GK: বিশ্বের একমাত্র দেশ, যা খায় শুধু সেটুকুই উৎপাদন করে, বাইরে থেকে কিছু আমদানি করে না !

Last Updated:
দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির নাম গায়ানা। এর মোট জনসংখ্যা মাত্র ৮০০,০০০, যার মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৩২০,০০০ থেকে ৩৫০,০০০-এর মধ্যে পড়ে।
1/13
পৃথিবীতে এমন এক দেশ আছে যে তার সমস্ত খাদ্য চাহিদা নিজেই পূরণ করে এবং তার সমগ্র জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে সে সব উৎপাদন করে। তারা বিদেশ থেকে কিছুই আমদানি করে না। এটি একটি ছোট দেশ। এর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যাদের একসময় সেখানে পাঠানো হয়েছিল এবং এখন তারা সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির নাম গায়ানা বা গুয়ানা। এর মোট জনসংখ্যা মাত্র ৮০০,০০০, যার মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৩২০,০০০ থেকে ৩৫০,০০০-এর মধ্যে পড়ে। ১৯ শতকে যখন ভারত ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল, তখন ভারত থেকে প্রচুর সংখ্যক লোককে আখ চাষের কাজ করার জন্য সেখানে পাঠানো হত। এদের সাধারণত উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং আশপাশের অঞ্চল থেকে গায়ানায় পাঠানো হত। (Representative Image)
পৃথিবীতে এমন এক দেশ আছে যে তার সমস্ত খাদ্য চাহিদা নিজেই পূরণ করে এবং তার সমগ্র জনসংখ্যার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে সে সব উৎপাদন করে। তারা বিদেশ থেকে কিছুই আমদানি করে না। এটি একটি ছোট দেশ। এর জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যাদের একসময় সেখানে পাঠানো হয়েছিল এবং এখন তারা সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির নাম গায়ানা বা গুয়ানা। এর মোট জনসংখ্যা মাত্র ৮০০,০০০, যার মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৩২০,০০০ থেকে ৩৫০,০০০-এর মধ্যে পড়ে। ১৯ শতকে যখন ভারত ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল, তখন ভারত থেকে প্রচুর সংখ্যক লোককে আখ চাষের কাজ করার জন্য সেখানে পাঠানো হত। এদের সাধারণত উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং আশপাশের অঞ্চল থেকে গায়ানায় পাঠানো হত। (Representative Image)
advertisement
2/13
আয়তনের দিক থেকে গুজরাতের সমান: আয়তনের দিক থেকে এই দেশ ভারতের গুজরাতের সঙ্গে তুলনীয়, কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট, কারণ গুজরাতের জনসংখ্যা প্রায় ৬০ মিলিয়ন। এই দেশের ৮৫ শতাংশ ঘন, দুর্গম রেনফরেস্টে আচ্ছাদিত।
আয়তনের দিক থেকে গুজরাতের সমান: আয়তনের দিক থেকে এই দেশ ভারতের গুজরাতের সঙ্গে তুলনীয়, কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট, কারণ গুজরাতের জনসংখ্যা প্রায় ৬০ মিলিয়ন। এই দেশের ৮৫ শতাংশ ঘন, দুর্গম রেনফরেস্টে আচ্ছাদিত।
advertisement
3/13
৭টি খাদ্য বিভাগ: গায়ানায় খাওয়া ফল, শাকসবজি, শস্য এবং বাদাম থেকে শুরু করে সব কিছুই উৎপাদিত হয়। অধিবাসীরা সাতটি খাদ্য বিভাগের উপরে নির্ভর করেন: ফল, শাকসবজি, দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, মাংস, ডাল, বাদাম, বীজ এবং শস্য সহ স্টার্চযুক্ত খাবার।
৭টি খাদ্য বিভাগ: গায়ানায় খাওয়া ফল, শাকসবজি, শস্য এবং বাদাম থেকে শুরু করে সব কিছুই উৎপাদিত হয়। অধিবাসীরা সাতটি খাদ্য বিভাগের উপরে নির্ভর করেন: ফল, শাকসবজি, দুগ্ধজাত পণ্য, মাছ, মাংস, ডাল, বাদাম, বীজ এবং শস্য সহ স্টার্চযুক্ত খাবার।
advertisement
4/13
১. প্রধান স্টার্চ খাবার - এই বিভাগে চাল, ভুট্টা, গমের মতো শস্য এবং আলু, কাসাভা এবং মিষ্টি আলুর মতো কন্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গায়ানা একটি সমৃদ্ধ ধান উৎপাদনকারী দেশ, এরা পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল উৎপাদন করে। ২. ডাল, বাদাম এবং বীজ - এর মধ্যে রয়েছে মুসুর ডাল, সয়াবিন, চিনাবাদাম এবং বিভিন্ন বীজ। ৩. শাকসবজি - সকল ধরনের গ্রিন ভেজেটেবল এবং শাক এখানে চাষ করা হয়। ৪. ফল - এই দেশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নানা ফল খেয়ে থাকে।
১. প্রধান স্টার্চ খাবার - এই বিভাগে চাল, ভুট্টা, গমের মতো শস্য এবং আলু, কাসাভা এবং মিষ্টি আলুর মতো কন্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গায়ানা একটি সমৃদ্ধ ধান উৎপাদনকারী দেশ, এরা পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল উৎপাদন করে। ২. ডাল, বাদাম এবং বীজ - এর মধ্যে রয়েছে মুসুর ডাল, সয়াবিন, চিনাবাদাম এবং বিভিন্ন বীজ। ৩. শাকসবজি - সকল ধরনের গ্রিন ভেজেটেবল এবং শাক এখানে চাষ করা হয়। ৪. ফল - এই দেশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নানা ফল খেয়ে থাকে।
advertisement
5/13
৫. দুগ্ধজাত দ্রব্য - দুধ, পনির এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য। ৬. মাংস - হাঁস-মুরগি, শুয়োরের মাংস, গরুর মাংস ইত্যাদি। ৭. মাছ - সামুদ্রিক এবং মিষ্টি জলের মাছ।দেশের রাজধানী জর্জটাউনের যে কোনও বাজারে গেলেই চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে- স্থানীয় চাল, তাজা শাকসবজি, তাজা মাছ, ফল এবং অন্যান্য পণ্যে ভরপুর সব স্টল, যার বেশিরভাগই গায়ানার সীমান্তের মধ্যেই উৎপাদিত হয়। (Representative Image)
৫. দুগ্ধজাত দ্রব্য - দুধ, পনির এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য। ৬. মাংস - হাঁস-মুরগি, শুয়োরের মাংস, গরুর মাংস ইত্যাদি। ৭. মাছ - সামুদ্রিক এবং মিষ্টি জলের মাছ।দেশের রাজধানী জর্জটাউনের যে কোনও বাজারে গেলেই চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে- স্থানীয় চাল, তাজা শাকসবজি, তাজা মাছ, ফল এবং অন্যান্য পণ্যে ভরপুর সব স্টল, যার বেশিরভাগই গায়ানার সীমান্তের মধ্যেই উৎপাদিত হয়। (Representative Image)
advertisement
6/13
মাটি এবং জল অতুলনীয়: গায়ানা নিজেকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করেনি; এটি এখনও যে কোনও আধুনিক জাতির মতো ব্যবসা করে, তবে এর নাগরিকদের সমস্ত খাদ্য চাহিদা তার মাটি এবং জল থেকেই পূরণ হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া এবং ভারতের মতো প্রধান কৃষিপ্রধান দেশগুলিও উপরে উল্লিখিত সাতটি বিভাগে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মাত্র চারটি বিভাগে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ। - ব্রিটেন মাত্র দুটি বিভাগে স্বয়ংসম্পূর্ণ। - চিন এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলি ছয়টি বিভাগে এগিয়ে, কিন্তু তারা সপ্তম বিভাগে, অর্থাৎ দুগ্ধজাত পণ্য বা ডালজাত পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়; তাদের সেগুলি আমদানি করতে হয়। (Representative Image)
