ভাড়াটের সঙ্গে বাড়িওয়ালির প্রেম,পুত্রবধূর পরকীয়া ধরে ফেলেছিল শাশুড়ি, প্রতিশোধ নিতে যা করল বউমা,শুনলে শিউরে উঠবেন
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
বউমার পরকীয়া ধরে ফেলেছিলেন শাশুড়ি! তিনি কিছুতেই মানতে পারেননি তাঁরই ভাড়াটৈর সঙ্গে প্রেম চালিয়ে যাবে তাঁর পুত্রবধূ! বাধা দিয়েছিলেন! আর তার ফলই হল মারাত্মক!
advertisement
মৃতার নাম নির্মলা দেবী। পুলিশ জানায়, মৃতার হাত বাঁধা ছিল, গলায় ছিল আঘাতের চিহ্ন। মৃতার ছেলে ত্রিদেশের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল। তাদেরই ভাড়াটিয়া রাজনের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল রঞ্জনা। ত্রিদেশ কাজের সূত্রে বাইরে গেলে দেখা করত রঞ্জনা আর রাজন। বউমার অবৈধ সম্পর্কের কথা জেনে গিয়েছিলেন শাশুড়ি নির্মলা দেবী। তিনি বিরোধিতা করেন আর তাতেই কাল হল! ত্রিদেশের দাবি, '' মা রঞ্জনা রা রাজনের সম্পর্কের বিরোধিতা করায় তাঁকে খুন করা হয়েছে।''
advertisement
খুনের ঘটনায় রঞ্জনা ও রাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, নির্মলা দেবী লখনউয়ের নিশাতগঞ্জ এলাকায় তাঁদের দু’তলা বাড়ির নীচতলায় ছেলে ত্রিদেশ, পুত্রবধূ রঞ্জনা এবং তাঁদের তিন সন্তানের সঙ্গে থাকতেন। বাড়ির উপরের তলায় ভাড়া থাকত রাজন। শনিবার দুপুরে ত্রিদেশের ১৪ বছরের ছেলে আদিত্য নির্মলা দেবীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
advertisement
advertisement
তদন্তে জানা যায়, রঞ্জনার সঙ্গে রাজনের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। রঞ্জনার পরিবারের সদস্যরা এই সম্পর্কের কথা জানতেন এবং এর বিরোধিতা করেছিলেন! বাড়িতে হাজার অশান্তি হলেও রাজনকে ভুলতে পারেনি রঞ্জনা। ত্রিদেশের অভিযোগ,তিনি কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর রঞ্জনা ও রাজন দেখা করত! এই বিষয়টা তাঁর মা নির্মলা দেবী মেনে নিতে পারতেন না। সেই রাগেই শাশুড়িকে পরিকল্পনা করে খুন করে রঞ্জনা।
advertisement
ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফরেনসিক দল এবং ডগ। জানা যায়, স্নিফার ডগ বাড়িতে ঢুকেই সোজা রাজনের দিকে ছুটে যায়। পুলিশ রাজন ও রঞ্জনাকে আটক করেছে। প্রাথমিকভাবে রাজন জানায়, খুনের সময় সে বাড়িতে ছিল না! কিন্তু পুলিশ সূত্রে খবর, থানায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে অপরাধ স্বীকার করে।পুলিশের মতে, প্রায় তিন বছর ধরে রাজন ত্রিদেশের বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে থাকছিল। সেই বাড়িতে আসার কিছুদিনের মধ্যেই রঞ্জনা আর রাজন পরকীয়ায় মেতে ওঠে। এই নিয়ে ত্রিদেশ ও রঞ্জনার মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত।
advertisement
জানা যায়, নির্মলা দেবী সবসময় তাঁর ছেলের পক্ষ নিতেন! এতে রঞ্জনা আরও চটে যেত। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রায় তিন দিন আগে নির্মলা দেবী রঞ্জনার সঙ্গে ঝগড়া করেছিলেন এবং তিনি নিজেই রান্না করে খাবেন বলে জানান। এর পরই রঞ্জনা ও রাজন মিলে তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করে। অভিযোগ, তারা শাড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে নির্মলা দেবীকে খুন করে এবং তাঁর গয়না চুরি করে লুকিয়ে রাখে। এছাড়া, বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা পুলিশের সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে।








