advertisement

Kolkata-Siliguri Bus Service: কলকাতা-শিলিগুড়ি ১২ ঘণ্টায়! বাসের মধ্যেই মিলবে আধুনিক টয়লেট ও ডিনার, সময়সূচী ও ভাড়া দেখে নিন

Last Updated:
Kolkata-Siliguri Bus Service: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যাত্রা এখন আরও আরামদায়ক। ১৬টি অত্যাধুনিক এসি স্লিপার বাসে মিলবে ইন-বাস টয়লেট, ওয়াই-ফাই ও ডিনারের সুবিধা। বাসের সময়সূচী ও ভাড়ার বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন
1/11
উত্তরে বেড়াতে যাওয়া হোক কিংবা কাজের সূত্রে কয়েক দিনের সফর—সব পথই যেন এসে মিশে যায় শিলিগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই শহরটির সঙ্গে রাজ্যের রাজধানী কলকাতার যোগাযোগ বরাবরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ কিলোমিটারের কলকাতা–শিলিগুড়ি যাত্রাপথ রাজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম রুট। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন—কেউ পর্যটক, কেউ চাকরিজীবী, কেউ আবার পড়াশোনা বা পারিবারিক প্রয়োজনে। ফলে এই রুটে যাত্রীচাহিদা কখনও কমে না। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
উত্তরে বেড়াতে যাওয়া হোক কিংবা কাজের সূত্রে কয়েক দিনের সফর—সব পথই যেন এসে মিশে যায় শিলিগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই শহরটির সঙ্গে রাজ্যের রাজধানী কলকাতার যোগাযোগ বরাবরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ কিলোমিটারের কলকাতা–শিলিগুড়ি যাত্রাপথ রাজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম রুট। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন—কেউ পর্যটক, কেউ চাকরিজীবী, কেউ আবার পড়াশোনা বা পারিবারিক প্রয়োজনে। ফলে এই রুটে যাত্রীচাহিদা কখনও কমে না। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
2/11
এই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই কলকাতা–শিলিগুড়ি রুটে প্রতিদিন কম করেও প্রায় চল্লিশটির মতো সরকারি ও বেসরকারি বাস চলাচল করে। অধিকাংশ বাসই যাত্রীতে ভরা থাকে। সেই কারণেই ট্রাভেল অপারেটরদের কাছে এই রুট বরাবরই সবচেয়ে লাভজনক। নতুন যারা পরিবহণ ব্যবসায় আসছেন, তাঁরাও প্রথমেই এই রুটে বাস নামানোর কথা ভাবেন।
এই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই কলকাতা–শিলিগুড়ি রুটে প্রতিদিন কম করেও প্রায় চল্লিশটির মতো সরকারি ও বেসরকারি বাস চলাচল করে। অধিকাংশ বাসই যাত্রীতে ভরা থাকে। সেই কারণেই ট্রাভেল অপারেটরদের কাছে এই রুট বরাবরই সবচেয়ে লাভজনক। নতুন যারা পরিবহণ ব্যবসায় আসছেন, তাঁরাও প্রথমেই এই রুটে বাস নামানোর কথা ভাবেন।
advertisement
3/11
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে যাত্রীদের ভাবনাও। একসময় ১৪–১৫ ঘণ্টার দীর্ঘ বাসযাত্রা ছিল বাধ্যতামূলক বাস্তবতা। লক্ষ্য ছিল একটাই—যেভাবেই হোক গন্তব্যে পৌঁছানো। এখন যাত্রাপথেই মানুষ খুঁজছেন আরাম, নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছন্দতা। সেই চাহিদা মেটাতে এই রুটে ধাপে ধাপে এসেছে স্লিপার বাস, আরামদায়ক ২+১ আসন বিন্যাস, টিভি, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, কম্বল ও বালিশ। এমনকি