়াবহ যুদ্ধের সাক্ষী।
বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী থানার অধীন ডিহিপাড়া গ্রামে, দামোদর নদ-এর চর ও নদীগর্ভে বালি তোলার সময় উদ্ধার হওয়া তিনটি বোম ঘিরে উঠে এল একাধিক চমকপ্রদ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ভারতীয় সেনার বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে, এই বিস্ফোরকগুলি সাম্প্রতিক নয়, বরং বহু দশক আগের এক ভয়াবহ যুদ্ধের সাক্ষী।
advertisement
2/6
সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া তিনটি বোমই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল—এই বোমগুলি আমেরিকান উৎসের বলে অনুমান করা হচ্ছে। গঠন, ধাতব কাঠামো ও বিস্ফোরক ব্যবস্থার ধরন বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা।
সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া তিনটি বোমই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল—এই বোমগুলি আমেরিকান উৎসের বলে অনুমান করা হচ্ছে। গঠন, ধাতব কাঠামো ও বিস্ফোরক ব্যবস্থার ধরন বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
3/6
ওজনের দিক থেকেও এই বোমগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী। সেনা জানিয়েছে, এর মধ্যে দুটি বোম ৫০০ পাউন্ডের এবং একটি ২৫০ পাউন্ডের। এই ধরনের ভারী বোম সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রে বড় আকারের ধ্বংসের জন্য ব্যবহার করা হত, যা থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলির বিধ্বংসী ক্ষমতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলছে।
ওজনের দিক থেকেও এই বোমগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী। সেনা জানিয়েছে, এর মধ্যে দুটি বোম ৫০০ পাউন্ডের এবং একটি ২৫০ পাউন্ডের। এই ধরনের ভারী বোম সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রে বড় আকারের ধ্বংসের জন্য ব্যবহার করা হত, যা থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলির বিধ্বংসী ক্ষমতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলছে। ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
advertisement
4/6
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে—এই বোমগুলি মর্টার শেল নয়। অর্থাৎ, এগুলি মাটির কাছ থেকে নিক্ষেপ করা কোনও অস্ত্র নয়, বরং আকাশ থেকে বিমানযোগে ফেলা হত। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন সময়ে এগুলি এয়ার ড্রপ বোম হিসেবে ব্যবহৃত হত।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে—এই বোমগুলি মর্টার শেল নয়। অর্থাৎ, এগুলি মাটির কাছ থেকে নিক্ষেপ করা কোনও অস্ত্র নয়, বরং আকাশ থেকে বিমানযোগে ফেলা হত। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, যুদ্ধকালীন সময়ে এগুলি এয়ার ড্রপ বোম হিসেবে ব্যবহৃত হত।
advertisement
5/6
ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময় কোনও কারণে বোমগুলি বিস্ফোরিত হয়নি এবং ধীরে ধীরে দামোদর নদীর গতিপথ বদলের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলি নদীগর্ভে ও চরের বালির নিচে চাপা পড়ে যায়। কয়েক দশক পরে বালি তোলার কাজ শুরু হতেই এই যুদ্ধকালীন বিস্ফোরকগুলি ফের প্রকাশ্যে আসে।
ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময় কোনও কারণে বোমগুলি বিস্ফোরিত হয়নি এবং ধীরে ধীরে দামোদর নদীর গতিপথ বদলের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলি নদীগর্ভে ও চরের বালির নিচে চাপা পড়ে যায়। কয়েক দশক পরে বালি তোলার কাজ শুরু হতেই এই যুদ্ধকালীন বিস্ফোরকগুলি ফের প্রকাশ্যে আসে।
advertisement
6/6
এই এলাকায় ভবিষ্যতে আরও এমন অবিস্ফোরিত বোম পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করা যাচ্ছে না। ফলে দামোদর নদীর চরাঞ্চলে কাজকর্ম নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর অধ্যায় যে এখনও নদীর গভীরে লুকিয়ে থাকতে পারে, তা এই ঘটনাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।
এই এলাকায় ভবিষ্যতে আরও এমন অবিস্ফোরিত বোম পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করা যাচ্ছে না। ফলে দামোদর নদীর চরাঞ্চলে কাজকর্ম নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর অধ্যায় যে এখনও নদীর গভীরে লুকিয়ে থাকতে পারে, তা এই ঘটনাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।
advertisement
advertisement
advertisement