Chhath Puja : ভোররাত থেকে সাধু জানা ঘাটে থিকথিকে ভিড়, জলে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা সূর্যদেবের! ছট পুজোয় কড়া নিরাপত্তা কাঁথিতে
- Reported by:Madan Maity
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Chhath Puja : ছট পুজো উপলক্ষে কাঁথি শহরের সাধু জানা ঘাটে উপচে পড়েছে ভক্তদের ভিড়। হিন্দিভাষী মানুষের অন্যতম বড় উৎসব এই ছট পুজোয় জমজমাট আয়োজন।
ছট পুজো উপলক্ষে কাঁথি শহরের সাধু জানা ঘাটে সোমবার বিকাল থেকেই উপচে পড়েছে ভক্তদের ভিড়। হিন্দিভাষী মানুষের অন্যতম বড় উৎসব এই ছট পুজো। সূর্যদেবের আরাধনাকে কেন্দ্র করে চারদিনব্যাপী জমজমাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে কাঁথির সাধু জানা ঘাটে। দিনভর চলছে ভক্তিমূলক সঙ্গীত, ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। <strong>(তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)</strong>
advertisement
প্রতিবছরের মতো এবছরও কাঁথি পৌরসভা ও কাঁথি থানার যৌথ উদ্যোগে সাধু জানা ঘাটে ছট পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পৌরসভা ও ছট পুজো কমিটির সহযোগিতায় ঘাটে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘাটে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে কাঁথি থানা। পৌরসভা উদ্দোগে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা, সুদৃশ্য প্যান্ডেল ও পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
advertisement
সোমবার সূর্যাস্তের সময় সাধু জানা ঘাটে ভক্তদের সমাগম চোখে পড়ার মতো। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলে হাতে ফল, নারকেল, কলা ও পবিত্র থালা নিয়ে সূর্যদেবকে অর্ঘ্য প্রদান করেন। ভক্তরা জলে দাঁড়িয়ে সূর্য প্রণাম করেন এবং পরিবারের মঙ্গল, সুখ ও সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করেন। ঘাটজুড়ে ধূপের গন্ধ ও ভক্তিগীতি। আলোয় ও উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে পরিবেশ। শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় সোমবারের অর্ঘ্যদান।
advertisement
মঙ্গলবার ভোরে সূর্যোদয়ের আগেই সাধু জানা ঘাটে জমে ওঠে ভক্তদের ঢল। ভক্তরা উপবাস করে নিয়ম মেনে সূর্যদেবকে দ্বিতীয় অর্ঘ্য প্রদান করেন। সূর্যোদয়ের সময়ে ভক্তদের মুখে ভক্তিময় সঙ্গীত ধ্বনিত হয়। পৌরসভা ও প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল সুষ্ঠু। সবাই উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন এই প্রভাতের আচার-অনুষ্ঠানে।
advertisement
কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর পম্পা মাইতি জানান, “ছট পুজো উপলক্ষে পৌরসভার তরফে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। সাধু জানা ঘাটে আলোর ও জলের সঠিক নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ভক্তদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। পৌরসভার কর্মীরা সারাদিন ঘাটে নজর রাখছেন যাতে কোনও অসুবিধা না হয়।”
advertisement
এক ভক্ত জানান, “ছট পুজো আমাদের অন্যতম বড় উৎসব। আমরা সোমবার সূর্যাস্তে প্রথম অর্ঘ্য দেই আর মঙ্গলবার ভোরে সূর্যোদয়ের সময় দ্বিতীয় অর্ঘ্য প্রদান করি। উপবাস থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে পুজো সম্পন্ন করি। পরিবারের সবাই মিলে ঘাটে এসে সূর্যদেবের কাছে প্রার্থনা জানাই যেন সবার জীবন ভালোভাবে কাটে।" <strong>(তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)</strong>









