10 Countries Where Gold Are Most Expensive: কোন ১০ দেশে সোনার দাম সবচেয়ে বেশি? জানলে আর ভারতের চড়া দাম নিয়ে খোভ থাকবে না
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
10 Countries Where Gold Are Most Expensive: আমদানি শুল্ক, কর এবং মুদ্রার দামের পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন দেশে সোনার দাম এক নয়। অনেকেই মনে করেন ভারতে সোনার দাম সবচেয়ে বেশি, কিন্তু বাস্তবে এমন আরও অনেক দেশ রয়েছে যেখানে সোনার দাম আরও বেশি।
সোনাকে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ধাতুগুলির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মানুষ এটি বিনিয়োগ, গয়না এবং একটি নিরাপদ সম্পদ হিসেবে কিনে। তবে, সোনার দাম দেশভেদে পরিবর্তিত হয়। আমদানি শুল্ক, কর (GST/VAT), স্থানীয় চাহিদা এবং মুদ্রার অবস্থা সোনার দামকে প্রভাবিত করে। ২০২৬ সালের শুরুতে, এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে খুচরা সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হবে। বিশেষ করে যেসব দেশে সোনা আমদানি করা হয় বা যেখানে চাহিদা বেশি, সেখানে দাম বেড়ে যায়। তাই এক নজরে এমন ১০টি দেশ দেখে নেওয়া যাক, যেখানে সোনা সবচেয়ে ব্যয়বহুল বলে বিবেচিত হয়।
advertisement
ভারতে সোনাকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাজারগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি মূলত আমদানি শুল্ক এবং ৩% জিএসটির কারণে। ভারতে বেশিরভাগ সোনা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়, যার কারণে এটিতে ভারী কর আরোপ করা হয়। তদুপরি, বিবাহ এবং উৎসবের সময়, বিশেষ করে দীপাবলি এবং বিয়ের মরশুমে সোনার চাহিদা বেশি থাকে, যা দাম বাড়ায়। এই কারণেই ভারতে সোনা প্রায়শই আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বেশি ব্যয়বহুল।
advertisement
চিন বিশ্বের সোনার বৃহত্তম ভোক্তাদের মধ্যে একটি। এখানে সোনার চাহিদা অনেক বেশি, যার ফলে স্থানীয় বাজারে প্রায়শই প্রিমিয়ামের দাম বাড়ে। চিনে সোনাকে একটি জনপ্রিয় বিনিয়োগ এবং সঞ্চয়ের হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উচ্চ অভ্যন্তরীণ চাহিদা আন্তর্জাতিক মূল্যের চেয়ে দাম বেশি করে। উচ্চ আমদানি শুল্ক এবং মুদ্রার দুর্বলতা পাকিস্তানে সোনার দাম বৃদ্ধির প্রাথমিক কারণ। স্থানীয় মুদ্রা দুর্বল হলে, বিদেশি বাজার থেকে সোনা কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। তদুপরি, পাকিস্তানে বিবাহ এবং সামাজিক ঐতিহ্যে সোনার গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য, যা চাহিদা বাড়ায়।
advertisement
আমদানি কর এবং সীমিত সরবরাহের কারণে বাংলাদেশেও সোনার দাম অনেক বেশি। এখানকার মানুষ বিনিয়োগ এবং বিবাহের জন্য প্রচুর পরিমাণে সোনা কেনে, যা বাজারের দাম বাড়ায়। শ্রীলঙ্কায় উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে সোনার দাম বেশি। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রার দুর্বলতা সোনার দামকেও প্রভাবিত করে। মুদ্রা দুর্বল বলে আমদানি করা সোনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে।
advertisement
আর্জেন্তিনায় সোনার উচ্চ মূল্যের কারণ উচ্চ কর এবং মুদ্রাস্ফীতি। এই দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হচ্ছে, তাই মানুষ তাদের সঞ্চয় রক্ষা করার জন্য সোনা কিনতে পছন্দ করে। এর ফলে সোনার চাহিদা এবং দাম উভয়ই বৃদ্ধি পায়। কলম্বিয়ায় সোনা ব্যয়বহুল বলে বিবেচিত হয়। আমদানি কর এবং স্থানীয় বাজারের খরচ আন্তর্জাতিক মূল্যের তুলনায় সোনার দাম বেশি করে তোলে। পরিবহন এবং বিতরণ খরচও দামকে প্রভাবিত করে।
advertisement
ব্রাজিলে, সোনার উপর কর এবং আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়, যা এর দাম বাড়ায়। তাছাড়া, ব্রাজিলে অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং মুদ্রার অবস্থাও সোনার দামকে প্রভাবিত করে। নাইজেরিয়ায় সোনা বেশ দামি হতে পারে কারণ স্থানীয় চাহিদা খুব বেশি, যার ফলে আমদানি ব্যয়বহুল হয়। যখন কোনও দেশে সোনার চাহিদা বেশি এবং সরবরাহ সীমিত থাকে, তখন দাম দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
advertisement








