Tourist Attractions: এবারে চিলাপাতা এলে জানতে পারবেন এক চমকে দেওয়া ইতিহাস! নিজেরই বিশ্বাস হবে না

Last Updated:
Tourist Attractions: গুপ্ত যুগের তৈরি নল রাজার গড়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাচীন ইতিহাস। আলিপুরদুয়ার জেলার এই সুপ্রাচীন স্থানকে জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্য কোমর বেঁধেছে আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটি ও জলদাপাড়া বন বিভাগ। 
1/5
নল রাজার গড়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাচীন ইতিহাস। এই প্রাচীন স্থানকে জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্য কোমর বেঁধেছে আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটি এবং জলদাপাড়া বন বিভাগ।
নল রাজার গড়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাচীন ইতিহাস। এই প্রাচীন স্থানকে জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্য কোমর বেঁধেছে আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটি এবং জলদাপাড়া বন বিভাগ।
advertisement
2/5
চিলাপাতার জঙ্গলের মাঝে রয়েছে নল রাজার গড়ের ধ্বংসস্তূপ। চিলাপাতা এলাকায় প্রতি সময় পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। নল রাজার গড়ের ইতিহাস তাদের কাছে তুলে ধরতে চাইছেন আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটির সদস্যরা।
চিলাপাতার জঙ্গলের মাঝে রয়েছে নল রাজার গড়ের ধ্বংসস্তূপ। চিলাপাতা এলাকায় প্রতিসময় পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। নল রাজার গড়ের ইতিহাস তাদের কাছে তুলে ধরতে চাইছেন আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটির সদস্যরা।
advertisement
3/5
জানা গিয়েছে গুপ্ত যুগে নল রাজার আদেশে এই দুর্গ তৈরি হয়েছিল।কম্বট জয়ের উদ্দেশ্যে যখন রাজা যাত্রা করেছিলেন তখন তিনি এই দুর্গে ছিলেন। এই দুর্গে নৌ বন্দর ছিল বলে জানা যায়।
জানা গিয়েছে গুপ্ত যুগে নল রাজার আদেশে এই দুর্গ তৈরি হয়েছিল। কম্বট জয়ের উদ্দেশ্যে যখন রাজা যাত্রা করেছিলেন তখন তিনি এই দুর্গে ছিলেন। এই দুর্গে নৌ বন্দর ছিল বলে জানা যায়।
advertisement
4/5
নল রাজার গড়ের সঙ্গে আরও কোনও ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে কী না তা নিয়ে গবেষণা করবে আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটির সদস্য সহ আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। হেরিটেজ সোসাইটির পক্ষ থেকে সুমন কাঞ্জিলাল জানান,
নল রাজার গড়ের সঙ্গে আরও কোনও ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে কী না তা নিয়ে গবেষণা করবে আলিপুরদুয়ার হেরিটেজ সোসাইটির সদস্য সহ আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।হেরিটেজ সোসাইটির পক্ষ থেকে সুমন কাঞ্জিলাল জানান, "নল রাজার গড়ের রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। পর্যটক সহ ইতিহাস প্রেমীরা এই স্থান সম্পর্কে জানতে পারবেন।"
advertisement
5/5
জলদাপাড়া বন বিভাগের ডিএফও প্রবীণ কাসওয়ান জানান,
জলদাপাড়া বন বিভাগের ডিএফও প্রবীণ কাসওয়ান জানান, "জলদাপাড়া জঙ্গলের মাঝে এই ঐতিহাসিক স্থান পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠুক তা আমাদের সকলের চাওয়া। এর জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।"
advertisement
advertisement
advertisement