Varun Dhawan Daughter's Disease: বিরল রোগ DDH-এ আক্রান্ত বরুণ ধাওয়ানের শিশুকন্যা! বন্ধ হয়ে যায় হাঁটা-দৌড়ানো! এই জটিল অসুখের বাকি লক্ষণ কী কী? জানুন বিশদে
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
- news18 bangla
Last Updated:
Varun Dhawan Daughter's Disease: নিতম্বের হাড়ে জটিল সমস্যা। চলে যায় স্বাভাবিক হাঁটাচলা ও দৌড়নোর ক্ষমতা। খুঁড়িয়ে হাঁটার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। জানুন এই বিরল রোগের উপসর্গ কী কী
শিশুকন্যার অসুস্থতা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন বরুণ ধাওয়ান। বলিউড অভিনেতা জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে লারা বিরল রোগে আক্রান্ত। সেই অসুস্থতায় শিশুর স্বাভাবিক হাঁটা বা দৌড়ানো বন্ধ হয়ে যায়। ব্যাহত হয় স্বাভাবিক মুভমেন্ট। বরুণ জানিয়েছেন, “যখন ওর বয়স দেড় বছর ছিল, তখন ওর ডিডিএইচ (DDH) রোগ ধরা পড়ে, যার মূল লক্ষণ হল নিতম্বের হাড় সকেট থেকে সরে যাওয়া। এতে একটি পা অন্যটির চেয়ে লম্বা হয়ে যায়, যার ফলে হাঁটা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। ঠিকমতো দৌড়ানো যায় না, হাঁটাও যায় না। অল্প বয়সেই আর্থ্রাইটিস বা স্লিপ ডিস্কের সমস্যা দেখা দেয়। এতে অনেক ধরনের সমস্যা হয়। পশ্চিমা বিশ্বে জন্মের সময়ই এর ভালো রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা আছে, কিন্তু ভারতে তেমনটা নেই। তবে এখানে অনেক চমৎকার ডাক্তার আছেন যাঁরা এর যত্ন নেন।”
advertisement
কী এই ডিডিএইচ? বেঙ্গালুরুর অ্যাস্টার হোয়াইটফিল্ড হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডঃ হর্ষা জিএন ব্যাখ্যা করেছেন যে, ডিডিএইচ এমন একটি অবস্থা যেখানে শিশুর নিতম্ব স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হয় না। তিনি বলেন, “নিতম্ব সাধারণত একটি বল ও সকেট সন্ধি, কিন্তু যদি সকেটটি খুব অগভীর হয় বা বলটি সঠিকভাবে স্থাপিত না হয়, তবে নিতম্ব অস্থিতিশীল হতে পারে বা এমনকি স্থানচ্যুতও হতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এই অবস্থাটি জন্মগত হতে পারে অথবা শৈশবে ধীরে ধীরে বিকশিত হতে পারে।
advertisement
advertisement
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে “শিশুকে খুব শক্ত করে জড়ানো পরিহার করুন, কোমর নড়াচড়ার জন্য মুক্ত রাখুন, এম-ক্যারি বা কোমরে বহন করার মতো কোমর-মুক্ত বহন ভঙ্গি ব্যবহার করুন, শিশুদের প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ে উৎসাহিত করুন এবং নিয়মিত চেকআপের জন্য আপনার শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যান,” তিনি বলেন। পাশাপাশি, অভিভাবকদের অবশ্যই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অস্বাভাবিক দৈর্ঘ্যের দিকেও নজর রাখতে হবে, যেমন—হাত-পায়ের দৈর্ঘ্য সমান না হওয়া, উরুর ভাঁজ অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া, নিতম্বের নড়াচড়া সীমিত হওয়া বা হাঁটার সময় খুঁড়িয়ে চলা এবং এমন ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
advertisement
অনেক রোগী পেলভিক হারনেস-জাতীয় ডিভাইস ব্যবহারে উপকৃত হবেন, যা একটি নন-ইনভেসিভ পদ্ধতি এবং জীবনের প্রথম ছয় মাসে ব্যবহার করলে সবচেয়ে কার্যকর। কিছু ক্ষেত্রে বয়স্ক শিশুদের এবং যাদের সময়মতো রোগ নির্ণয় হয়নি, তাদের জন্য কাস্টিংয়ের পাশাপাশি কন্টেইনমেন্ট সহ ক্লোজড বা ওপেন রিডাকশন পদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসা না করালে হিপ ডিসপ্লেসিয়া সম্পর্কিত দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাগুলোর মধ্যে থাকতে পারে চলাফেরার অস্বাভাবিকতা এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা। কিছু ক্ষেত্রে, অকাল আর্থ্রাইটিসের কারণে হাঁটাচলায় অসুবিধা এবং ব্যথাও হতে পারে, যার জন্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বয়সে হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারির প্রয়োজন হয়।
advertisement
প্রসঙ্গত বরুণ আরও জানান, তার শিশুর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি। একটি মাত্র পদ্ধতির মাধ্যমেই নিতম্বের হাড়টি আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কিন্তু তাকে স্পাইকা কাস্ট পরে থাকতে হয়েছিল। এর মানে হল, শিশুটিকে আড়াই মাস কাস্টের মধ্যে থাকতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর। শিশুটিকে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর যখন তার জ্ঞান ফেরে, তখন সে কাস্ট পরা অবস্থাতেই থাকে। কিন্তু শিশুরা মানিয়ে নেয়। এখন কাস্টটি খুলে ফেলা হয়েছে এবং সে একটি ব্রেস পরে সুস্থ হয়ে উঠছে।
advertisement
বরুণ ধাওয়ান এবং নাতাশা দালাল ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আলিবগের 'দ্য ম্যানশন হাউস'-এ বিয়ে করার আগে এই জুটি বেশ কয়েক বছর ধরে প্রেম করছিলেন। ছোটবেলার এই প্রেমিক-প্রেমিকা ঘনিষ্ঠ পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে একটি ঘরোয়া বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। ২০২৪ সালে জন্ম হয় তাঁদের কন্যা লারার। শিশুসন্তান অসুস্থ হওয়ায় স্বভাবতই উদ্বেগের ঝড় বয়ে গিয়েছে এই তারকা দম্পতির উপর। এখন শিশুকন্যা সুস্থ হয়ে ওঠায় স্বস্তি পেয়েছেন দম্পতি।








