advertisement

Rajasthani Sweet Ghevar: বিরাট বড় ফুটো ফুটো মিষ্টি! বাংলার বুকে রাজস্থানের মিঠা স্বাদ ঘেওয়ার, পুরো ঘিয়ে ভাজা মিষ্টির দাম মাত্র ৫০ টাকা

Last Updated:
Purulia News: ঐতিহ্য ও নতুনত্বের মেলবন্ধনে তৈরি এই বিশেষ ঘেওয়ার ইতিমধ্যেই কাশীপুর এলাকার মিষ্টিপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
1/6
পুরুলিয়ায় নতুন স্বাদের ঘেওয়ার মিষ্টি এখন সকলের নজর কেড়েছে। যা মৌচাকের মত ছিদ্রযুক্ত, চাকতি-আকৃতির দেখতে। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে চাকলা করে কাটা মৌচাক। কিন্তু আসলে এটি একটি মিষ্টি। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
পুরুলিয়ায় নতুন স্বাদের ঘেওয়ার মিষ্টি এখন সকলের নজর কেড়েছে। যা মৌচাকের মত ছিদ্রযুক্ত, চাকতি-আকৃতির দেখতে। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে চাকলা করে কাটা মৌচাক। কিন্তু আসলে এটি একটি মিষ্টি। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
2/6
পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরের একটি মিষ্টির দোকানে মিলছে এই অভিনব ঘেওয়ার। আকারে বড় ও দেখতে আকর্ষণীয় এই মিষ্টিটি যেমন চোখে পড়ার মত, তেমনই স্বাদেও অতুলনীয়। ঐতিহ্য ও নতুনত্বের মেলবন্ধনে তৈরি এই বিশেষ ঘেওয়ার ইতিমধ্যেই কাশীপুর এলাকার মিষ্টিপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। রাজস্থানের প্রসিদ্ধ এই মিষ্টান্ন এখন পুরুলিয়াতেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দোকানে প্রতি পিস ঘেওয়ার বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরের একটি মিষ্টির দোকানে মিলছে এই অভিনব ঘেওয়ার। আকারে বড় ও দেখতে আকর্ষণীয় এই মিষ্টিটি যেমন চোখে পড়ার মত, তেমনই স্বাদেও অতুলনীয়। ঐতিহ্য ও নতুনত্বের মেলবন্ধনে তৈরি এই বিশেষ ঘেওয়ার ইতিমধ্যেই কাশীপুর এলাকার মিষ্টিপ্রেমীদের মধ্যে আলাদা কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। রাজস্থানের প্রসিদ্ধ এই মিষ্টান্ন এখন পুরুলিয়াতেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দোকানে প্রতি পিস ঘেওয়ার বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
3/6
ঘেওয়ার তার স্বাদের পাশাপাশি তৈরির পদ্ধতির জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। প্রথমে দুধ ও ময়দা দিয়ে একটি পাতলা মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এরপর সেই মিশ্রণ বিশেষ কায়দায় ঘিয়ে ভাজা হয়, যাতে মৌচাকের মতো ছিদ্রযুক্ত গঠন তৈরি হয়। ভাজার পর সেটিকে চিনির রসে ভিজিয়ে রাখা হয় এবং ওপরে দেওয়া হয় মেওয়ার আস্তরণ, যা ঘেওয়ারকে আরও সুস্বাদু করে তোলে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
ঘেওয়ার তার স্বাদের পাশাপাশি তৈরির পদ্ধতির জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। প্রথমে দুধ ও ময়দা দিয়ে একটি পাতলা মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এরপর সেই মিশ্রণ বিশেষ কায়দায় ঘিয়ে ভাজা হয়, যাতে মৌচাকের মতো ছিদ্রযুক্ত গঠন তৈরি হয়। ভাজার পর সেটিকে চিনির রসে ভিজিয়ে রাখা হয় এবং ওপরে দেওয়া হয় মেওয়ার আস্তরণ, যা ঘেওয়ারকে আরও সুস্বাদু করে তোলে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
4/6
এই মিষ্টির কারিগর ও দোকান ব্যবসায়ী অরুণ কুমার শর্মা জানান,
এই মিষ্টির কারিগর ও দোকান ব্যবসায়ী অরুণ কুমার শর্মা জানান, "শীতকাল এলেই ঘেওয়ার-এর চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। রাজস্থানে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই মিষ্টান্ন এখন এখানকার মানুষও বেশ পছন্দ করছেন।" (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
5/6
ঘেওয়ার-এর ইতিহাসও বেশ প্রাচীন। কথিত আছে, বহু শতাব্দী আগে মুঘলদের হাত ধরেই এই মিষ্টি এদেশে প্রবেশ করে। মধ্যপ্রাচ্যের রাঁধিয়েরা মুঘল হেঁশেলে এই মিঠাই তৈরি করতেন এবং সেখান থেকেই তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই তথ্য অনুমানভিত্তিক। আরেকটি মত অনুযায়ী, ঘেওয়ার-এর প্রকৃত জন্মস্থান রাজস্থান। সেখান থেকে এটি পরে হরিয়ানা, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
ঘেওয়ার-এর ইতিহাসও বেশ প্রাচীন। কথিত আছে, বহু শতাব্দী আগে মুঘলদের হাত ধরেই এই মিষ্টি এদেশে প্রবেশ করে। মধ্যপ্রাচ্যের রাঁধিয়েরা মুঘল হেঁশেলে এই মিঠাই তৈরি করতেন এবং সেখান থেকেই তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এই তথ্য অনুমানভিত্তিক। আরেকটি মত অনুযায়ী, ঘেওয়ার-এর প্রকৃত জন্মস্থান রাজস্থান। সেখান থেকে এটি পরে হরিয়ানা, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
6/6
পুরুলিয়ার কাশীপুরে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির আগমন নিঃসন্দেহে মিষ্টিপ্রেমীদের জন্য এক নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
পুরুলিয়ার কাশীপুরে এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির আগমন নিঃসন্দেহে মিষ্টিপ্রেমীদের জন্য এক নতুন স্বাদের অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
advertisement
advertisement