advertisement

GK Point Nemo: ঠিকানাহীন পৃথিবীর সবচেয়ে দূরের স্থান 'পয়েন্ট নিমো', কেউ পৌঁছতে পারে না! কোনও প্রাণীও না! রহস্যময় এই দ্বীপে কী রয়েছে জানেন?

Last Updated:
GK Point Nemo: ঠিকানাহীন নির্জন এই দ্বীপের নাম 'পয়েন্ট নিমো'। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এই জায়গায় রয়েছে গভীর সমুদ্র। কোনও দেশের অংশ না হওয়ায় এখানে কোনও আইনের প্রচলনও নেই। তাহলে কী রয়েছে সেখানে? জানুন...
1/10
পৃথিবীর স্থলভাগের থেকে সবচেয়ে দূরে থাকা স্থান, ঠিকানাহীন নির্জন এই দ্বীপের নাম 'পয়েন্ট নিমো'। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এই জায়গায় রয়েছে গভীর সমুদ্র। কোনও দেশের অংশ না হওয়ায় এখানে কোনও আইনের প্রচলনও নেই।
পৃথিবীর স্থলভাগের থেকে সবচেয়ে দূরে থাকা স্থান, ঠিকানাহীন নির্জন এই দ্বীপের নাম 'পয়েন্ট নিমো'। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এই জায়গায় রয়েছে গভীর সমুদ্র। কোনও দেশের অংশ না হওয়ায় এখানে কোনও আইনের প্রচলনও নেই।
advertisement
2/10
পার্শ্ববর্তী জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে এই অঞ্চলের কোনও রকম যোগাযোগ নেই। এর সবচেয়ে নিকটবর্তী স্থলভাগগুলির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের অন্তর্গত ডুকি দ্বীপপুঞ্জ। পয়েন্ট নিমো থেকে এই দ্বীপপুঞ্জের দূরত্ব ২,৭০৪ কিলোমিটার।
পার্শ্ববর্তী জনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে এই অঞ্চলের কোনও রকম যোগাযোগ নেই। এর সবচেয়ে নিকটবর্তী স্থলভাগগুলির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের অন্তর্গত ডুকি দ্বীপপুঞ্জ। পয়েন্ট নিমো থেকে এই দ্বীপপুঞ্জের দূরত্ব ২,৭০৪ কিলোমিটার।
advertisement
3/10
এ ছাড়াও কাছাকাছি স্থলভাগের মধ্যে রয়েছে ইস্টার দ্বীপপুঞ্জ, মাহের দ্বীপপুঞ্জ, মেরি বায়ার্ড ল্যান্ড। কিন্তু এই দ্বীপপুঞ্জগুলির মধ্যে কোথাও জনবসতি নেই। পয়েন্ট নিমোও রয়েছে এই তালিকায়। এমনকি, যাতায়াতের সুবিধাও নেই এখানে।
এ ছাড়াও কাছাকাছি স্থলভাগের মধ্যে রয়েছে ইস্টার দ্বীপপুঞ্জ, মাহের দ্বীপপুঞ্জ, মেরি বায়ার্ড ল্যান্ড। কিন্তু এই দ্বীপপুঞ্জগুলির মধ্যে কোথাও জনবসতি নেই। পয়েন্ট নিমোও রয়েছে এই তালিকায়। এমনকি, যাতায়াতের সুবিধাও নেই এখানে।
advertisement
4/10
শুধু মাত্র নৌকোর মাধ্যমে এখানে যাতায়াত করা যায়। পয়েন্ট নিমোয় পৌঁছতে নিকটবর্তী জনবসতি থেকে দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগে। বিমানে যাওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই এখানে।
শুধু মাত্র নৌকোর মাধ্যমে এখানে যাতায়াত করা যায়। পয়েন্ট নিমোয় পৌঁছতে নিকটবর্তী জনবসতি থেকে দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগে। বিমানে যাওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই এখানে।
advertisement
5/10
১৯৭১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই এলাকায় মোট ২৬৩টি মহাকাশযানের ধ্বংসাবশেষ ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার একটি স্পেস স্টেশন মির, সালয়ুত স্পেস স্টেশন প্রোগ্রামের অন্তর্গত ছ’টি স্টেশন এবং নাসার স্কাইল্যাব স্পেস স্টেশনের অবশিষ্টাংশও এখানে ফেলা হয়েছে।
