দুমড়ে-মুচড়ে গেল টোটো! চোখের সামনে শেষ দু'জন! ট্রাক্টরের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে কেঁপে উঠল মহুলা গ্রাম
- Reported by:Souvik Roy
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
চোখের নিমিষেই সব শেষ! আত্মীয়র বাড়ি থেকে নিজের বাড়ি ফিরতে গিয়ে যা ঘটল...
বীরভূম: আবারও টোটো প্রাণ কেড়ে নিল দু'জনের। আহত আরও চারজন। ঘটনাটি ঘটেছে এদিন সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বীরভূমের মল্লারপুর থানার অন্তর্ভুক্ত মহুলা গ্রামের কাছে। জানা যায়, কৌড়া মোড় থেকে মহুলা গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে টোটোর সঙ্গে ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। আর সেই ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় আহতদের রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং মল্লারপুর থানার পুলিশ প্রশাসন।<strong>ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়</strong>
advertisement
এই ঘটনার পর আহতদের রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা দু'জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চারজনের চিকিৎসা চলছে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে দু'জন শিশু রয়েছে। তাদের বয়স আনুমানিক এক বছর এবং চার বছরের কাছাকাছি।<strong>ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়</strong>
advertisement
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই দিন সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তারা সকলেই আত্মীয়দের বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় সামনের দিক থেকে ট্রাক্টরটি দ্রুত গতিতে আসছিল। তারপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টোটোটি ধাক্কা মারে ট্রাক্টরটিকে। সেখানে দুমড়ে মুচড়ে যায় টোটোটি।<strong>ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়</strong>
advertisement
ঘটনার পর তৎক্ষণাৎ এলাকা স্থানীয় বাসিন্দারা তাদেরকে উদ্ধার করেন এবং মল্লারপুর থানার পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেন। মল্লারপুর থানার পুলিশ প্রশাসন খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে এবং তাদের উদ্ধার করে তড়িঘড়ি পাঠানো হয় রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে। আর এই ঘটনার পরেই ট্রাক্টরটি ধরে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা।<strong>ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়</strong>
advertisement
পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় সেই বিক্ষোভ উঠে যায়। ট্রাক্টরটি আটক করে মল্লারপুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি টোটোটিকে ক্রেনের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে আহত চারজনের মধ্যে দুজন কিছুটা সুস্থ থাকলেও বাকি দুজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় পরিবারের মধ্যে নেমেছে কান্নার রোল।<strong>ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়</strong>








