advertisement

পুলিশের জাদুকরি চশমায় কী বিশেষত্ব? হাই-টেক চশমা ভিড়ের মাঝেও অপরাধীদের খুঁজে বের করবে মুহূর্তেই!

Last Updated:
দেশের রাজধানী দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের নিরাপত্তাকে অভেদ্য করে তুলতে এবার দেখা যাচ্ছে ‘স্মার্ট পুলিশিং’-এর এক অনন্য রূপ। দিল্লি পুলিশের বহরে যুক্ত হয়েছে এক ধরনের ‘জাদুকরি’ কালো চশমা, যা শুধু রোদ থেকে চোখ বাঁচানোর জন্য নয়, বরং সন্ত্রাসী ও ভয়ংকর অপরাধীদের জন্য হয়ে উঠবে কালস্বরূপ। প্রথমবার ব্যবহৃত এই এআই চশমার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—সামনে দিয়ে যাঁরাই হেঁটে যান, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় চোখের পলকেই শনাক্ত করতে পারে।
1/8
বুধবার দিল্লির ব্যস্ত রাস্তায় পুলিশ কর্মকর্তাদের এই চশমা পরে টহল দিতে ও এর ট্রায়াল নিতে দেখা যায়। প্রজাতন্ত্র দিবসকে ঘিরে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হুমকির কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক বড় পরিবর্তন এনেছে, যার মধ্যে এই এআই চশমা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কর্তব্য পথে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা যখন এই চশমা পরে ভিড়ের ওপর নজর রাখবেন, তখন তাদের চোখ এড়িয়ে কোনো সন্দেহভাজনই চাইলেও লুকিয়ে থাকতে পারবে না।
বুধবার দিল্লির ব্যস্ত রাস্তায় পুলিশ কর্মকর্তাদের এই চশমা পরে টহল দিতে ও এর ট্রায়াল নিতে দেখা যায়। প্রজাতন্ত্র দিবসকে ঘিরে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হুমকির কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একাধিক বড় পরিবর্তন এনেছে, যার মধ্যে এই এআই চশমা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কর্তব্য পথে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা যখন এই চশমা পরে ভিড়ের ওপর নজর রাখবেন, তখন তাদের চোখ এড়িয়ে কোনো সন্দেহভাজনই চাইলেও লুকিয়ে থাকতে পারবে না।
advertisement
2/8
এই চশমাটি পুরোপুরি ‘স্বদেশি’, এবং দিল্লি পুলিশ একটি বেসরকারি ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে মিলিতভাবে মাত্র এক বছরে এটি তৈরি করেছে। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের সময় ডজনখানেক পুলিশকর্মী এই চশমা পরে কর্তব্য পথ ও তার আশপাশের সংবেদনশীল এলাকায় সতর্ক দায়িত্বে থাকবেন। এই প্রযুক্তি শুধু অপরাধীদের ধরতেই সহায়ক হবে না, বরং বিশ্বদরবারে দিল্লি পুলিশের ‘টেক-স্যাভি’ ভাবমূর্তিও তুলে ধরবে।
এই চশমাটি পুরোপুরি ‘স্বদেশি’, এবং দিল্লি পুলিশ একটি বেসরকারি ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে মিলিতভাবে মাত্র এক বছরে এটি তৈরি করেছে। এবারের প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের সময় ডজনখানেক পুলিশকর্মী এই চশমা পরে কর্তব্য পথ ও তার আশপাশের সংবেদনশীল এলাকায় সতর্ক দায়িত্বে থাকবেন। এই প্রযুক্তি শুধু অপরাধীদের ধরতেই সহায়ক হবে না, বরং বিশ্বদরবারে দিল্লি পুলিশের ‘টেক-স্যাভি’ ভাবমূর্তিও তুলে ধরবে।
advertisement
3/8