মাটি এবং জল অতুলনীয়: গায়ানা নিজেকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করেনি; এটি এখনও যে কোনও আধুনিক জাতির মতো ব্যবসা করে, তবে এর নাগরিকদের সমস্ত খাদ্য চাহিদা তার মাটি এবং জল থেকেই পূরণ হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া এবং ভারতের মতো প্রধান কৃষিপ্রধান দেশগুলিও উপরে উল্লিখিত সাতটি বিভাগে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মাত্র চারটি বিভাগে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ। - ব্রিটেন মাত্র দুটি বিভাগে স্বয়ংসম্পূর্ণ। - চিন এবং ভিয়েতনামের মতো দেশগুলি ছয়টি বিভাগে এগিয়ে, কিন্তু তারা সপ্তম বিভাগে, অর্থাৎ দুগ্ধজাত পণ্য বা ডালজাত পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়; তাদের সেগুলি আমদানি করতে হয়। (Representative Image)
advertisement
7/13
ভারত কেন সম্পূর্ণ ভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়: ১. শস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভারত কেবল চাল এবং গমে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, বরং বিশ্বের বৃহত্তম রফতানিকারকও। ২. দুগ্ধজাত পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিশ্বের এক নম্বর দুধ উৎপাদনকারী দেশ ভারত। ৩. মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী এবং নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে। ৪. ফল ও শাকসবজিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সবজি বৃহত্তম উৎপাদনকারী। ৫. মাংসে মিশ্র পরিস্থিতি চোখে পড়ে। ৬. শিম এবং ডালের উপর আংশিকভাবে নির্ভরশীল। নিজস্ব চাহিদা মেটাতে ১০-১৫% আমদানি করে। ৭. বাদাম এবং তৈলবীজের উপর নির্ভরশীল। ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় ৫৫-৬০% আমদানি করে। (Representative Image)
ভারত কেন সম্পূর্ণ ভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়: ১. শস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভারত কেবল চাল এবং গমে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, বরং বিশ্বের বৃহত্তম রফতানিকারকও। ২. দুগ্ধজাত পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিশ্বের এক নম্বর দুধ উৎপাদনকারী দেশ ভারত। ৩. মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী এবং নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে। ৪. ফল ও শাকসবজিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সবজি বৃহত্তম উৎপাদনকারী। ৫. মাংসে মিশ্র পরিস্থিতি চোখে পড়ে। ৬. শিম এবং ডালের উপর আংশিকভাবে নির্ভরশীল। নিজস্ব চাহিদা মেটাতে ১০-১৫% আমদানি করে। ৭. বাদাম এবং তৈলবীজের উপর নির্ভরশীল। ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় ৫৫-৬০% আমদানি করে।(Representative Image)
advertisement
8/13
এই দেশটি কীভাবে অসাধ্যসাধন করেছে: বিগত কয়েক বছরে গায়ানিজ সরকার তার কৃষি বাজেট প্রায় ৪৬৮% বৃদ্ধি করেছে। গায়ানা কেবল চাল বা চিনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি ব্যাপকভাবে ভুট্টা, সয়াবিন এবং দুগ্ধজাত পণ্যও চাষ করেছে। যদি বিশ্ব বাণিজ্য রুট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে গায়ানাই একমাত্র দেশ হবে যে তার নাগরিকদের নিরাপদ এবং সুরক্ষিত রাখবে, তাদের সুষম খাদ্য সরবরাহ করবে। গায়ানা তার প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস না করে এবং তার সীমিত কৃষি জমির সর্বাধিক ব্যবহার করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ কৃষিকাজ এবং গবাদি পশু পালনের জন্য বন উজাড়ের সম্মুখীন হলেও গায়ানা তার মূল বনভূমির ৮৫ শতাংশেরও বেশি সংরক্ষণ করেছে। (Representative Image)
এই দেশটি কীভাবে অসাধ্যসাধন করেছে: বিগত কয়েক বছরে গায়ানিজ সরকার তার কৃষি বাজেট প্রায় ৪৬৮% বৃদ্ধি করেছে। গায়ানা কেবল চাল বা চিনির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি ব্যাপকভাবে ভুট্টা, সয়াবিন এবং দুগ্ধজাত পণ্যও চাষ করেছে। যদি বিশ্ব বাণিজ্য রুট বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে গায়ানাই একমাত্র দেশ হবে যে তার নাগরিকদের নিরাপদ এবং সুরক্ষিত রাখবে, তাদের সুষম খাদ্য সরবরাহ করবে। গায়ানা তার প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস না করে এবং তার সীমিত কৃষি জমির সর্বাধিক ব্যবহার করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ কৃষিকাজ এবং গবাদি পশু পালনের জন্য বন উজাড়ের সম্মুখীন হলেও গায়ানা তার মূল বনভূমির ৮৫ শতাংশেরও বেশি সংরক্ষণ করেছে। (Representative Image)
advertisement
9/13
বিষুবরেখার ১ থেকে ৯ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত এই দেশটি সারা বছর ধরে উষ্ণ আবহাওয়া, প্রচুর বৃষ্টিপাত, উচ্চ আর্দ্রতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমাজন নদী ব্যবস্থা দ্বারা সহস্রাব্দ ধরে জমা হওয়া উর্বর এঁটেল মাটির আশীর্বাদপ্রাপ্ত। (Representative Image)
বিষুবরেখার ১ থেকে ৯ ডিগ্রি উত্তরে অবস্থিত এই দেশটি সারা বছর ধরে উষ্ণ আবহাওয়া, প্রচুর বৃষ্টিপাত, উচ্চ আর্দ্রতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমাজন নদী ব্যবস্থা দ্বারা সহস্রাব্দ ধরে জমা হওয়া উর্বর এঁটেল মাটির আশীর্বাদপ্রাপ্ত। (Representative Image)
advertisement
10/13
সাফল্য রাতারাতি ঘটেনি: গায়ানার সাফল্য রাতারাতি আসেনি। সেচ, নিষ্কাশন, প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা, অবকাঠামো এবং কৃষক শিক্ষায় ক্রমাগত বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি অর্জন করা হয়েছে। গায়ানায় খাওয়া হয় এমন কিছু ভারতীয় খাবার: ১. ডাল পুরি - এটি গায়ানার সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। এটি বিহার এবং উত্তরপ্রদেশে তৈরি খাবারের মতোই হলুদ গুঁড়ো মুসুর ডাল, হলুদ এবং জিরের পুর দিয়ে ভরা একটি নরম রুটি। এটি প্রায়শই সেখানে তরকারির সঙ্গে খাওয়া হয়। ২. কড়ি এবং বড়া - স্থানীয় রাস্তার খাবার দোকানে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। কড়ি হল বেসনের বড়া, এগুলি আমের চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। বড়া হল দক্ষিণ ভারতের ডাল বড়ার মতো একটি খাবার। (Representative Image)
সাফল্য রাতারাতি ঘটেনি: গায়ানার সাফল্য রাতারাতি আসেনি। সেচ, নিষ্কাশন, প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা, অবকাঠামো এবং কৃষক শিক্ষায় ক্রমাগত বিনিয়োগের মাধ্যমে এটি অর্জন করা হয়েছে। গায়ানায় খাওয়া হয় এমন কিছু ভারতীয় খাবার: ১. ডাল পুরি - এটি গায়ানার সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। এটি বিহার এবং উত্তরপ্রদেশে তৈরি খাবারের মতোই হলুদ গুঁড়ো মুসুর ডাল, হলুদ এবং জিরের পুর দিয়ে ভরা একটি নরম রুটি। এটি প্রায়শই সেখানে তরকারির সঙ্গে খাওয়া হয়। ২. কড়ি এবং বড়া - স্থানীয় রাস্তার খাবার দোকানে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। কড়ি হল বেসনের বড়া, এগুলি আমের চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। বড়া হল দক্ষিণ ভারতের ডাল বড়ার মতো একটি খাবার। (Representative Image)
advertisement
11/13
৩. রুটি - রুটি গায়ানার একটি প্রধান খাবার, তবে তাদের নামগুলি কিছুটা আলাদা। এগুলোকে সাদা রোটি বলা হয়, যা আমাদের সাধারণ তাওয়া রুটির মতোই। ভারতের পরোটা বা রুমালি রুটির মতো আরেকটি রুটির নাম বাশ-আপ-শার্ট। এটি খুবই নরম এবং স্তরযুক্ত। ছেঁড়া শার্টের মতো বলে এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। (Representative Image)
৩. রুটি - রুটি গায়ানার একটি প্রধান খাবার, তবে তাদের নামগুলি কিছুটা আলাদা। এগুলোকে সাদা রোটি বলা হয়, যা আমাদের সাধারণ তাওয়া রুটির মতোই। ভারতের পরোটা বা রুমালি রুটির মতো আরেকটি রুটির নাম বাশ-আপ-শার্ট। এটি খুবই নরম এবং স্তরযুক্ত। ছেঁড়া শার্টের মতো বলে এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। (Representative Image)
advertisement
12/13
৪. গায়ানিজ কারি - এখানকার কারি হলুদ, ধনে এবং জিরে জাতীয় ভারতীয় মশলা দিয়ে তৈরি হয়। চিকেন কারি, ডাক কারি, পনির কারি ইত্যাদি এই দেশে খুবই জনপ্রিয়। একমাত্র পার্থক্য হল তারা স্থানীয় ক্যারিবিয়ান লঙ্কা ব্যবহার করে, যা এটিকে কিছুটা মশলাদার এবং স্বতন্ত্র স্বাদ দেয়। (Representative Image)
৪. গায়ানিজ কারি - এখানকার কারি হলুদ, ধনে এবং জিরে জাতীয় ভারতীয় মশলা দিয়ে তৈরি হয়। চিকেন কারি, ডাক কারি, পনির কারি ইত্যাদি এই দেশে খুবই জনপ্রিয়। একমাত্র পার্থক্য হল তারা স্থানীয় ক্যারিবিয়ান লঙ্কা ব্যবহার করে, যা এটিকে কিছুটা মশলাদার এবং স্বতন্ত্র স্বাদ দেয়। (Representative Image)
advertisement
13/13
৫. সাত ভাজি - এটি গায়ানার হিন্দু পরিবারগুলি বিবাহ এবং পূজার সময় তৈরি করে। এতে কুমড়ো, আলু, পালং শাক এবং আরও অনেক কিছু-সহ সাতটি ভিন্ন সবজি থাকে, যা কলাপাতায় ভাত এবং ডালপুরির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। এটি দক্ষিণ ভারতীয় সাদ্য বা উত্তর ভারতীয় ভাণ্ডারা থালির কথা মনে করিয়ে দেয়। ৬. মিষ্টি খাবার - পারমিগি গায়ানার অন্যতম মিষ্ট পদ, মূলত ভারতের পায়েসের মতো। এছাড়া গায়ানায় খুরমার মতো একটি মিষ্টিও তৈরি হয়, একে মিঠাই বলা হয়। (Representative Image)
৫. সাত ভাজি - এটি গায়ানার হিন্দু পরিবারগুলি বিবাহ এবং পূজার সময় তৈরি করে। এতে কুমড়ো, আলু, পালং শাক এবং আরও অনেক কিছু-সহ সাতটি ভিন্ন সবজি থাকে, যা কলাপাতায় ভাত এবং ডালপুরির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। এটি দক্ষিণ ভারতীয় সাদ্য বা উত্তর ভারতীয় ভাণ্ডারা থালির কথা মনে করিয়ে দেয়। ৬. মিষ্টি খাবার - পারমিগি গায়ানার অন্যতম মিষ্ট পদ, মূলত ভারতের পায়েসের মতো। এছাড়া গায়ানায় খুরমার মতো একটি মিষ্টিও তৈরি হয়, একে মিঠাই বলা হয়। (Representative Image)
advertisement
advertisement
advertisement