১৯৭১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই এলাকায় মোট ২৬৩টি মহাকাশযানের ধ্বংসাবশেষ ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার একটি স্পেস স্টেশন মির, সালয়ুত স্পেস স্টেশন প্রোগ্রামের অন্তর্গত ছ’টি স্টেশন এবং নাসার স্কাইল্যাব স্পেস স্টেশনের অবশিষ্টাংশও এখানে ফেলা হয়েছে।
advertisement
6/10
পয়েন্ট নিমো’র নামকরণ জুলস ভার্নের বিখ্যাত চরিত্র 'ক্যাপ্টেন নিমো' থেকে নেওয়া হয়েছে-- একজন কাল্পনিক সাবমেরিন ক্যাপ্টেন, যিনি সমুদ্রের গভীরে বিচ্ছিন্ন অভিযান করেন।
পয়েন্ট নিমো’র নামকরণ জুলস ভার্নের বিখ্যাত চরিত্র 'ক্যাপ্টেন নিমো' থেকে নেওয়া হয়েছে-- একজন কাল্পনিক সাবমেরিন ক্যাপ্টেন, যিনি সমুদ্রের গভীরে বিচ্ছিন্ন অভিযান করেন।
advertisement
7/10
'নিমো' শব্দের অর্থই লাতিনে 'কেউ নয়', যা এই স্থানের বিচ্ছিন্নতা আরও স্পষ্ট করে।
'নিমো' শব্দের অর্থই লাতিনে 'কেউ নয়', যা এই স্থানের বিচ্ছিন্নতা আরও স্পষ্ট করে।
advertisement
8/10
পয়েন্ট নিমো শুধু মাত্র পৃথিবীর সবচেয়ে দূরে থাকা স্থান-- এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, পৃথিবী কতটা বিস্তৃত এবং মানবজীবনের বাইরে কী কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। সমুদ্রের মাঝের এই নির্জন বিন্দুটি ভৌগোলিক কৌতূহল, মহাকাশ প্রযুক্তি ও পরিবেশগত গবেষণার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।
পয়েন্ট নিমো শুধু মাত্র পৃথিবীর সবচেয়ে দূরে থাকা স্থান-- এটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, পৃথিবী কতটা বিস্তৃত এবং মানবজীবনের বাইরে কী কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। সমুদ্রের মাঝের এই নির্জন বিন্দুটি ভৌগোলিক কৌতূহল, মহাকাশ প্রযুক্তি ও পরিবেশগত গবেষণার এক অনন্য মিলনস্থল হিসেবে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।
advertisement
9/10
সমুদ্রের ১,৬০১ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে শুধু মাত্র মহাকাশযানের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া যায়, যার বেশির ভাগ স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি। এ ছাড়াও কিছু তেজস্ক্রিয় উপাদান এবং হাইড্রাজিনের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থাকে।
সমুদ্রের ১,৬০১ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে শুধু মাত্র মহাকাশযানের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া যায়, যার বেশির ভাগ স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি। এ ছাড়াও কিছু তেজস্ক্রিয় উপাদান এবং হাইড্রাজিনের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থাকে।
advertisement
10/10
বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলের মধ্যে এই পদার্থগুলির উপস্থিতির কারণে এখানে কোনও সামুদ্রিক প্রাণী লক্ষ করা যায় না।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলের মধ্যে এই পদার্থগুলির উপস্থিতির কারণে এখানে কোনও সামুদ্রিক প্রাণী লক্ষ করা যায় না।
advertisement
advertisement
advertisement