এই চশমাটি ফেস রিকগনিশন (মুখ শনাক্তকরণ) প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক ক্যামেরায় সম্পূর্ণভাবে সজ্জিত। প্রতিটি চশমা একটি বিশেষ মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে ওয়্যারলেসভাবে সংযুক্ত থাকে, যা পুলিশকর্মীর পকেট বা বেল্টে লাগানো থাকে। এই চশমা শুধু দেখার কাজই করে না, বরং সামনে ঘটে চলা প্রতিটি কার্যকলাপ ও মুখ নিরন্তর স্ক্যান করে তার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রসেস করতে থাকে।
এই চশমাটি ফেস রিকগনিশন (মুখ শনাক্তকরণ) প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক ক্যামেরায় সম্পূর্ণভাবে সজ্জিত। প্রতিটি চশমা একটি বিশেষ মোবাইল ডিভাইসের সঙ্গে ওয়্যারলেসভাবে সংযুক্ত থাকে, যা পুলিশকর্মীর পকেট বা বেল্টে লাগানো থাকে। এই চশমা শুধু দেখার কাজই করে না, বরং সামনে ঘটে চলা প্রতিটি কার্যকলাপ ও মুখ নিরন্তর স্ক্যান করে তার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রসেস করতে থাকে।
advertisement
4/8
এই ডিজিটাল নিরাপত্তা-ব্যূহকে আরও শক্তিশালী করতে ওই মোবাইল ডিভাইসগুলোতে প্রায় ৬৫ হাজার কুখ্যাত অপরাধী ও সন্ত্রাসীর ডেটাবেস লোড করা হয়েছে। কোনো ওয়ান্টেড অপরাধী বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি যখনই এই চশমার ভিশন রেঞ্জে আসবে, সঙ্গে সঙ্গেই চশমাটি পুলিশ সদস্যকে অ্যালার্ট দেবে। এরপর এক মুহূর্ত দেরি না করে ভিড়ের মাঝেই সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করা সম্ভব হবে।
এই ডিজিটাল নিরাপত্তা-ব্যূহকে আরও শক্তিশালী করতে ওই মোবাইল ডিভাইসগুলোতে প্রায় ৬৫ হাজার কুখ্যাত অপরাধী ও সন্ত্রাসীর ডেটাবেস লোড করা হয়েছে। কোনো ওয়ান্টেড অপরাধী বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি যখনই এই চশমার ভিশন রেঞ্জে আসবে, সঙ্গে সঙ্গেই চশমাটি পুলিশ সদস্যকে অ্যালার্ট দেবে। এরপর এক মুহূর্ত দেরি না করে ভিড়ের মাঝেই সন্দেহভাজনকে পাকড়াও করা সম্ভব হবে।
advertisement
5/8
এই উন্নত এআই চশমার কার্যপ্রণালী একেবারে সায়েন্স–ফিকশন সিনেমার মতো মনে হয়, যেখানে ক্যামেরা, সেন্সর ও থার্মাল ইমেজিংয়ের অনন্য সমন্বয় রয়েছে। প্যারেড চলাকালীন কেউ যদি নিষিদ্ধ সামগ্রী নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে, এই চশমা সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ডিটেক্ট করতে পারবে। এই এআই সিস্টেম শুধু মুখই নয়, বরং শরীরের গঠন ও সন্দেহজনক আচরণও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যার ফলে নিরাপত্তার স্তর বহু গুণ বেড়ে যায়।
এই উন্নত এআই চশমার কার্যপ্রণালী একেবারে সায়েন্স–ফিকশন সিনেমার মতো মনে হয়, যেখানে ক্যামেরা, সেন্সর ও থার্মাল ইমেজিংয়ের অনন্য সমন্বয় রয়েছে। প্যারেড চলাকালীন কেউ যদি নিষিদ্ধ সামগ্রী নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে, এই চশমা সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ডিটেক্ট করতে পারবে। এই এআই সিস্টেম শুধু মুখই নয়, বরং শরীরের গঠন ও সন্দেহজনক আচরণও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম, যার ফলে নিরাপত্তার স্তর বহু গুণ বেড়ে যায়।
