advertisement

কত তেল রয়েছে ইরানের? খার্গ দ্বীপ কেন ট্রাম্পের নজরে? যুদ্ধের নেপথ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের 'খুব পছন্দের' এই স্থানই!

Last Updated:
যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে Strait of Hormuz-এ অস্থিরতা এবং খার্গ দ্বীপকে ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা সাময়িকভাবে ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়া যায় এবং আন্তর্জাতিক দামের চাপ কিছুটা কমানো যায়।
1/8
আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাতে তেলের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। খার্গ দ্বীপ, যেখান থেকে ইরান তার মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ বিশ্ববাজারে পাঠায়, এখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হল ইরানের তেল দখল করা। এর আগে তিনি ভেনেজুয়েলা ও কিউবার তেল নিয়েও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।
আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলা সংঘাতে তেলের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। খার্গ দ্বীপ, যেখান থেকে ইরান তার মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ বিশ্ববাজারে পাঠায়, এখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, তাঁর সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হল ইরানের তেল দখল করা। এর আগে তিনি ভেনেজুয়েলা ও কিউবার তেল নিয়েও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন। ওঁর কথায়, "ইরানের তেল আমার খুব পছন্দের!"  (Representative image: AI) 
advertisement
2/8
চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-এ অস্থিরতা এবং খার্গ দ্বীপকে ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে তেলের দামে প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা সাময়িকভাবে ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে আনা যায় এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানো সম্ভব হয়।
চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-এ অস্থিরতা এবং খার্গ দ্বীপকে ঘিরে উত্তেজনা বিশ্ববাজারে তেলের দামে প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা সাময়িকভাবে ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে আনা যায় এবং মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানো সম্ভব হয়। (Representative image: AI) 
advertisement
3/8
 ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলভাণ্ডারের অধিকারী। দেশটির প্রমাণিত তেলের মজুত প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম এবং মোট বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১২ শতাংশ। এই বিপুল মজুতের ফলে, শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য হলেও ইরানের তেল প্রায় ২৯০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ। (Representative image: AI) 
ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলভাণ্ডারের অধিকারী। দেশটির প্রমাণিত তেলের মজুত প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম এবং মোট বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১২ শতাংশ। এই বিপুল মজুতের ফলে, শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য হলেও ইরানের তেল প্রায় ২৯০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ। (Representative image: AI) 
advertisement
4/8
ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলভাণ্ডারের অধিকারী। দেশটির প্রমাণিত তেলের মজুত প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম এবং মোট বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১২ শতাংশ। এই হিসাব অনুযায়ী, ইরান যদি শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাতে এই তেল ব্যবহার করে, তবে তা প্রায় ২৯০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন আনুমানিক ৩ থেকে ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪–৫ শতাংশ।
ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেলভাণ্ডারের অধিকারী। দেশটির প্রমাণিত তেলের মজুত প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম এবং মোট বৈশ্বিক মজুতের প্রায় ১২ শতাংশ। এই হিসাব অনুযায়ী, ইরান যদি শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাতে এই তেল ব্যবহার করে, তবে তা প্রায় ২৯০ বছর পর্যন্ত চলতে পারে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন আনুমানিক ৩ থেকে ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪–৫ শতাংশ। (Representative image: AI) 
advertisement
5/8
কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার তেল রপ্তানি চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৫–২০২৬ সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১.১ থেকে ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে দেশটি। ২০২৫ সালে গড়ে প্রায় ১.৫৫ মিলিয়ন ব্যারেল এবং ২০২৪ সালে প্রায় ১.৫৬ মিলিয়ন ব্যারেল রপ্তানি হয়েছে বলে অনুমান। পরিশোধিত তেলজাত পণ্য যোগ করলে মোট রপ্তানি কিছু ক্ষেত্রে ২ থেকে ২.৪ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিন পর্যন্ত পৌঁছায়। এই রপ্তানির বড় অংশই যায় China-এ, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮০–৯০ শতাংশ।
কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার তেল রপ্তানি চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৫–২০২৬ সময়ে প্রতিদিন প্রায় ১.১ থেকে ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে দেশটি। ২০২৫ সালে গড়ে প্রায় ১.৫৫ মিলিয়ন ব্যারেল এবং ২০২৪ সালে প্রায় ১.৫৬ মিলিয়ন ব্যারেল রপ্তানি হয়েছে বলে অনুমান। পরিশোধিত তেলজাত পণ্য যোগ করলে মোট রপ্তানি কিছু ক্ষেত্রে ২ থেকে ২.৪ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিন পর্যন্ত পৌঁছায়। এই রপ্তানির বড় অংশই যায় China-এ, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮০–৯০ শতাংশ।
advertisement
6/8
খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র। দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০–৯৪ শতাংশ এই এক দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে যায়। সাধারণ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় ১.৩ থেকে ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এখান থেকে রপ্তানি হয়। অবকাঠামোগত দিক থেকে এই দ্বীপ অত্যন্ত শক্তিশালী, যেখানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল লোড করার ক্ষমতা রয়েছে।
খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র। দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০–৯৪ শতাংশ এই এক দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে যায়। সাধারণ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় ১.৩ থেকে ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এখান থেকে রপ্তানি হয়। অবকাঠামোগত দিক থেকে এই দ্বীপ অত্যন্ত শক্তিশালী, যেখানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল লোড করার ক্ষমতা রয়েছে। (Representative image: AI) 
advertisement
7/8
এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। যদিও এটি এখনও নিশ্চিত সামরিক অভিযান নয়, তবে কৌশলগত বিকল্প হিসেবে তা গুরুত্ব পাচ্ছে। ট্রাম্প নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, “হয়তো আমরা খার্গ নেব, হয়তো নেব না”—অর্থাৎ বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরও সীমিত স্থল অভিযানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবং ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। যদিও এটি এখনও নিশ্চিত সামরিক অভিযান নয়, তবে কৌশলগত বিকল্প হিসেবে তা গুরুত্ব পাচ্ছে। ট্রাম্প নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, “হয়তো আমরা খার্গ নেব, হয়তো নেব না”—অর্থাৎ বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরও সীমিত স্থল অভিযানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবং ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। (Representative image: AI) 
advertisement
8/8
সব মিলিয়ে, খার্গ দ্বীপকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক দিকটি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, এই একটিমাত্র দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে শুধু ইরানের অর্থনীতি নয়, গোটা বিশ্বের জ্বালানি বাজারেও বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, খার্গ দ্বীপকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক দিকটি এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। কারণ, এই একটিমাত্র দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে শুধু ইরানের অর্থনীতি নয়, গোটা বিশ্বের জ্বালানি বাজারেও বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে। (Representative image: AI) 
advertisement
advertisement
advertisement