advertisement

Ancient Temple: শতবর্ষ প্রাচীন ছিন্নমস্তা মন্দিরের আমূল ভোলবদল, বিষ্ণুপুর ভ্রমণে এবার মাস্ট ভিজিট! এই জায়গা দেখে মুগ্ধ পর্যটকরা

Last Updated:
Bankura Ancient Temple: বিষ্ণুপুরের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মা ছিন্নমস্তার মন্দির। প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত মন্দিরে আসেন পুজো দিতে। বিশেষ তিথিতে উপচে পড়ে ভিড়। পুজো দেওয়ার জন্য মন্দিরে রয়েছে সব ব্যবস্থা।
1/6
বিষ্ণুপুরের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মা ছিন্নমস্তার মন্দির। প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির সম্প্রতি নবীকরণ করা হয়েছে, ফলে এখন তা আরও আকর্ষণীয় ও সুসজ্জিত রূপে ভক্ত ও পর্যটকদের সামনে ধরা দিচ্ছে। শহরের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের মধ্যেই অবস্থিত এই শক্তিপীঠ সদৃশ মন্দিরে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন শত শত দর্শনার্থী। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
বিষ্ণুপুরের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মা ছিন্নমস্তার মন্দির। প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির সম্প্রতি নবীকরণ করা হয়েছে, ফলে এখন তা আরও আকর্ষণীয় ও সুসজ্জিত রূপে ভক্ত ও পর্যটকদের সামনে ধরা দিচ্ছে। শহরের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের মধ্যেই অবস্থিত এই শক্তিপীঠ সদৃশ মন্দিরে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন শত শত দর্শনার্থী। (ছবি ও তথ্য- নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
ইতিহাস গবেষক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,
ইতিহাস গবেষক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মা ছিন্নমস্তা দেবীর রূপই তাঁকে অন্য সব দেবীমূর্তির থেকে আলাদা করে দেয়। ‘ছিন্নমস্তা’ শব্দের অর্থ ‘মস্তক বিচ্ছিন্ন’। মন্দিরে স্থাপিত মূর্তিতে দেবীকে এক বিশেষ ভঙ্গিতে দেখা যায়, যা সাধারণ দেবীমূর্তির থেকে ভিন্ন। কখনও তাঁকে দ্বাদশভুজা রূপেও দেখানো হয়। শক্তির প্রতীক এই দেবীমূর্তি ভক্তদের কাছে রহস্যময় ও জাগ্রত রূপে পূজিত।"
advertisement
3/6
মন্দিরটি জোড় মন্দিরের পথে অবস্থিত, ঐতিহাসিক দলমাদল কামানের দিক দিয়েই সেখানে যেতে হয়। তাই বিষ্ণুপুর ভ্রমণে বেরোলে একসঙ্গে একাধিক ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থান দেখার সুযোগ পান পর্যটকরা। শহরের প্রাচীন মন্দির স্থাপত্যের পরিবেশের মধ্যেই মা ছিন্নমস্তার মন্দির বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে।
মন্দিরটি জোড় মন্দিরের পথে অবস্থিত, ঐতিহাসিক দলমাদল কামানের দিক দিয়েই সেখানে যেতে হয়। তাই বিষ্ণুপুর ভ্রমণে বেরোলে একসঙ্গে একাধিক ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থান দেখার সুযোগ পান পর্যটকরা। শহরের প্রাচীন মন্দির স্থাপত্যের পরিবেশের মধ্যেই মা ছিন্নমস্তার মন্দির বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে।
advertisement
4/6
প্রতিদিন নিয়মিত পুজো ও আরতি অনুষ্ঠিত হয় এখানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকেও ভক্তরা আসেন মানত পূরণ ও প্রার্থনা করতে। বিশেষ তিথি ও অমাবস্যায় ভিড় আরও বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।
প্রতিদিন নিয়মিত পুজো ও আরতি অনুষ্ঠিত হয় এখানে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকেও ভক্তরা আসেন মানত পূরণ ও প্রার্থনা করতে। বিশেষ তিথি ও অমাবস্যায় ভিড় আরও বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।
advertisement
5/6
মন্দিরের বাইরে সহজেই পাওয়া যায় পুজোর সব প্রয়োজনীয় সামগ্রী। ফুল, ধূপ, প্রদীপ থেকে শুরু করে প্রসাদ, সবই মেলে দোকানগুলিতে। ফলে দর্শনার্থীদের পুজো দিতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না।
মন্দিরের বাইরে সহজেই পাওয়া যায় পুজোর সব প্রয়োজনীয় সামগ্রী। ফুল, ধূপ, প্রদীপ থেকে শুরু করে প্রসাদ, সবই মেলে দোকানগুলিতে। ফলে দর্শনার্থীদের পুজো দিতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না।
advertisement
6/6
ঐতিহ্য, ভক্তি ও রহস্যময় শক্তির এক অনন্য সমন্বয় হয়ে উঠেছে বিষ্ণুপুরের মা ছিন্নমস্তার মন্দির। পর্যটন মানচিত্রে এই মন্দির আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি ইতিহাসপ্রেমীদেরও আকর্ষণ করছে সমানভাবে। (ছবি ও তথ্য- নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
ঐতিহ্য, ভক্তি ও রহস্যময় শক্তির এক অনন্য সমন্বয় হয়ে উঠেছে বিষ্ণুপুরের মা ছিন্নমস্তার মন্দির। পর্যটন মানচিত্রে এই মন্দির আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা ধর্মপ্রাণ মানুষের পাশাপাশি ইতিহাসপ্রেমীদেরও আকর্ষণ করছে সমানভাবে। (ছবি ও তথ্য- নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
advertisement
advertisement