advertisement

Weekend Trip: ৩ দিন ছুটি? ঘুরে আসতে পারেন এই তিন পাহাড় থেকে! শহর থেকে দূরে, ছুটি কাটবে আরাম আয়েশ করে

Last Updated:
Weekend Trip: বাঁকুড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা বরদি পাহাড়, ঐতিহাসিক শুশুনিয়া পাহাড় ও রহস্যময় মশক পাহাড় ঘুরে দেখুন। প্রাচীন মন্দির, গুহা, পাহাড়ি দৃশ্য ও ট্রেকিংয়ের আনন্দ উপভোগ করুন উইকএন্ড ভ্রমণে
1/7
ছোট ছোট পাহাড় এবং টিলা খচিত বাঁকুড়া। বাঁকুড়া জেলায় রয়েছে একাধিক পাহাড়। প্রতিটা পাহাড় রয়েছে বিভিন্ন গল্প এবং বিভিন্ন ইতিহাস। ঘুরে দেখার জায়গাও আলাদা আলাদা। পাহাড় প্রেমীরা অবশ্যই আসুন বাঁকুড়া জেলায়।
ছোট ছোট পাহাড় এবং টিলাখচিত বাঁকুড়া। বাঁকুড়া জেলায় রয়েছে একাধিক পাহাড়। প্রতিটা পাহাড় রয়েছে বিভিন্ন গল্প এবং বিভিন্ন ইতিহাস। ঘুরে দেখার জায়গাও আলাদা আলাদা। পাহাড় প্রেমীরা অবশ্যই আসুন বাঁকুড়ায়।
advertisement
2/7
কংসাবতী নদীর পাশে একটা সুন্দর ছোট্ট পাহাড়। শাল মহুয়ার জঙ্গলে ঘেরা বাঁকুড়ার সারেঙ্গা এই বড়দি পাহাড় তলিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সূর্যাস্ত দেখতে অনেকে আসেন। বাঁকুড়া জেলার এটি একটি আপেক্ষিক ভাবে নতুন পর্যটনকেন্দ্র হল বরদি পাহাড়। পাহাড় নয়, এটি একটি ছোট টিলা।
কংসাবতী নদীর পাশে একটা সুন্দর ছোট্ট পাহাড়। শাল মহুয়ার জঙ্গলে ঘেরা বাঁকুড়ার সারেঙ্গা এই বড়দি পাহাড় তলিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সূর্যাস্ত দেখতে অনেকে আসেন। বাঁকুড়া জেলার এটি একটি আপেক্ষিক ভাবে নতুন পর্যটনকেন্দ্র হল বরদি পাহাড়। পাহাড় নয়, এটি একটি ছোট টিলা।
advertisement
3/7
বাঁকুড়া থেকে রাইপুরের রাস্তায় পড়ে পিড়রগাড়ি মোড়। সেখান থেকে খাতড়া যাওয়ার রাস্তায় ছ’কিমি দূরে চুয়াগাড়া মোড়। ওই মোড় থেকে চার কিলোমিটার গেলেই পাওয়া যাবে নেতুরপুর পঞ্চায়েতের কালাপাথর গ্রাম লাগোয়া বড়দি পাহাড়।
বাঁকুড়া থেকে রাইপুরের রাস্তায় পড়ে পিড়রগাড়ি মোড়। সেখান থেকে খাতড়া যাওয়ার রাস্তায় ছ’কিমি দূরে চুয়াগাড়া মোড়। ওই মোড় থেকে চার কিলোমিটার গেলেই পাওয়া যাবে নেতুরপুর পঞ্চায়েতের কালাপাথর গ্রাম লাগোয়া বড়দি পাহাড়।
advertisement
4/7
শুশুনিয়া পাহাড় রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। পাহাড়ের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সবুজের টানে সারা বছর দূর দূরান্তের পর্যটকরা ঘুরতে আসেন।
শুশুনিয়া পাহাড় রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। পাহাড়ের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সবুজের টানে সারা বছর দূর দূরান্তের পর্যটকরা ঘুরতে আসেন।
advertisement
5/7
স্থানীয় বাসিন্দা বিধান বলেন,
স্থানীয় বাসিন্দা বিধান বলেন, "বাঁকুড়া শুশুনিয়া পাহাড় এবং পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ছোট ছোট প্রচুর ঘুরে দেখার জায়গা। বর্ষা শেষের মুখে এবং পুজো আসার আগে ফাঁকাই থাকে শুশুনিয়া পাহাড়।"
advertisement
6/7
১১২ ফুট উঁচু এই মশক পাহাড়ের ওপরে আছে পুরনো শিব মন্দির, কালী মন্দির, ও অনেক পুরনো পাহাড়ি গুহা। কথিত আছে এই পাহাড়ের ঘুহায় বিরূপাক্ষ নামের এক মুনি বাস করতেন , যিনি মুলত এখানে তপস্যা করতেন।
১১২ ফুট উঁচু এই মশক পাহাড়ের ওপরে আছে পুরনো শিব মন্দির, কালী মন্দির, ও অনেক পুরনো পাহাড়ি গুহা। কথিত আছে এই পাহাড়ের ঘুহায় বিরূপাক্ষ নামের এক মুনি বাস করতেন , যিনি মুলত এখানে তপস্যা করতেন।
advertisement
7/7
পাহাড়ের উপরে রয়েছে গুহা। বাঁকুড়া থেকে মশক পাহাড় ৪৮.৪ কিমি। বাঁকুড়া থেকে যাত্রা শুরু করে - ইন্দপুর বাংলা হয়ে - খাতড়া - মশক পাহাড়। মশক পাহাড়ের কাছে গিয়ে আপনি দেখতে পাবেন লম্বা শালগাছে ঘেরা মশক পাহাড়। তারপর কিছুটা ওপরের দিকে উঠলে বুঝতে পারবেন, রয়েছে পাথরের প্রাকৃতিক সিঁড়ি।
পাহাড়ের উপরে রয়েছে গুহা।বাঁকুড়া থেকে মশক পাহাড় ৪৮.৪ কিমি। বাঁকুড়া থেকে যাত্রা শুরু করে - ইন্দপুর বাংলা হয়ে - খাতড়া - মশক পাহাড়। মশক পাহাড়ের কাছে গিয়ে আপনি দেখতে পাবেন লম্বা শালগাছে ঘেরা মশক পাহাড়। তারপর কিছুটা ওপরের দিকে উঠলে বুঝতে পারবেন, রয়েছে পাথরের প্রাকৃতিক সিঁড়ি।
advertisement
advertisement
advertisement