Success Story: আর নয় নিষিদ্ধ প্ল্যাস্টিক, এবার একই দামে মিলছে পচনশীল ক্যারি ব্যাগ! দূষণ রোধে দুর্গাপুরের যুবকের সফলতার গল্প প্রশংসনীয়
- Reported by:Dipika Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
বর্তমানে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক নিয়ে প্রশাসন তৎপর হলেও পচনশীল প্লাস্টিক অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় কিনতে পারেন না সব ব্যবসায়ী। এর ফলে কিছুদিনের জন্য নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ থাকলেও ফের রমরমিয়ে চলতে থাকে এর ব্যবহার।
বর্তমানে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক নিয়ে প্রশাসন তৎপর হলেও পচনশীল প্লাস্টিক অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় কিনতে পারেন না সব ব্যবসায়ী। এর ফলে কিছুদিনের জন্য নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ থাকলেও ফের রমরমিয়ে চলতে থাকে এর ব্যবহার। তবে বেশি দাম দিয়ে আর ব্যবসায়ীদের কিনতে হবে না পচনশীল ক্যারিব্যাগ। দুর্গাপুরে মিলছে নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের দামেই পচনশীল ক্যারি ব্যাগ। (ছবি ও তথ্য: দীপিকা সরকার)
advertisement
দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুর অঞ্চলের বাঙুরি গ্রামে বাসিন্দা পার্থ সারথি মণ্ডল ব্যবসায়ীদের বায়ো ক্যারি ব্যাগ ব্যবহারের নতুন দিশা দেখালেন। পার্থ বাবু নিজের গ্রামে তৈরি করেছেন একটি বায়োপ্লাস্টিক তৈরির কারখানা। কারখানার অত্যাধুনিক মেশিনারিতে প্রতিদিন উৎপাদিত হচ্ছে কুইন্ট্যাল কুইন্ট্যাল পচনশীল ক্যারিব্যাগ।
advertisement
advertisement
তাঁর কথা অনুযায়ী, আলু এবং ভুট্টার স্টার্চ প্রক্রিয়াকরণ করে তৈরি করা হয় কঠিন একপ্রকার দানা সামগ্রী। ওই দানা তৈরী হয় চিনে। চিন থেকে ঘুরপথে আসে দুর্গাপুরে। ওই দানাগুলি হিটার মেশিনের মাধ্যমে গলিয়ে তরল করা হয়। এরপর তরল পদার্থ বেলুনের আকারে বেরিয়ে আসলে মেশিনে রোল করা হয়। সেখান থেকে পাশের মেশিনে ব্যাগের বিভিন্ন মাপ অনুযায়ী কাটিং করা হয়। তার পরে একটি মেশিনে ক্যারিব্যাগের হাতল কাটা হয়। এই ভাবেই তৈরি হচ্ছে বায়োপ্লাস্টিক। নিজের ১০ বিঘা জমির ওপর কারখানাটি নির্মাণ করেছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায় করে।
advertisement
advertisement
দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ভিডিও অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় জানান, "আমরা চাই এই ব্লকে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক নির্মূল করতে, তাই পার্থ বাবুকে নিয়ে ইতিমধ্যেই আমরা একটি ক্যাম্প করেছিলাম এলাকার হাট, বাজারগুলিতে ওই পচনশীল ক্যারিব্যাগ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ দিয়েছি ওই প্লাস্টিক ব্যবহারের। কারখানা থেকে সরাসরি আসায় অনেকটাই কম দামে পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। (ছবি ও তথ্য: দীপিকা সরকার)







