advertisement

Picnic: শীতের শেষবেলায় অফবিট পিকনিক স্পট খুঁজছেন? আপনার জন্য রইল পাহাড় ঘেরা সেরা ঠিকানা

Last Updated:
শীতের শেষবেলায় ডুয়ার্সে বনভোজন! নতুন বছরের প্রথম মাস শেষের পথে। জানুয়ারির হালকা শীত, নীল আকাশ আর রোদ–ছায়ার খেলায় অনেকেই খুঁজছেন শান্ত কোনও পিকনিক স্পট।
1/5
শীতের শেষবেলায় ডুয়ার্সে বনভোজন! নতুন বছরের প্রথম মাস শেষের পথে। জানুয়ারির হালকা শীত, নীল আকাশ আর রোদ–ছায়ার খেলায় অনেকেই খুঁজছেন শান্ত কোনও পিকনিক স্পট। ভিড় ঠাসা পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং প্রকৃতির কোলে একটু নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে ডুয়ার্সের এই ৫টি অফবিট পিকনিক স্পট হতে পারে আদর্শ ঠিকানা। চেল নদীর তীর: (পাপড়খেতি সংলগ্ন)ডুয়ার্সের পাপড়খেতির নীচে বয়ে চলা চেল নদীর তীর এখন ট্রেন্ডিং হলেও এখনও ভিড়মুক্ত। স্বচ্ছ নদীর জল, পাথরের ওপর বসে গল্প আর দূরে পাহাড়ের নীল ছায়া—পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে একদিন কাটানোর জন্য একেবারে পারফেক্ট।
শীতের শেষবেলায় ডুয়ার্সে বনভোজন! নতুন বছরের প্রথম মাস শেষের পথে। জানুয়ারির হালকা শীত, নীল আকাশ আর রোদ–ছায়ার খেলায় অনেকেই খুঁজছেন শান্ত কোনও পিকনিক স্পট। ভিড় ঠাসা পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং প্রকৃতির কোলে একটু নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে ডুয়ার্সের এই ৫টি অফবিট পিকনিক স্পট হতে পারে আদর্শ ঠিকানা। চেল নদীর তীর: (পাপড়খেতি সংলগ্ন)ডুয়ার্সের পাপড়খেতির নীচে বয়ে চলা চেল নদীর তীর এখন ট্রেন্ডিং হলেও এখনও ভিড়মুক্ত। স্বচ্ছ নদীর জল, পাথরের ওপর বসে গল্প আর দূরে পাহাড়ের নীল ছায়া—পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে একদিন কাটানোর জন্য একেবারে পারফেক্ট।
advertisement
2/5
জলঢাকা নদীর তীর: নদীর কুলকুল শব্দ, ঠান্ডা মিঠে বাতাস আর পাহাড়ঘেরা পরিবেশ মন কেড়ে নেবে মুহূর্তেই। পাখির কিচিরমিচিরে ভরা এই জায়গা একবার এলে স্মৃতিতে থেকে যাবে বহুদিন।
জলঢাকা নদীর তীর:নদীর কুলকুল শব্দ, ঠান্ডা মিঠে বাতাস আর পাহাড়ঘেরা পরিবেশ মন কেড়ে নেবে মুহূর্তেই। পাখির কিচিরমিচিরে ভরা এই জায়গা একবার এলে স্মৃতিতে থেকে যাবে বহুদিন।
advertisement
3/5
ছাওয়াফেলি গ্রাম (লাটাগুড়ির ভিতরে): লাটাগুড়ি ছাড়িয়ে একটু ভিতরে ঢুকলেই সবুজ চাদরে মোড়া ছাওয়াফেলি। লোকসমাগম কম, চারদিকে নিস্তব্ধতা। যাঁরা কোলাহল থেকে দূরে শান্ত পরিবেশে বনভোজন চান, তাঁদের জন্য আদর্শ।
ছাওয়াফেলি গ্রাম (লাটাগুড়ির ভিতরে):লাটাগুড়ি ছাড়িয়ে একটু ভিতরে ঢুকলেই সবুজ চাদরে মোড়া ছাওয়াফেলি। লোকসমাগম কম, চারদিকে নিস্তব্ধতা। যাঁরা কোলাহল থেকে দূরে শান্ত পরিবেশে বনভোজন চান, তাঁদের জন্য আদর্শ।
advertisement
4/5
গাহুনবাড়ি: প্রায় ৩২০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ি ঢালে গড়ে ওঠা কালিম্পং সংলগ্ন ছোট্ট গ্রাম গাহুনবাড়ি। দিগন্তজোড়া ডুয়ার্সের বন–পাহাড়ের দৃশ্য, কুয়াশা আর হাওয়ার ছোঁয়া পিকনিকের সঙ্গে যোগ করবে আলাদা রোমান্টিকতা।
গাহুনবাড়ি: প্রায় ৩২০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ি ঢালে গড়ে ওঠা কালিম্পং সংলগ্ন ছোট্ট গ্রাম গাহুনবাড়ি। দিগন্তজোড়া ডুয়ার্সের বন–পাহাড়ের দৃশ্য, কুয়াশা আর হাওয়ার ছোঁয়া পিকনিকের সঙ্গে যোগ করবে আলাদা রোমান্টিকতা।
advertisement
5/5
রংগো: কালিম্পং জেলার পাহাড়ি গ্রাম রংগো যেন জীবন্ত পোস্টকার্ড। রঙিন কাঠের বাড়ি, ফুলের বাগান আর সহজ–সরল মানুষজন—ছোট ছুটি বা ডে-পিকনিকের জন্য অনবদ্য এক ঠিকানা। এই শীতে প্রকৃতির সঙ্গে একটু সময় কাটাতে চাইলে, ডুয়ার্সের এই অফবিট স্পটগুলো হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ।
রংগো: কালিম্পং জেলার পাহাড়ি গ্রাম রংগো যেন জীবন্ত পোস্টকার্ড। রঙিন কাঠের বাড়ি, ফুলের বাগান আর সহজ–সরল মানুষজন—ছোট ছুটি বা ডে-পিকনিকের জন্য অনবদ্য এক ঠিকানা। এই শীতে প্রকৃতির সঙ্গে একটু সময় কাটাতে চাইলে, ডুয়ার্সের এই অফবিট স্পটগুলো হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ।
advertisement
advertisement
advertisement