Offbeat Spot: ডুয়ার্স থেকে মাত্র কয়েক মিনিট, পাহাড়ের কোলে নির্জনতায় সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটাতে চান? ঢুঁ মারুন পাহাড়ি গ্রাম 'মানঝিং'-এ, ফিরতে চাইবেন না গ্যারান্টি!

Last Updated:
Offbeat Spot: চোখের সামনে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি উপত্যকা, গভীর খাদ আর পাথরের গা বেয়ে বয়ে চলা চেল ও ঘিস নদীর ফেনিল জলরাশি—সব মিলিয়ে প্রকৃতি এখানে মন ছুঁয়ে যায়। এতদিন পর্যন্ত থাকার ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের রাত কাটানো সম্ভব ছিল না। তবে এবার সেই সমস্যারও সমাধান হয়েছে।
1/5
শহুরে জীবন মানেই ব্যস্ততা, শব্দ আর নিরন্তর ছোটাছুটি। এই শীতে যদি সেই একঘেয়েমি থেকে একটু দূরে, পাহাড়ের কোলে নির্জনতায় কয়েকটা দিন কাটাতে চান, তবে আপনার গন্তব্য হতে পারে পাহাড়ি অচেনা গ্রাম 'মানঝিং'। চেনা-জানা পাহাড়ি পর্যটন কেন্দ্রের বাইরে ভিন্ন স্বাদের খোঁজে যাঁরা বেরোন, তাঁদের কাছে অফবিট ডেস্টিনেশন হিসেবে ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছে এই পাহাড়ি গ্রাম।
শহুরে জীবন মানেই ব্যস্ততা, শব্দ আর নিরন্তর ছোটাছুটি। এই শীতে যদি সেই একঘেয়েমি থেকে একটু দূরে, পাহাড়ের কোলে নির্জনতায় কয়েকটা দিন কাটাতে চান, তবে আপনার গন্তব্য হতে পারে পাহাড়ি অচেনা গ্রাম 'মানঝিং'। চেনা-জানা পাহাড়ি পর্যটন কেন্দ্রের বাইরে ভিন্ন স্বাদের খোঁজে যাঁরা বেরোন, তাঁদের কাছে অফবিট ডেস্টিনেশন হিসেবে ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছে এই পাহাড়ি গ্রাম।
advertisement
2/5
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৭০০ ফুট উচ্চতায় কালিম্পং জেলার গরুবাথান ব্লকে অবস্থিত মানঝিং। মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি চৌরাস্তার মোড় থেকে উত্তরের পিচ রাস্তা ধরে পাথরঝোড়া চা বাগান পেরিয়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরেই এই শান্ত গ্রাম। এখানে সারাদিন মেঘ আর রোদের লুকোচুরি চলে। হিমেল হাওয়ার পরশে পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে, পাইনের সারির পাশে বসে এক কাপ গরম চা-ই হয়ে উঠতে পারে দিনের সেরা উপহার
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৭০০ ফুট উচ্চতায় কালিম্পং জেলার গরুবাথান ব্লকে অবস্থিত মানঝিং। মাল ব্লকের ওদলাবাড়ি চৌরাস্তার মোড় থেকে উত্তরের পিচ রাস্তা ধরে পাথরঝোড়া চা বাগান পেরিয়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরেই এই শান্ত গ্রাম। এখানে সারাদিন মেঘ আর রোদের লুকোচুরি চলে। হিমেল হাওয়ার পরশে পাহাড়ি পথে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে, পাইনের সারির পাশে বসে এক কাপ গরম চা-ই হয়ে উঠতে পারে দিনের সেরা উপহার।
advertisement
3/5
চোখের সামনে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি উপত্যকা, গভীর খাদ আর পাথরের গা বেয়ে বয়ে চলা চেল ও ঘিস নদীর ফেনিল জলরাশি সব মিলিয়ে প্রকৃতি এখানে মন ছুঁয়ে যায়। এতদিন পর্যন্ত থাকার ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের রাত কাটান সম্ভব ছিল না। তবে এবার সেই সমস্যারও সমাধান হয়েছে।
চোখের সামনে বিস্তীর্ণ পাহাড়ি উপত্যকা, গভীর খাদ আর পাথরের গা বেয়ে বয়ে চলা চেল ও ঘিস নদীর ফেনিল জলরাশি সব মিলিয়ে প্রকৃতি এখানে মন ছুঁয়ে যায়। এতদিন পর্যন্ত থাকার ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের রাত কাটানো সম্ভব ছিল না। তবে এবার সেই সমস্যারও সমাধান হয়েছে।
advertisement
4/5
নেপালি চলচ্চিত্র ও নাট্য জগতের অভিনেতা তথা মানঝিংয়ের ভূমিপুত্র বিক্রম পরাজুলির উদ্যোগে গ্রামে চালু হয়েছে প্রথম হোম স্টে। একসঙ্গে ১৫ জনের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা গরম জল, সারাদিন গরম চা আর অর্গানিক খাবার—সব মিলিয়ে মাথাপিছু খরচ মাত্র ১২০০ টাকা। লোকাল গাইডের সঙ্গে ট্রেকিং, স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগও থাকছে।
নেপালি চলচ্চিত্র ও নাট্য জগতের অভিনেতা তথা মানঝিংয়ের ভূমিপুত্র বিক্রম পরাজুলির উদ্যোগে গ্রামে চালু হয়েছে প্রথম হোম স্টে। একসঙ্গে ১৫ জনের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা, ২৪ ঘণ্টা গরম জল, সারাদিন গরম চা আর অর্গানিক খাবার—সব মিলিয়ে মাথাপিছু খরচ মাত্র ১২০০ টাকা। লোকাল গাইডের সঙ্গে ট্রেকিং, স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগও থাকছে।
advertisement
5/5
পর্যটনের হাত ধরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে মানঝিং। আর ছুটিতে নির্জন পাহাড়ে কিছুটা নিজের মতো করে সময় কাটাতে চাইলে, এই গ্রামই হতে পারে আপনার পরবর্তী ঠিকানা।
পর্যটনের হাত ধরে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে মানঝিং। আর ছুটিতে নির্জন পাহাড়ে কিছুটা নিজের মতো করে সময় কাটাতে চাইলে, এই গ্রামই হতে পারে আপনার পরবর্তী ঠিকানা।
advertisement
advertisement
advertisement