advertisement

IPL Cheerleaders Salary: আইপিএলে চিয়ারলিডারদের স্যালারি কত? সঙ্গে থাকে কোন কোন সুবিধা? জেনে নিন

Last Updated:
How Much Cheerleaders Actually Income Per Match Of IPL: সাধারণ ধারণার বিপরীতে, চিয়ারলিডারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট “আইপিএল বেতন” নেই। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের মতো করে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে।
1/6
আইপিএল মানেই ক্রিকেট আর বিনোদনের ককটেল। আর সেই ককটেলে বরাবর অন্য মাত্রা যোগ করে এসেছে আইপিএলের চিয়ারলিডাররা। ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি বিশেষ মুহুর্ত দর্শকদের আনন্দ চিয়ারলিডাররা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্ত কোটিপতি লিগে চিয়ারলিডারদের কত রোজগার হয় তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে সকলের। ক্রিকেটারদের মতো চিয়ারলিডাররা এত বড় অঙ্কের টাকা পান না। তাদের আয় অনেকটাই নির্ভর করে ম্যাচ প্রতি পারিশ্রমিক, ভালো পারফরম্যান্সের জন্য অতিরিক্ত বোনাস এবং ব্যস্ত ভ্রমণসূচির ওপর।
আইপিএল মানেই ক্রিকেট আর বিনোদনের ককটেল। আর সেই ককটেলে বরাবর অন্য মাত্রা যোগ করে এসেছে আইপিএলের চিয়ারলিডাররা। ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি বিশেষ মুহুর্ত দর্শকদের আনন্দ চিয়ারলিডাররা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্ত কোটিপতি লিগে চিয়ারলিডারদের কত রোজগার হয় তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে সকলের। ক্রিকেটারদের মতো চিয়ারলিডাররা এত বড় অঙ্কের টাকা পান না। তাদের আয় অনেকটাই নির্ভর করে ম্যাচ প্রতি পারিশ্রমিক, ভালো পারফরম্যান্সের জন্য অতিরিক্ত বোনাস এবং ব্যস্ত ভ্রমণসূচির ওপর।
advertisement
2/6
ফ্র্যাঞ্চাইজি অনুযায়ী পারিশ্রমিক: সাধারণ ধারণার বিপরীতে, চিয়ারলিডারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট “আইপিএল বেতন” নেই। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের মতো করে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে। তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা নাইট রাইডার্স সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেয়। তারা প্রতি ম্যাচে প্রায় ২৪,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা দেয়। অন্যদিকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রতি ম্যাচে প্রায় ২০,০০০ টাকা দেয়। চেন্নাই সুপার কিংসের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক প্রায় ১৭,০০০ টাকা। আর পঞ্জাব কিংস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের মতো দলগুলো সাধারণত প্রতি ম্যাচে ১২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে পারিশ্রমিক দেয়।
ফ্র্যাঞ্চাইজি অনুযায়ী পারিশ্রমিক: সাধারণ ধারণার বিপরীতে, চিয়ারলিডারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট “আইপিএল বেতন” নেই। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজেদের মতো করে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে। তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা নাইট রাইডার্স সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দেয়। তারা প্রতি ম্যাচে প্রায় ২৪,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা দেয়। অন্যদিকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রতি ম্যাচে প্রায় ২০,০০০ টাকা দেয়। চেন্নাই সুপার কিংসের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক প্রায় ১৭,০০০ টাকা। আর পঞ্জাব কিংস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের মতো দলগুলো সাধারণত প্রতি ম্যাচে ১২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে পারিশ্রমিক দেয়।
advertisement
3/6