কিছু বাসে রাতের ডিনার বা স্ন্যাকসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে যাত্রীদের ভাবনাও। একসময় ১৪–১৫ ঘণ্টার দীর্ঘ বাসযাত্রা ছিল বাধ্যতামূলক বাস্তবতা। লক্ষ্য ছিল একটাই—যেভাবেই হোক গন্তব্যে পৌঁছানো। এখন যাত্রাপথেই মানুষ খুঁজছেন আরাম, নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছন্দতা। সেই চাহিদা মেটাতে এই রুটে ধাপে ধাপে এসেছে স্লিপার বাস, আরামদায়ক ২+১ আসন বিন্যাস, টিভি, মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, কম্বল ও বালিশ। এমনকি কিছু বাসে রাতের ডিনার বা স্ন্যাকসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
advertisement
4/11
তবু এতদিন পর্যন্ত একটি বড় সমস্যা থেকেই যাচ্ছিল—ওয়াশরুমের অভাব। দীর্ঘ ১৫–১৬ ঘণ্টার যাত্রায় বিশেষ করে যাঁদের সুগার, ইউরিন সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে কিংবা মহিলা যাত্রীদের জন্য এই পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। মাঝপথে বাস থামলেও নির্ভরযোগ্য বাথরুম পাওয়া যেত না, রাতের যাত্রায় সমস্যাটা আরও বেড়ে যেত।
তবু এতদিন পর্যন্ত একটি বড় সমস্যা থেকেই যাচ্ছিল—ওয়াশরুমের অভাব। দীর্ঘ ১৫–১৬ ঘণ্টার যাত্রায় বিশেষ করে যাঁদের সুগার, ইউরিন সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে কিংবা মহিলা যাত্রীদের জন্য এই পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। মাঝপথে বাস থামলেও নির্ভরযোগ্য বাথরুম পাওয়া যেত না, রাতের যাত্রায় সমস্যাটা আরও বেড়ে যেত।
advertisement
5/11
এই সমস্যারই বড় সমাধান এসেছে গত কয়েক বছরে। বর্তমানে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা এবং কলকাতা থেকে শিলিগুড়িগামী মোট ১৬টি লাক্সারি বাসে রয়েছে অত্যাধুনিক টয়লেটের ব্যবস্থা। ফলে চলন্ত বাসের মধ্যেই নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেওয়া যাচ্ছে। যাত্রীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।
এই সমস্যারই বড় সমাধান এসেছে গত কয়েক বছরে। বর্তমানে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা এবং কলকাতা থেকে শিলিগুড়িগামী মোট ১৬টি লাক্সারি বাসে রয়েছে অত্যাধুনিক টয়লেটের ব্যবস্থা। ফলে চলন্ত বাসের মধ্যেই নির্বিঘ্নে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নেওয়া যাচ্ছে। যাত্রীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।
advertisement
6/11
এই আধুনিক বাস পরিষেবার হাত ধরেই কমেছে যাত্রার সময়ও। আগে যেখানে ১৪–১৫ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন জ্যাম না থাকলে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা–শিলিগুড়ি যাতায়াত সম্ভব হচ্ছে। কিছু বাস আবার মাত্র ১১ ঘণ্টায় যাত্রী পৌঁছে দিচ্ছে গন্তব্যে।
এই আধুনিক বাস পরিষেবার হাত ধরেই কমেছে যাত্রার সময়ও। আগে যেখানে ১৪–১৫ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন জ্যাম না থাকলে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা–শিলিগুড়ি যাতায়াত সম্ভব হচ্ছে। কিছু বাস আবার মাত্র ১১ ঘণ্টায় যাত্রী পৌঁছে দিচ্ছে গন্তব্যে।
advertisement
7/11
