Zubeen Garg Death: বৃহস্পতিবার রাতের পার্টিতে কী এমন হয়েছিল! জুবিন গর্গের মৃত্যুতে বিরাট ষড়যন্ত্র! জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা
- Published by:Suman Biswas
- news18 bangla
Last Updated:
Zubeen Garg Death: অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ বর্তমানে জুবিনের সঙ্গে থাকা বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। শনিবার তাঁর ময়নাতদন্ত হয়। এহেন ‘ত্বত্ত’ মানতে অবশ্য নারাজ অসমবাসীদের একাংশ।
advertisement
জনপ্রিয় গায়ক এবং আইকন জুবিন গর্গ শুক্রবার সিঙ্গাপুরে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রয়াত হন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, গায়ক স্কুবা ডাইভিং করার সময় লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে নামেন এবং সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে। জুবিন গর্গ তার বন্ধুদের সঙ্গে ইয়টে ঘুরতে গিয়ে সমুদ্রে স্কুবা ডাইভিং করতে যান। তখনই ঘটে দুর্ঘটনা। দ্রুত তাকে সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ভারতীয় সময় দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
advertisement
advertisement
advertisement
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হিমন্ত জানান, “আমরা সিঙ্গাপুর সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম যাতে, ময়নাতদন্ত না করা হয়। তবে অসমে যেহেতু মামলা রুজু হয়েছে, তদন্তের দাবিও উঠছে, তাই সিঙ্গাপুর প্রশাসন কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। শনিবার ময়নাতদন্তের পরই ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে জুবিনের মরদেহ তুলে দেবে সিঙ্গাপুর প্রশাসন। তাঁরা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন।''
advertisement
এরপরই বিস্ফোরক দাবি করেন হিমন্ত! অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে এরকম খবরও কানে এসেছে যে, বৃহস্পতিবার রাতে এক পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন জুবিন। সেখানে কিছু হয়েছে কিনা, তেমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই প্রেক্ষিতেই চতুর্থ নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালের উদ্যোক্তা-সহ জুবিনের সঙ্গে এদিন যাঁরা ছিলেন, তাঁদের সকলেই তদন্তের আওতাভুক্ত।”
advertisement
advertisement
সিঙ্গাপুর থেকে ভায়া দিল্লি হয়ে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে জুবিনের মরদেহ। প্রথমে গায়কের আদিবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে একঘণ্টা রাখার পর সরুসোজাই স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হবে মরদেহ। যেখানে প্রিয় গায়ক, ভূমিপুত্রকে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন অনুরাগীরা। সেই প্রেক্ষিতেই হিমন্তের আর্জি, “স্টেডিয়ামে সবরকম ব্যবস্থা থাকবে। আপনারা অযথা জুবিনের বাড়িতে কেউ ভিড় করবেন না। এই একঘণ্টা সময় ওঁর পরিবারকে একান্তে থাকতে দিন। ওঁদের শোকপালন করতে দিন।”
