*অনুব্রত নেই তাই এবার চাঁদা তুলে হচ্ছে তৃণমূলের পুজো। গত বছর রাখি পূর্ণিমার দিন গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।
advertisement
2/7
*এরপরে কেটেছে এক বছরেরও বেশি সময়। অনুব্রতর অনুপস্থিতিতে জৌলুসহীন বোলপুরের তৃণমূল পার্টি অফিসের কালীপুজো। ৫৭০ ভরি সোনার বদলে কিছুটা সোনার অলংকারে সাজিয়ে তোলা হবে মা কালীকে। আর এই কালীপুজো করা হচ্ছে সম্পূর্ণ চাঁদা তুলে।
advertisement
3/7
*অনুব্রতর উপস্থিতিতে কোনওদিন চাঁদা তুলে পুজো করতে হয়নি। তবে অনুব্রত বর্তমানে তিহারে জেলে বন্দি। তাঁর অনুপস্থিতিতে চাঁদা তুলেই হচ্ছে কালীপুজো।
advertisement
4/7
*বোলপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে এই কালীপুজো 'কেষ্টকালী' নামে পরিচিত সকলের কাছে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই এই কালীপুজো করেন অনুব্রত মণ্ডল।
advertisement
5/7
*ধীরে ধীরে তৃণমূলের যত ক্ষমতা বেড়েছে, ততই এই কালীপুজোর জাঁকজমক বেড়েছে। এক সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতা নেত্রীরা আসতেন কালীপুজোয়। তবে এখন অনুব্রতর অনুপস্থিতিতে নেতা-নেত্রীদের আনাগোনা নেই বললেই চলে।
advertisement
6/7
*তৃণমূল সূত্রে খবর ২০১৮ সালে কালীপুজোয় সোনার গহনা ছিল ১৯০ ভরি, ২০১৯ সালের সেই সোনার পরিমাণ বেড়েছে অনেকটাই প্রায় ২৬০ ভরি, ২০২০ সালে ৩৬০ ভরি,২০২১ সালে করোনা মহামারীর সময় এই সোনার পরিমাণ এক লাফে বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৫৭০ ভরি।
advertisement
7/7
*তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের কথায় ১৪ ফুট লম্বা এক টন ওজনের শ্যাম বর্ণ দক্ষিণা কালী মূর্তিকে প্রতিবছরের মতো এ বছরও অঙ্গরাগ এবং রাজরাজেশ্বরীর বেশে সাজানো হবে। তবে ৫৭০ ভরি সোনার বদলে গত বছরের মতো সামান্য গয়নায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে কালী মূর্তিকে।