advertisement
দেশের সুরক্ষা করতে গিয়ে শত্রুর হাতে আটক হয়েছিলেন। যুদ্ধবন্দি হওয়ার দু’দিন পর ঘরে ফিরলেন অভিনন্দন বর্তমান। শুক্রবার সকালে প্রথমে ইসলামাবাদ থেকে বিমানে লাহোরে আনা হয় তাঁকে । সেখান থেকে সড়কপথে ওয়াঘা রওনা হয় পাক রেঞ্জার্সের কনভয় । সঙ্গে ছিলেন এয়ার অ্যাটাশে জে ডি কুরিয়ন। অভিনন্দনকে নিয়ে ওয়াঘা সীমান্তে ঢোকে কনভয়। তারপর সীমান্তের কাস্টমস অফিসে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ। সেখানেই একপ্রস্থ শারীরিক পরীক্ষা হয় অভিনন্দনের। তাঁকে চা খেতে দেয় পাক রেঞ্জার্স। ফেরত দেওয়া হয় অভিনন্দনের সার্ভিস রিভলবারও।
advertisement
পাক রেঞ্জার্সের ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’-এর পরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করানো হয় অভিনন্দনকে । ওয়াঘা সীমান্তেই কেটে যায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ৷ ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রশ অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করতে হয়। তার জন্য প্রয়োজন বিস্তর নথিপত্র তৈরির কাজ। বন্দিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরানো হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতেই তৈরি হয় নথিপত্র!
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement









