advertisement

Uttar Pradesh Horror: 'অন্য কারও সঙ্গে থাকতে চাই' পথের কাঁটা সরাতে লিভ-ইন পার্টনারের মুন্ডু কেটে খুন, জঙ্গল থেকে উদ্ধার দিল্লির মহিলার গলাকাটা দেহ

Last Updated:
Uttar Pradesh Horror: স্বামীর মৃত্যুর পর প্রেমিককে ভালবেসে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিল বাবলি! দু'জনে একসঙ্গে লিভ-ইনও করত! কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই প্রেমিকের মন ঘুরল, তার মনে তখন অন্য মহিলা! বাবলিকে রাস্ধা থেকে সরাতে তাঁর মাথা কেটে খুন করল প্রেমিক বিকাশ
1/7
উত্তরপ্রদেশের হাড়হিম কাণ্ড, জঙ্গল থেকে মিলল মহিলার মুন্ডু-কাটা দেহ! জানা যায়, মৃতা দিল্লির বাসিন্দা! বুলন্দশহরের নারসেনা এলাকার ঘুঙ্ঘরাওয়ালি গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় বছর ৩৮-এর ওই মহিলার মুণ্ডহীন দেহ।
উত্তরপ্রদেশের হাড়হিম কাণ্ড, জঙ্গল থেকে মিলল মহিলার মুন্ডু-কাটা দেহ! জানা যায়, মৃতা দিল্লির বাসিন্দা! বুলন্দশহরের নারসেনা এলাকার ঘুঙ্ঘরাওয়ালি গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় বছর ৩৮-এর ওই মহিলার মুণ্ডহীন দেহ।
advertisement
2/7
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, ধৃতরা মহিলার মাথা কেটে খুন করে। তার পর দেহ নারসেনা এলাকার ঘুঙ্ঘরাওয়ালি গ্রামের একটি জঙ্গলে খালের ধারে ফেলে দেয়। ধৃতদের মধ্যে একজনের নাম বিকাশ কুমার। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিল সে এবং প্রায় তিন বছর ধরে দিল্লিতে তাঁর সঙ্গেই লিভ-ইন করত।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, ধৃতরা মহিলার মাথা কেটে খুন করে। তার পর দেহ নারসেনা এলাকার ঘুঙ্ঘরাওয়ালি গ্রামের একটি জঙ্গলে খালের ধারে ফেলে দেয়। ধৃতদের মধ্যে একজনের নাম বিকাশ কুমার। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত ছিল সে এবং প্রায় তিন বছর ধরে দিল্লিতে তাঁর সঙ্গেই লিভ-ইন করত।
advertisement
3/7
জানা যায়, নিহত মহিলার নাম বাবলি দেবী। তিনি পূর্ব দিল্লির কল্যাণপুরীর বাসিন্দা। ১৫ মার্চ উদ্ধার হয় বাবলির পচে যাওয়া দেহ। কিন্তু সেই সময় পুলিশ মৃতদেহর পরিচয় জানতে পারে না। ১৮ মার্চ পুলিশই দেহ সৎকার করে। দ্রুত গতিতে এগোতে থাকে তদন্ত। মৃতার পরিচয় জানতে মরিয়া পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও শেয়ার করেন। তখনই মৃতার মা, মেয়ে এবং ভগ্নিপতি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিশ্চিত করেন দেহটি বাবলিরই।
জানা যায়, নিহত মহিলার নাম বাবলি দেবী। তিনি পূর্ব দিল্লির কল্যাণপুরীর বাসিন্দা। ১৫ মার্চ উদ্ধার হয় বাবলির পচে যাওয়া দেহ। কিন্তু সেই সময় পুলিশ মৃতদেহর পরিচয় জানতে পারে না। ১৮ মার্চ পুলিশই দেহ সৎকার করে। দ্রুত গতিতে এগোতে থাকে তদন্ত। মৃতার পরিচয় জানতে মরিয়া পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও শেয়ার করেন। তখনই মৃতার মা, মেয়ে এবং ভগ্নিপতি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিশ্চিত করেন দেহটি বাবলিরই।
advertisement
4/7
বুলন্দশহরের পুলিশ সুপার শঙ্কর প্রসাদ জানান, “তদন্তে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত ৩২ বছর বয়সি বিকাশ কুমার বুলন্দশহরের বাসিন্দা। আগে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বাবলির প্রয়াত স্বামীর সঙ্গে কাজ করত এবং পরিবারের পরিচিত ছিল। প্রায় আড়াই বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বাবলির স্বামীর মৃত্যু হয়। তার পরই বাবলি আর বিকাশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দিল্লিতে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।''
বুলন্দশহরের পুলিশ সুপার শঙ্কর প্রসাদ জানান, “তদন্তে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্ত ৩২ বছর বয়সি বিকাশ কুমার বুলন্দশহরের বাসিন্দা। আগে দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে বাবলির প্রয়াত স্বামীর সঙ্গে কাজ করত এবং পরিবারের পরিচিত ছিল। প্রায় আড়াই বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বাবলির স্বামীর মৃত্যু হয়। তার পরই বাবলি আর বিকাশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দিল্লিতে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।''
advertisement
5/7
পুলিশের মতে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বিকাশ অন্য কাউকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তাঁদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বাবলি চাইতেন বিকাশ তাঁর সঙ্গেই থাকুক। কিন্তু রাজি ছিল না বিকাশ। এসপি জানান, “বাবলির তিন মেয়ে। তারা দিদিমার কাছে থাকে। ১৫ মার্চ বিকাশ বাবলিকে প্রলোভন দেখিয়ে বুলন্দশহরে নিজের গ্রামে নিয়ে যায়। তারা মোটরবাইকে সেখানে পৌঁছোয়।”
পুলিশের মতে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বিকাশ অন্য কাউকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তাঁদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বাবলি চাইতেন বিকাশ তাঁর সঙ্গেই থাকুক। কিন্তু রাজি ছিল না বিকাশ।এসপি জানান, “বাবলির তিন মেয়ে। তারা দিদিমার কাছে থাকে। ১৫ মার্চ বিকাশ বাবলিকে প্রলোভন দেখিয়ে বুলন্দশহরে নিজের গ্রামে নিয়ে যায়। তারা মোটরবাইকে সেখানে পৌঁছোয়।”
advertisement
6/7
পুলিশ জানায়, 