advertisement
6/8
চশমার ভেতরে থাকা থার্মাল স্ক্যানিং ফিচার এটিকে আরও বেশি বিশেষ করে তুলেছে। এর সাহায্যে পুলিশকর্মীরা দূর থেকেই মানুষের বডি হিট স্ক্যান করতে পারেন। যদি কেউ পোশাকের ভেতরে অস্ত্র বা কোনো সন্দেহজনক বস্তু লুকিয়ে নিয়ে আসে, তাহলে থার্মাল সেন্সর তা সঙ্গে সঙ্গেই শনাক্ত করতে পারবে। ভিড়ভাট্টা এলাকায় কাউকে বিরক্ত না করেই নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর ক্ষেত্রে এই ফিচারটি এখন সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে উঠে এসেছে।
চশমার ভেতরে থাকা থার্মাল স্ক্যানিং ফিচার এটিকে আরও বেশি বিশেষ করে তুলেছে। এর সাহায্যে পুলিশকর্মীরা দূর থেকেই মানুষের বডি হিট স্ক্যান করতে পারেন। যদি কেউ পোশাকের ভেতরে অস্ত্র বা কোনো সন্দেহজনক বস্তু লুকিয়ে নিয়ে আসে, তাহলে থার্মাল সেন্সর তা সঙ্গে সঙ্গেই শনাক্ত করতে পারবে। ভিড়ভাট্টা এলাকায় কাউকে বিরক্ত না করেই নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর ক্ষেত্রে এই ফিচারটি এখন সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে উঠে এসেছে।
advertisement
7/8
অনেক সময় দেখা যায় বড় অপরাধীরা ছদ্মবেশ ধারণ করে বা নকল দাড়ি–গোঁফ লাগিয়ে নিরাপত্তা বলয়কে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এই এআই চশমা তাদের আসল পরিচয় ঠিকই শনাক্ত করতে পারে। এআই অ্যালগরিদম মুখের সেই নির্দিষ্ট ফেসিয়াল পয়েন্টগুলো ম্যাপ করে, যা চেহারার সাজসজ্জা বদলালেও পরিবর্তিত হয় না—ফলে অপরাধীর পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই সিস্টেম সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুমে অ্যালার্ট পাঠাতেও সক্ষম।
অনেক সময় দেখা যায় বড় অপরাধীরা ছদ্মবেশ ধারণ করে বা নকল দাড়ি–গোঁফ লাগিয়ে নিরাপত্তা বলয়কে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এই এআই চশমা তাদের আসল পরিচয় ঠিকই শনাক্ত করতে পারে। এআই অ্যালগরিদম মুখের সেই নির্দিষ্ট ফেসিয়াল পয়েন্টগুলো ম্যাপ করে, যা চেহারার সাজসজ্জা বদলালেও পরিবর্তিত হয় না—ফলে অপরাধীর পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই সিস্টেম সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুমে অ্যালার্ট পাঠাতেও সক্ষম।
advertisement
8/8
স্মার্ট পুলিশিংয়ের এই নতুন যুগে এই চশমাটি দিল্লি পুলিশের জন্য এমন এক তৃতীয় চোখে পরিণত হয়েছে, যা কখনও ঘুমোবে না, আবার ভুলও করবে না। ৬৫ হাজারেরও বেশি অপরাধীর ডেটা নিয়ে এই চশমা যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখে দিতে এক মজবুত নিরাপত্তা প্রাচীরের মতো কাজ করবে।
স্মার্ট পুলিশিংয়ের এই নতুন যুগে এই চশমাটি দিল্লি পুলিশের জন্য এমন এক তৃতীয় চোখে পরিণত হয়েছে, যা কখনও ঘুমোবে না, আবার ভুলও করবে না। ৬৫ হাজারেরও বেশি অপরাধীর ডেটা নিয়ে এই চশমা যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখে দিতে এক মজবুত নিরাপত্তা প্রাচীরের মতো কাজ করবে।
advertisement
advertisement
advertisement