advertisement

Weekend Trip: বাংলার বীরত্বের ইতিহাসের সাক্ষী, গ্রীষ্মের ছুটিতে ঘুরে আসুন 'এই' মন্দির নগরী

Last Updated:
Weekend Trip: বিষ্ণুপুরের স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন হল জোড়বাংলা মন্দির। দুটো একচালা ঘর যোগ করে দিলে যেরকম হয়, জোড়বাংলা মন্দির সেইরকম। ১৬৫৫ সালে মল্লরাজ রঘুনাথ সিং মন্দির নির্মাণ করেন।
1/6
*গ্রীষ্মের ছুটিতে ঘুরে আসুন মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর। ভয়ঙ্কর সুন্দর একটি ছোট্ট শহর। ইতিহাস এবং সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
*গ্রীষ্মের ছুটিতে ঘুরে আসুন মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর। ভয়ঙ্কর সুন্দর একটি ছোট্ট শহর। ইতিহাস এবং সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
advertisement
2/6
*প্রথমেই রয়েছে গড় দরজা। পাশেই রয়েছে বীর হাম্বির উদ্যান। এই ঘর দরজায় ছিল মল্লভূমিতে প্রবেশ করার মুখ্য দরজা, বেষ্টিত ছিল জল দ্বারা।
*প্রথমেই রয়েছে গড় দরজা। পাশেই রয়েছে বীর হাম্বির উদ্যান। এই ঘর দরজায় ছিল মল্লভূমিতে প্রবেশ করার মুখ্য দরজা, বেষ্টিত ছিল জল দ্বারা।
advertisement
3/6
*বিষ্ণুপুরের স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন হল জোড়বাংলা মন্দির। দুটো একচালা ঘর যোগ করে দিলে যেরকম হয়, জোড়বাংলা মন্দির সেইরকম। ১৬৫৫ সালে মল্লরাজ রঘুনাথ সিং মন্দির নির্মাণ করেন।
*বিষ্ণুপুরের স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন হল জোড়বাংলা মন্দির। দুটো একচালা ঘর যোগ করে দিলে যেরকম হয়, জোড়বাংলা মন্দির সেইরকম। ১৬৫৫ সালে মল্লরাজ রঘুনাথ সিং মন্দির নির্মাণ করেন।
advertisement
4/6
*অনলাইনে টিকিট কাটলে ২০ টাকা, অফলাইনে কাটলে ২৫ টাকা। মোট তিনটি মন্দির ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকেরা এই টিকিটের মাধ্যমে। তবে রাসমঞ্চ, জোর বাংলা এবং শ্যামরায় মন্দির ছাড়াও রয়েছে একটি দারুণ উদ্যান। এই উদ্যানের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সময় কাটাতে পারবেন।
*অনলাইনে টিকিট কাটলে ২০ টাকা, অফলাইনে কাটলে ২৫ টাকা। মোট তিনটি মন্দির ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকেরা এই টিকিটের মাধ্যমে। তবে রাসমঞ্চ, জোর বাংলা এবং শ্যামরায় মন্দির ছাড়াও রয়েছে একটি দারুণ উদ্যান। এই উদ্যানের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সময় কাটাতে পারবেন।
advertisement
5/6
*জানেন এই কামান রুখে দিয়েছিল বর্গীদের। রুখে দিয়েছিল বলা ভুল হবে একপ্রকার মুছে দিয়েছিল বর্গীদের। বাংলার এই বিশাল কামান আজও বীরত্বের ইতিহাস বহন করে চলেছে। রয়েছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরে।
*জানেন এই কামান রুখে দিয়েছিল বর্গীদের। রুখে দিয়েছিল বলা ভুল হবে একপ্রকার মুছে দিয়েছিল বর্গীদের। বাংলার এই বিশাল কামান আজও বীরত্বের ইতিহাস বহন করে চলেছে। রয়েছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরে।
advertisement
6/6
*সময়টা তখন অষ্টাদশ শতক। চলছে ঘোর যুদ্ধবিগ্রহ। বর্গীদের ভয়ে দরজা জানালা বন্ধ করে রাখতেন স্থানীয়রা। এমনই কথিত আছে যে বর্গীদের হামলায় হামলাকারী আক্রমণের সামনে বিষ্ণুপুরের সেনাবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। তৎকালীন মল্লরাজ গোপাল সিংহ, তার হার তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ঈশ্বরের ওপর ভরসা রেখে তখন উপাসনা করছিলেন রাজা নিজেই। তারপরই দলমাদল কামান থেকে ধেয়ে আসতে থাকে একের পর এক গোলা।
*সময়টা তখন অষ্টাদশ শতক। চলছে ঘোর যুদ্ধবিগ্রহ। বর্গীদের ভয়ে দরজা জানালা বন্ধ করে রাখতেন স্থানীয়রা। এমনই কথিত আছে যে বর্গীদের হামলায় হামলাকারী আক্রমণের সামনে বিষ্ণুপুরের সেনাবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। তৎকালীন মল্লরাজ গোপাল সিংহ, তার হার তখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ঈশ্বরের ওপর ভরসা রেখে তখন উপাসনা করছিলেন রাজা নিজেই। তারপরই দলমাদল কামান থেকে ধেয়ে আসতে থাকে একের পর এক গোলা।
advertisement
advertisement
advertisement