মূল পারিশ্রমিকের বাইরে বোনাস ও সুবিধা: ম্যাচ ফি-ই শেষ কথা নয়। বেশিরভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি পারফরম্যান্স বোনাসও দেয় যাতে উদ্দীপনা বজায় থাকে। দল জিতলে চিয়ারলিডাররা প্রতি ম্যাচে অতিরিক্ত প্রায় ৩,০০০ টাকা পান। এছাড়া ম্যাচের বাইরে কর্পোরেট ইভেন্ট, স্পনসর পার্টি এবং প্রচারমূলক ফটোশুটে অংশ নিতে হয়, যার জন্য প্রতি সেশনে ৫,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।
মূল পারিশ্রমিকের বাইরে বোনাস ও সুবিধা: ম্যাচ ফি-ই শেষ কথা নয়। বেশিরভাগ ফ্র্যাঞ্চাইজি পারফরম্যান্স বোনাসও দেয় যাতে উদ্দীপনা বজায় থাকে। দল জিতলে চিয়ারলিডাররা প্রতি ম্যাচে অতিরিক্ত প্রায় ৩,০০০ টাকা পান। এছাড়া ম্যাচের বাইরে কর্পোরেট ইভেন্ট, স্পনসর পার্টি এবং প্রচারমূলক ফটোশুটে অংশ নিতে হয়, যার জন্য প্রতি সেশনে ৫,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।
advertisement
4/6
পুরো মরশুম (প্লে-অফসহ) মিলিয়ে একজন চিয়ারলিডার প্রায় ২.৫ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করতে পারেন। যদিও এটি খেলোয়াড়দের তুলনায় কম মনে হতে পারে, তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের সব ধরনের “লাইফস্টাইল” খরচ বহন করে—যেমন বিলাসবহুল হোটেলে থাকা, বিমানভাড়া, দৈনিক খাবারের খরচ এবং মেডিক্যাল ইনশিওরেন্স। ফলে ম্যাচ ফি-র বড় অংশই সঞ্চয় হিসেবে থাকে।
পুরো মরশুম (প্লে-অফসহ) মিলিয়ে একজন চিয়ারলিডার প্রায় ২.৫ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করতে পারেন। যদিও এটি খেলোয়াড়দের তুলনায় কম মনে হতে পারে, তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের সব ধরনের “লাইফস্টাইল” খরচ বহন করে—যেমন বিলাসবহুল হোটেলে থাকা, বিমানভাড়া, দৈনিক খাবারের খরচ এবং মেডিক্যাল ইনশিওরেন্স। ফলে ম্যাচ ফি-র বড় অংশই সঞ্চয় হিসেবে থাকে।
advertisement
5/6
চিয়ারলিডার হওয়ার প্রক্রিয়া মোটেও সহজ নয়, বরং বেশ কঠিন। বেশিরভাগ পারফর্মার আন্তর্জাতিক স্তর থেকে আসে—বিশেষ করে রাশিয়া, ইউক্রেন, ব্রাজিল এবং আমেরিকা থেকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতীয় নৃত্যদলের অংশগ্রহণ প্রায় ৩০% বেড়েছে, যেখানে ভাঙড়া সহ অন্যান্য আঞ্চলিক নৃত্যও দেখা যাচ্ছে।
চিয়ারলিডার হওয়ার প্রক্রিয়া মোটেও সহজ নয়, বরং বেশ কঠিন। বেশিরভাগ পারফর্মার আন্তর্জাতিক স্তর থেকে আসে—বিশেষ করে রাশিয়া, ইউক্রেন, ব্রাজিল এবং আমেরিকা থেকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতীয় নৃত্যদলের অংশগ্রহণ প্রায় ৩০% বেড়েছে, যেখানে ভাঙড়া সহ অন্যান্য আঞ্চলিক নৃত্যও দেখা যাচ্ছে।
advertisement
6/6
ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে চিয়ারলিডার রাখা শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং বিনিয়োগ। প্রতি মরসুমে এর জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ২ থেকে ৩ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। ET Edge Insights-এর মতে, এই ধরনের বিনোদনমূলক উপাদান টিকিট বিক্রি ৫–৭% পর্যন্ত বাড়ায় এবং মার্চেন্ডাইজ বিক্রিতেও বড় প্রভাব ফেলে। স্পনসরদের ব্র্যান্ডিং তাদের পোশাক ও পারফরম্যান্সে যুক্ত করে বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য একটি দৃশ্যমান প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়, যা আইপিএলের বহু-বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে চিয়ারলিডার রাখা শুধু বিনোদন নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটিং বিনিয়োগ। প্রতি মরসুমে এর জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ২ থেকে ৩ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। ET Edge Insights-এর মতে, এই ধরনের বিনোদনমূলক উপাদান টিকিট বিক্রি ৫–৭% পর্যন্ত বাড়ায় এবং মার্চেন্ডাইজ বিক্রিতেও বড় প্রভাব ফেলে। স্পনসরদের ব্র্যান্ডিং তাদের পোশাক ও পারফরম্যান্সে যুক্ত করে বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য একটি দৃশ্যমান প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়, যা আইপিএলের বহু-বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
advertisement
advertisement
advertisement