গ্রামে পৌঁছোনোর পর বিকাশ নাকি তার ভাই সচিন এবং বন্ধু অমন কুমারকে ডাকে। এর পর তারা মদ্যপান করে এবং একটি বনাঞ্চল এলাকায় জড়ো হয়। সেখানেই খুন করা হয় বাবলিকে। তার হাত-পা চেপে ধরে, ধারাল অস্ত্রের কোপে কেটে ফেলা হয় মাথা। বাবলির পরিচয় গোপন করতে মাথাটা ধর থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিকাশ গ্রামের একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয় এবং পরে গাজিয়াবাদের মুরাদনগরে ফিরে যায়।
পুলিশ জানায়,গ্রামে পৌঁছোনোর পর বিকাশ নাকি তার ভাই সচিন এবং বন্ধু অমন কুমারকে ডাকে। এর পর তারা মদ্যপান করে এবং একটি বনাঞ্চল এলাকায় জড়ো হয়। সেখানেই খুন করা হয় বাবলিকে। তার হাত-পা চেপে ধরে, ধারাল অস্ত্রের কোপে কেটে ফেলা হয় মাথা। বাবলির পরিচয় গোপন করতে মাথাটা ধর থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ফেলে দেওয়া হয়।ঘটনার পর বিকাশ গ্রামের একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয় এবং পরে গাজিয়াবাদের মুরাদনগরে ফিরে যায়।
advertisement
7/7
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে বিকাশ নিজে একটি নিখোঁজ ডায়েরিও দায়ের করেছিল।এসপি আরও জানান, “নজরদারির মাধ্যমে আমরা ঘটনাস্থলের কাছে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করি এবং তাকে মুরাদনগর থেকে গ্রেফতার করা হয়। অমনকে বুলন্দশহর থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। বাবলিকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত অস্ত্র, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং মোটরবাইক উদ্ধার করা হয়েছে। ‘খুন’ এবং ‘প্রমাণ নষ্ট করা’র অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। বিকাশ ও অমন দোষ স্বীকার করেছে। সচিনকে গ্রেফতারির চেষ্টা চলছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে বিকাশ নিজে একটি নিখোঁজ ডায়েরিও দায়ের করেছিল।এসপি আরও জানান, “নজরদারির মাধ্যমে আমরা ঘটনাস্থলের কাছে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করি এবং তাকে মুরাদনগর থেকে গ্রেফতার করা হয়। অমনকে বুলন্দশহর থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। বাবলিকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত অস্ত্র, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং মোটরবাইক উদ্ধার করা হয়েছে। ‘খুন’ এবং ‘প্রমাণ নষ্ট করা’র অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। বিকাশ ও অমন দোষ স্বীকার করেছে। সচিনকে গ্রেফতারির চেষ্টা চলছে।”
advertisement
advertisement
advertisement