অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকবে পড়ুয়ারা, খেলা ও গানের মাধ্যমে দেওয়া হয় শিক্ষা! জীবন বদলে দেবে এই প্রশিক্ষণ
- Reported by:RAKESH MAITY
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Bratachari Training Camp : প্রযুক্তি ও মোবাইলের যুগে আজও প্রাসঙ্গিক ব্রতচারী। বারবেরিয়া ব্রতচারী ধাম সার্বিক ব্রতচারী প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে দিচ্ছে এই প্রশিক্ষণ।
ব্রতচারী প্রশিক্ষণ শিবির হল ব্রতচারী সংগঠন দ্বারা পরিচালিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। যেখানে খেলাধুলা, গান, এবং অন্যান্য মাধ্যমে ব্রতচারী শিক্ষা ও আদর্শ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ১৯৩২ সালে অবিভক্ত বাংলায় গুরুসদয় দত্তের হাত ধরে তৈরি হয় ব্রতচারী সংগঠন। খেলা ও গানের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয় এখানে। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
প্রযুক্তি ও মোবাইলের যুগে আজও প্রাসঙ্গিক ব্রতচারী। বারবেরিয়া ব্রতচারী ধাম সার্বিক ব্রতচারী প্রশিক্ষণের অভিলক্ষ্যে গত ১১ বছর সারা বাংলা ব্রতচারী মহা শিবির সংগঠিত করেছে বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে। এই বছর ৮-১৩ অক্টোবর সারা বাংলা ব্রতচারী প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। ৬ দিনব্যাপী এই ব্রতচারী প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হল হাওড়া মুন্সিরহাট ব্রাহ্মণপাড়া চিন্তামণি ইনস্টিটিউশনে। সেখানে ৫ টি জেলার ২১৭ জন ছেলে-মেয়ে এই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছেন।
advertisement
ব্রতচারীর মূল উদ্দেশ্য, বাংলার লোক সংস্কৃতির প্রসার ঘটান। পাশপাশি মানুষের শরীর ও মানসিকতার গঠন করাও অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। খেলাধুলা,গান ও শরীর চর্চার মধ্যে দিয়েই মানসিক বিকাশ ঘটানো মূল লক্ষ্য। এর জন্য রয়েছেন ব্রতচারীর উপযুক্ত প্রশিক্ষকও। সকালে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ঘুম থেকে ওঠা এবং সারাদিন সময় মত কাজ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এখানে।
advertisement
advertisement
বর্তমানে এই ব্রতচারী অবলুপ্তির পথে। বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গুটি কয়েক মানুষ ব্রতচারীর এই ধারাকে বহন করে নিয়ে চলেছেন। সদস্যদের দাবি, বর্তমানে মোবাইল ও অপসংস্কৃতির বাড়বাড়ন্তের যুগে ব্রতচারী নতুন দিশা দিতে পারে ছাত্র ছাত্রীদের। সরকারি উদ্যোগে স্কুলে এই চিন্তাভাবনা বাস্তবায়িত করা উচিত। তাতে দেশের যুবক-যুবতীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে বলে মনে করেন শিবির সচিব তথা সারা বাংলা ব্রতচারী প্রশিক্ষণ মহা শিবির এবং বারবেরিয়া ব্রতচারী ধামের সম্পাদক রণজিৎ পাল। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)









