Healthy Tips: পেটের রোগের যম! বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ শক্তি! ৭০% ভারতীয়র শরীরেই ঘাটতি! ভুলবেন না এই পুষ্টিকে!
- Written by:Bangla Digital Desk
- news18 bangla
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Healthy Tips: ৭০% ভারতীয় পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করেন না, যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ফ্যাটি লিভার এবং ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। আমাদের শরীরের প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবারের প্রয়োজন। চিনি এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্যও ফাইবারের সঠিক ভারসাম্য অপরিহার্য।
advertisement
আধুনিক খাদ্যাভ্যাস প্রক্রিয়াজাত খাবার, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং তাৎক্ষণিক খাবারের উপর নির্ভর করে। আমরা অজান্তেই আমাদের খাদ্যতালিকা থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হারিয়ে ফেলছি। সেই পুষ্টি উপাদান হল ফাইবার। ফাইবার আমাদের পেটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর ঘাটতি অনেক গুরুতর সমস্যার কারণ হতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে এবং এই ঘাটতি সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায়।
advertisement
দিল্লির ফোর্টিস বসন্ত কুঞ্জের সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডঃ শুভম ভাটস তার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি কিছু চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন। ডঃ ভাটস বলেছেন যে প্রায় ৭০% ভারতীয় তাদের দৈনন্দিন ফাইবারের চাহিদা পূরণ করছেন না। মানুষের খাবারের প্লেটে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারের অভাব রয়েছে এবং এই ঘাটতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। লোকেরা প্রায়শই ফাইবারকে কেবল একটি খাদ্যতালিকাগত উপাদান হিসাবে ভাবে, কিন্তু এটি আসলে আমাদের বিপাকের ভিত্তি। ফাইবারের এই অভাব কেবল আমাদের হজমশক্তিকে ব্যাহত করছে না বরং অল্প বয়সেই আমাদের গুরুতর রোগের ঝুঁকিতে ফেলছে।
advertisement
বেশিরভাগ ভারতীয়ই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ফাইবারের ঘাটতি অনুভব করছেন, যার ফলে গুরুতর পরিণতি হচ্ছে। এই ঘাটতি কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য বিপাকীয় রোগের দ্রুত বিস্তার ঘটাচ্ছে। ফাইবার একটি মৌলিক বিপাকীয় প্রয়োজনীয়তা। যদি আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার গ্রহণ শুরু করি, তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটের সমস্যার মতো অনেক রোগ প্রায় সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে।
advertisement
আমাদের প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার গ্রহণের লক্ষ রাখা উচিত। এটি পরিপূরক নয় বরং শাকসবজি, ফল এবং গোটা শস্যের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া উচিত। এই পরিমাণ আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার এবং শক্তির মাত্রা বজায় রাখার জন্য যথেষ্ট। প্রায়ই, মানুষ মনে করে যে তারা যথেষ্ট পরিমাণে খাচ্ছে, কিন্তু যখন ফাইবার গ্রহণের হিসাব করা হয়, তখন দেখা যায় যে এটি প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে অনেক কম।
advertisement
বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেছেন যে ফাইবার দুই ধরণের: দ্রবণীয় ফাইবার এবং অদ্রবণীয় ফাইবার। দ্রবণীয় ফাইবার মূলত আপেল, ওটস, মটরশুটি, আস্ত মুগ ডাল এবং তিসির বীজে পাওয়া যায়। এই ফাইবার জল শোষণ করে এবং জেলের মতো পদার্থ তৈরি করে। এর প্রধান কাজ হল পিত্ত এবং চর্বিকে আবদ্ধ করা, যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো এবং রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা। এটি হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে।
advertisement
অদ্রবণীয় ফাইবার বাজরা, জোয়ার, বাঁধাকপি, গাজর এবং গোটা শস্যের মতো সবজিতে পাওয়া যায়। ডঃ ভ্যাটস এটিকে অন্ত্রের জন্য একটি প্রাকৃতিক ব্রাশ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এই ফাইবার আমাদের অন্ত্রের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করে এবং বর্জ্য সহজেই বের করে দিতে সাহায্য করে। যদি আপনি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য বা অনিয়মিত মলত্যাগের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে অদ্রবণীয় ফাইবার হল এর নিখুঁত সমাধান।








