advertisement

Mamata Banerjee at Supreme Court: ‘কোথাও বিচার পাচ্ছি না..,’ SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল মমতার, সোমবার পরবর্তী শুনানি

Last Updated:
আধারকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ কিন্তু, মমতা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চের এজলাসে অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গে তা গ্রহণ করা হচ্ছে না৷ বলেন, ‘‘বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কেস নিজের মতো খারিজ করে দেওয়া হোক। বিএলওদের সহযোগিতায়। রাজ্য কে বুলডোজ করছে কমিশন৷ অন্য রাজ্যের থেকে পশ্চিমবঙ্গে কমিশন আলাদা? সেভ ডেমোক্রেসি৷’’
1/6
নয়াদিল্লি: পরনে নীল পাড়া সাদা শাড়ি৷ গলায় জড়ানো কালো শাল৷ সুপ্রিম কোর্টে নিজের দায়ের করা SIR মামলায় কোর্টরুমে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের কথা তুলে ধরলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যাঁর এদিনের সওয়াল ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে৷ ফিরতি শীতেও গরম ছিল দিল্লির আবহাওয়া৷
নয়াদিল্লি: পরনে সবুজ পাড়া সাদা শাড়ি৷ গলায় জড়ানো কালো শাল৷ সুপ্রিম কোর্টে নিজের দায়ের করা SIR মামলায় কোর্টরুমে দাঁড়িয়ে নিজেই নিজের কথা তুলে ধরলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ যাঁর এদিনের সওয়াল ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে৷ ফিরতি শীতেও গরম ছিল দিল্লির আবহাওয়া৷
advertisement
2/6
প্রধান বিচারপতির এজলাসে ৩৭ নম্বরে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর মামলা৷ ১ নম্বর কোর্টরুমে দুপুর দেড়টা নাগাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলার শুনানি শুরু হয়৷ শুরুতেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের কাছে মমতা অনুমতি চান, ‘‘আমি কি বলতে পারি? কারণ আমি এই রাজ্যের।’’ অনুমতি মেলার পরে বলেন, ‘‘আমাদের আইনজীবীরা লড়াই করছেন। আমরা যখন কোথাওই জাস্টিস পাচ্ছি না, আমি ৬টা চিঠি লিখেছি। একটারও জবাব পাইনি। ’’
প্রধান বিচারপতির এজলাসে ৩৭ নম্বরে ছিল মুখ্যমন্ত্রীর মামলা৷ ১ নম্বর কোর্টরুমে দুপুর দেড়টা নাগাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলার শুনানি শুরু হয়৷ শুরুতেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের কাছে মমতা অনুমতি চান, ‘‘আমি কি বলতে পারি? কারণ আমি এই রাজ্যের।’’ অনুমতি মেলার পরে বলেন, ‘‘আমাদের আইনজীবীরা লড়াই করছেন। আমরা যখন কোথাওই জাস্টিস পাচ্ছি না, আমি ৬টা চিঠি লিখেছি। একটারও জবাব পাইনি। ’’
advertisement
3/6
মাননীয় আদালতের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরেন৷ ব্যাখ্যা করেন যে, এসআইআর-কে প্রায় সম্পূর্ণভাবে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে নারীরা বিয়ের পর পদবি পরিবর্তন করেছেন, যাঁরা বাড়ি পরিবর্তন করেছেন এবং যে দরিদ্র পরিবারগুলো ছোট ফ্ল্যাট কিনেছেন, তাঁদের নাম যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই বাদ দেওয়া হচ্ছে, যা পরে আদালতের নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করে ‘যৌক্তিক অসঙ্গতি’ বা ‘ভুল ম্যাপিং’-এর মধ্যে ফেলা হচ্ছে৷
মাননীয় আদালতের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরেন৷ ব্যাখ্যা করেন যে, এসআইআর-কে প্রায় সম্পূর্ণভাবে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে নারীরা বিয়ের পর পদবি পরিবর্তন করেছেন, যাঁরা বাড়ি পরিবর্তন করেছেন এবং যে দরিদ্র পরিবারগুলো ছোট ফ্ল্যাট কিনেছেন, তাঁদের নাম যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই বাদ দেওয়া হচ্ছে, যা পরে আদালতের নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করে ‘যৌক্তিক অসঙ্গতি’ বা ‘ভুল ম্যাপিং’-এর মধ্যে ফেলা হচ্ছে৷
advertisement
4/6
মমতা বলেন, ‘‘আপনি যখন লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দিতে বলেছেন, তখন সেই রায়কেও ভায়োলেট করেছে। ওরা অন‍্য নথির সঙ্গে আধার গ্রহণ করছে। আপনারা বলার পরও আধার গ্রহণ করছে না। একাধিক নথি গ্রহণ করছে না। বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে কেন এত তাড়াহুড়ো করে এসআইআর? একশোর বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। বিএলওরা মারা গিয়েছেন। ওরা লিখে গিয়েছেন৷ ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ অনেকে হাসপাতালে৷ কেন বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে? কেন অসমে করা হচ্ছে না? শুধুমাত্র বাংলায় কেন? শুধু হয়রানি জন্য এতকিছু?’’
মমতা বলেন, ‘‘এসআইআর প্রক্রিয়া শুধুমাত্র মুছে ফেলার জন্য। শুধু পদবিতেই অমিল নয়, স্যার...অপরিকল্পিত৷ মেয়েদের যখন বিয়ে হয়, তাদের পদবি বদলে যায়৷ আপনি যখন লজিক‍্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দিতে বলেছেন, তখন সেই রায়কেও ভায়োলেট করেছে। ওরা অন‍্য নথির সঙ্গে আধার গ্রহণ করছে। আপনারা বলার পরও আধার গ্রহণ করছে না। একাধিক নথি গ্রহণ করছে না। বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে কেন এত তাড়াহুড়ো করে এসআইআর? একশোর বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন। বিএলওরা মারা গিয়েছেন। ওরা লিখে গিয়েছেন৷ ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ অনেকে হাসপাতালে৷ কেন বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে? কেন অসমে করা হচ্ছে না? শুধুমাত্র বাংলায় কেন? শুধু হয়রানি জন্য এতকিছু?’’
advertisement
5/6
আধারকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ কিন্তু, মমতা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চের এজলাসে অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গে তা গ্রহণ করা হচ্ছে না৷ বলেন, ‘‘বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কেস নিজের মতো খারিজ করে দেওয়া হোক। বিএলওদের সহযোগিতায়। রাজ্য কে বুলডোজ করছে কমিশন৷ অন্য রাজ্যের থেকে পশ্চিমবঙ্গে কমিশন আলাদা? সেভ ডেমোক্রেসি৷’’
আধারকে বৈধ প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ কিন্তু, মমতা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চের এজলাসে অভিযোগ করেন পশ্চিমবঙ্গে তা গ্রহণ করা হচ্ছে না৷ বলেন, ‘‘বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কেস নিজের মতো খারিজ করে দেওয়া হোক। বিএলওদের সহযোগিতায়। রাজ্য কে বুলডোজ করছে কমিশন৷ অন্য রাজ্যের থেকে পশ্চিমবঙ্গে কমিশন আলাদা? সেভ ডেমোক্রেসি৷’’
advertisement
6/6
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চও জানায়, কোনও জীবিত ভোটার মৃত হিসাবে বাদ যাক, তা আদালত চায় না৷ কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতেও চায় না আদালত৷ বলেন, ‘‘ আমরা সমস্যার সমাধান সূত্র খুজে পাওয়ার প্রত্যাশা রাখছি৷’’ আগামী সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানি৷ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী চাইলে ফের আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য জানাতে পারেন বলেও জানিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চও জানায়, কোনও জীবিত ভোটার মৃত হিসাবে বাদ যাক, তা আদালত চায় না৷ কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতেও চায় না আদালত৷ বলেন, ‘‘ আমরা সমস্যার সমাধান সূত্র খুজে পাওয়ার প্রত্যাশা রাখছি৷’’ আগামী সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানি৷ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী চাইলে ফের আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজের বক্তব্য জানাতে পারেন বলেও জানিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি।
advertisement
advertisement
advertisement