Purulia News: পিকনিকের মাঠে ডিজে'র দাদাগিরি বন্ধ! মানভূমের সংস্কৃতি বাঁচাতে বুক চিতিয়ে ময়দানে নামলেন লোকশিল্পীরা

Last Updated:
Purulia News: ডিজের যুগে লোকসংস্কৃতি বাঁচাতে জঙ্গলমহলের শিল্পীদের উদ্যোগ। ঢোল, ঢমশা ও মাদলের তালে ঝুমুর, টুসু গীত গেয়ে সচেতনতার বার্তা।
1/6
শুরু হয়েছে পিকনিকের সিজন। ‌আর এই পিকনিক মানেই নাচ, গান, আনন্দ, হইহুল্লোড়। আর সঙ্গে থাকে জমজমাটি খাওয়া দাওয়া। উৎসবের এই সময় গান-বাজনার বিরাট কদর থাকে। সর্বত্রই চলে ডিজের তালে বিভিন্ন গান। (ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
শুরু হয়েছে পিকনিকের সিজন। ‌আর এই পিকনিক মানেই নাচ, গান, আনন্দ, হইহুল্লোড়। আর সঙ্গে থাকে জমজমাটি খাওয়া দাওয়া। উৎসবের এই সময় গান-বাজনার বিরাট কদর থাকে। সর্বত্রই চলে ডিজের তালে বিভিন্ন গান। (ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
advertisement
2/6
পুরুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র কুমারী ড্যাম। বহু পর্যটক এই ড্যামে বেড়াতে আসেন। ‌পিকনিকের জন্য আদর্শ এই জলাধার। তার বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় পিকনিকের সিজনে এই এলাকায় বহু মানুষ ভিড় করেন। ‌
পুরুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র কুমারী ড্যাম। বহু পর্যটক এই ড্যামে বেড়াতে আসেন। ‌পিকনিকের জন্য আদর্শ এই জলাধার। তার বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় পিকনিকের সিজনে এই এলাকায় বহু মানুষ ভিড় করেন। ‌
advertisement
3/6
কিন্তু পিকনিক মানেই বাংলা, হিন্দি ডিজে গান। ‌ এতে একপ্রকার মানুষ ভুলতে বসেছে লোকসংস্কৃতিকে। তাই মানভূমের লোকসংস্কৃতিকে রক্ষা করতে নেওয়া হল এক অভিনব উদ্যোগ। ঢোল, ঢমশা ও মাদলের তালে ঝুমুর, টুসু গীত গেয়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিলেন জেলার লোকশিল্পীরা।
কিন্তু পিকনিক মানেই বাংলা, হিন্দি ডিজে গান। ‌ এতে একপ্রকার মানুষ ভুলতে বসেছে লোকসংস্কৃতিকে। তাই মানভূমের লোকসংস্কৃতিকে রক্ষা করতে নেওয়া হল এক অভিনব উদ্যোগ। ঢোল, ঢমশা ও মাদলের তালে ঝুমুর, টুসু গীত গেয়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিলেন জেলার লোকশিল্পীরা।
advertisement
4/6
এ বিষয়ে বিখ্যাত ঝুমুরিয়া ও মানভূম সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির সম্পাদক সম্পাদক গোবিন্দলাল মাহাত বলেন, প্রতি বছর এই সময়ে পুরুলিয়া জেলায় বাইরে থেকে বহু পর্যটক আসেন। পাশাপাশি জেলার মানুষও বিভিন্ন পর্যটনস্থলে ডিজে বক্স বাজিয়ে বনভোজন করেন। তার সঙ্গে অপসংস্কৃতিমূলক গানের প্রচলন জেলার লোকগানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। এই কারণেই তারা ঢোল, ঢমশা ও মাদলের তালে ঝুমুর, টুসু গীত পরিবেশন করে সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বিখ্যাত ঝুমুরিয়া ও মানভূম সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির সম্পাদক সম্পাদক গোবিন্দলাল মাহাত বলেন, প্রতি বছর এই সময়ে পুরুলিয়া জেলায় বাইরে থেকে বহু পর্যটক আসেন। পাশাপাশি জেলার মানুষও বিভিন্ন পর্যটনস্থলে ডিজে বক্স বাজিয়ে বনভোজন করেন। তার সঙ্গে অপসংস্কৃতিমূলক গানের প্রচলন জেলার লোকগানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। এই কারণেই তারা ঢোল, ঢমশা ও মাদলের তালে ঝুমুর, টুসু গীত পরিবেশন করে সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন।
advertisement
5/6
এইদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকসংস্কৃতি জগতের বহু বিশিষ্ট শিল্পী কুমারী ড্যামের পাড়ে হাজির হন। পরম্পরাগত বাদ্যযন্ত্র সহযোগে টুসু গীত গেয়ে ড্যামের পার্শ্ববর্তী এলাকায় শোভাযাত্রাও করেন তাঁরা।
এইদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকসংস্কৃতি জগতের বহু বিশিষ্ট শিল্পী কুমারী ড্যামের পাড়ে হাজির হন। পরম্পরাগত বাদ্যযন্ত্র সহযোগে টুসু গীত গেয়ে ড্যামের পার্শ্ববর্তী এলাকায় শোভাযাত্রাও করেন তাঁরা।
advertisement
6/6
অনেকে ঝুমুর ও ছৌ-কে বিকৃত করছে। তাই সংস্কৃতিকেই হাতিয়ার করে এক অভিনব প্রতিবাদ করছেন শিল্পীরা। দিকপাল শিল্পীদের কণ্ঠে ঝুমুর শুনতে বহু পর্যটকের পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ভিড় জমান। (ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
অনেকে ঝুমুর ও ছৌ-কে বিকৃত করছে। তাই সংস্কৃতিকেই হাতিয়ার করে এক অভিনব প্রতিবাদ করছেন শিল্পীরা। দিকপাল শিল্পীদের কণ্ঠে ঝুমুর শুনতে বহু পর্যটকের পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ভিড় জমান। (ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
advertisement
advertisement
advertisement