Refrigerator : ফ্রিজ কেন দেওয়ালে ঠেকিয়ে রাখতে নেই? অনেকেই জানেন না, অজান্তে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারেন, সাবধান!
- Published by:Suman Majumder
Last Updated:
फ्रिज में विस्फोट कैसे होता है, कंप्रेसर ब्लास्ट के पीछे क्या कारण हैं, पुराने रेफ्रिजरेटर से कितना खतरा है और घर में फ्रिज सुरक्षित रखने के लिए किन सावधानियों का पालन करना जरूरी है. जानें सभी जरूरी टिप्स...
advertisement
advertisement
কম্প্রেসর রেফ্রিজারেটরের পেছনের দিকে লাগানো থাকে। এতে একটি পাম্প ও একটি মোটর থাকে। এই মোটর পাম্পের সাহায্যে রেফ্রিজারেন্ট গ্যাসকে কয়েলের ভেতরে পাঠায়। যখন এই গ্যাস ঠান্ডা হয়ে তরলে পরিণত হয়, তখন এটি রেফ্রিজারেটরের ভেতরের তাপ শোষণ করে নেয় এবং ভেতরে রাখা সব জিনিস ঠান্ডা করে। এটিই রেফ্রিজারেটরের স্বাভাবিক কাজ করার প্রক্রিয়া।
advertisement
যখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে যায়, তখন কম্প্রেসরে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। কম্প্রেসর লাগাতার রেফ্রিজারেন্ট সঞ্চালন করতে থাকে। যার ফলে রেফ্রিজারেটরের পেছনের অংশ গরম হয়ে ওঠে। এর কারণে কনডেনসার কয়েলগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে গ্যাস চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা বাইরে বেরোতে পারে না। কয়েলের ভেতরে গ্যাস জমতে থাকে, যার ফলে চাপ বাড়তে থাকে। একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি চাপ বেড়ে গেলে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে এবং বিস্ফোরণের কারণ হতে পারে।
advertisement
এই ধরনের ঘটনা সাধারণত খুবই বিরল। তাই ধরে নেওয়া যায় যে রেফ্রিজারেটরে সহজে বিস্ফোরণ ঘটে না। কিন্তু যদি আপনার রেফ্রিজারেটর ১০ বছরের বেশি পুরনো হয় এবং আপনি এখনও সেটি ব্যবহার করেন, তাহলে আপনাকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। রেফ্রিজারেটর যত পুরনো হয়, বিস্ফোরণের ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে। পুরনো রেফ্রিজারেটরের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকা জরুরি। এখন জেনে নেওয়া যাক, ফ্রিজে বিস্ফোরণ এড়াতে কী কী সতর্কতা মেনে চলা উচিত।
advertisement
advertisement
কিন্তু যদি কম্প্রেসর খুব জোরে শব্দ করতে শুরু করে অথবা একেবারেই কোনও শব্দ না আসে, তাহলে বুঝতে হবে এতে কোনও ত্রুটি থাকতে পারে। যদি আপনার রেফ্রিজারেটর ১০ বছরের বেশি পুরোনো হয়, তা হলে নিয়মিত সময়ে সেটির পরীক্ষা করিয়ে নিন। ফ্রিজ একেবারে দেওয়ালের সঙ্গে লাগিয়ে রাখবেন না। রেফ্রিজারেটর ও দেওয়ালের মধ্যে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা রাখা উচিত, যাতে গরম বাতাস সহজে বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে।









