দুর্গাপুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা, হাতে তৈরি শাড়ি-পাঞ্জাবিতে নজর কাড়ছে বর্ধমানের এই প্রদর্শনী
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
শাড়ি,পাঞ্জাবী থেকে শুরু করে গয়না,ঘর সাজানোর জিনিস ছবি পাবেন একই জায়গায়। হাতে তৈরি জিনিসের প্রশ্ন সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। যেখানে গেলেই আপনি পাবেন আধুনিকতার সঙ্গে ঐতিহ্যের ছোঁয়া।
দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির আবেগ, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। নতুন জামাকাপড়, সাজসজ্জা, ঘর সাজানোর জিনিস সবকিছু মিলে দুর্গাপুজোর কেনাকাটা এক অন্যরকম উন্মাদনা তৈরি করে।পুজোর কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় কেনাকাটার প্রস্তুতি কিন্তু এখন আর হাতে মাত্র কয়েকটা দিন। তাই কেনাকাটা করতে সকলেই ভিড় জমাচ্ছেন বর্ধমানের এই জায়গায়। ( চিত্র ও তথ্য সূত্র: সায়নী সরকার)
advertisement
শেষ মুহূর্তের এই কেনাকাটায় আপনি যদি চান আধুনিকতার সঙ্গে শিল্পীর হাতের ছোঁয়া তাহলে আপনাকে যেতে হবে বর্ধমানের টাউন হলে। কিন্তু হাতের সময় মাত্র আর একদিন। রবিবার পর্যন্ত বর্ধমানের টাউন হলে বিকেলে গেলে আপনি পেয়ে যাবেন হাতে তৈরি জিনিসপত্র। হ্যান্ডলুম শাড়ি, হাতে আঁকা পাঞ্জাবি, হাতে আঁকা জুটের ব্যাগ থেকে শুরু করে নানান রকম ঘর সাজানো জিনিসও।
advertisement
বর্ধমানের টাউন হলে পসরা সাজিয়ে বসেছেন পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা বুটিকগুলি। অবশ্য পূর্ব বর্ধমানের পাশাপাশি কলকাতারও কয়েকটি স্টল রয়েছে এখানে। আর এখানে গেলেই আপনি পেয়ে যাবেন শিল্পীর হাতে আঁকা শাড়ি ও পাঞ্জাবি থেকে শুরু করে হ্যান্ড ব্যাগ। এমনকি এখানে গেলে আপনি পাবেন ঘর সাজানোর রকমারি জিনিস থেকে হাতে তৈরি হোমমেড চকলেট।
advertisement
একটি বুটিকের কর্ণধার বলেন, যতই আধুনিক জিনিসপত্র আসুক না কেন হাতে তৈরি জিনিসের যে ভালোবাসা ও যত্নের অনুভূতি থাকে তা তাতে থাকে না। পাশাপাশি এই ধরনের শিল্পের মাধ্যমে অনেক মহিলাই স্বাবলম্বী হতে পারছে। আমি যেমন নিজের হাতে কাজ করি। তেমনি আমি চাই আরও যেসব মেয়েরা এই কাজ করতে ইচ্ছুক তারা যেন আমার সঙ্গে যুক্ত হয়।
advertisement
অন্য আরেক বুটিকের কর্ণধার বলেন, এখনো অনেক মানুষ আছেন যারা হাতে তৈরি জিনিসপত্র ও গয়না পছন্দ করেন কিন্তু বড় বড় শপিংমলে সেই সব জিনিস পাওয়া যায় না। অনেক সময় আবার পাওয়া গেল তার দাম হয় অধিক। এই ধরনের এক্সিবিশনে এলে একই ছাতার তলায় সকলেই পেয়ে যাবেন ছোট থেকে বড় সকলের জন্যই মনের মত জিনিস। (চিত্র ও তথ্য সূত্র : সায়নী সরকার)