শিলিগুড়ির তেনজিং নরগে বাস টার্মিনাস থেকে প্রতিদিন বিকেল ৬টা ৩০ মিনিটে প্রথম টয়লেট-সহ লাক্সারি বাস কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এরপর ৬টা ৪৫ মিনিট, ৬টা ৫০ মিনিট, ৭টা ১৫, ৭টা ৩০, ৭টা ৪০, ৭টা ৪৫, রাত ৮টা, ৮টা ১৫, ৮টা ২০, ৮টা ৩০ এবং সর্বশেষ রাত ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক বাস কলকাতার পথে ছুটে চলে। বিভিন্ন সময়ে রায়পুর ক্রুজার, কালোসোনা ড্রিমলাইন, মডার্ন ট্রাভেলস, মা দুর্গা বাস সার্ভিস, এসএনআর পরিবহন, গ্রিনলাইন, রুবি পরিবহন সহ একাধিক নামী সংস্থার বাস এই পরিষেবায় যুক্ত রয়েছে।
শিলিগুড়ির তেনজিং নরগে বাস টার্মিনাস থেকে প্রতিদিন বিকেল ৬টা ৩০ মিনিটে প্রথম টয়লেট-সহ লাক্সারি বাস কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এরপর ৬টা ৪৫ মিনিট, ৬টা ৫০ মিনিট, ৭টা ১৫, ৭টা ৩০, ৭টা ৪০, ৭টা ৪৫, রাত ৮টা, ৮টা ১৫, ৮টা ২০, ৮টা ৩০ এবং সর্বশেষ রাত ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত একের পর এক বাস কলকাতার পথে ছুটে চলে। বিভিন্ন সময়ে রায়পুর ক্রুজার, কালোসোনা ড্রিমলাইন, মডার্ন ট্রাভেলস, মা দুর্গা বাস সার্ভিস, এসএনআর পরিবহন, গ্রিনলাইন, রুবি পরিবহন সহ একাধিক নামী সংস্থার বাস এই পরিষেবায় যুক্ত রয়েছে।
advertisement
8/11
ঠিক একইভাবে কলকাতা থেকেও প্রতিদিন এই ১৬টি বাস শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিকেল ৫টায় প্রথম বাস ছাড়ে, এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৩০, ৬টা ৩৫, ৬টা ৪৫, ৭টা ১৫, ৭টা ৩০, ৭টা ৪৫, রাত ৮টা, ৮টা ১৫, ৮টা ৩০, ৮টা ৪৫ এবং সর্বশেষ রাত ৯টায় শিলিগুড়িমুখী বাস কলকাতা ছাড়ে। কলকাতার ক্ষেত্রে উল্টোডাঙ্গা, এসপ্ল্যানেড বাস স্ট্যান্ড ও শিয়ালদহ থেকেই মূলত এই বাসগুলি যাত্রা শুরু করে।
ঠিক একইভাবে কলকাতা থেকেও প্রতিদিন এই ১৬টি বাস শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিকেল ৫টায় প্রথম বাস ছাড়ে, এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৩০, ৬টা ৩৫, ৬টা ৪৫, ৭টা ১৫, ৭টা ৩০, ৭টা ৪৫, রাত ৮টা, ৮টা ১৫, ৮টা ৩০, ৮টা ৪৫ এবং সর্বশেষ রাত ৯টায় শিলিগুড়িমুখী বাস কলকাতা ছাড়ে। কলকাতার ক্ষেত্রে উল্টোডাঙ্গা, এসপ্ল্যানেড বাস স্ট্যান্ড ও শিয়ালদহ থেকেই মূলত এই বাসগুলি যাত্রা শুরু করে।
advertisement
9/11
এই সমস্ত বাসই এসি স্লিপার ২+১ মডেলের। কোনও নন-এসি বাস নেই। বেশিরভাগই ভলভো কিংবা ভারত বেঞ্জের তৈরি, যা দীর্ঘ যাত্রার জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক। টয়লেট ছাড়াও বাসগুলিতে রয়েছে সিসিটিভি, কম্বল, বালিশ, বেডশিট, পানীয় জল, চার্জিং পয়েন্ট, রিডিং লাইট। কিছু বাসে আবার ওয়াই-ফাই, ওয়েটিং লাউঞ্জ এবং রাতের খাবার বা স্ন্যাকসের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এই সমস্ত বাসই এসি স্লিপার ২+১ মডেলের। কোনও নন-এসি বাস নেই। বেশিরভাগই ভলভো কিংবা ভারত বেঞ্জের তৈরি, যা দীর্ঘ যাত্রার জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক। টয়লেট ছাড়াও বাসগুলিতে রয়েছে সিসিটিভি, কম্বল, বালিশ, বেডশিট, পানীয় জল, চার্জিং পয়েন্ট, রিডিং লাইট। কিছু বাসে আবার ওয়াই-ফাই, ওয়েটিং লাউঞ্জ এবং রাতের খাবার বা স্ন্যাকসের ব্যবস্থাও রয়েছে।
advertisement
10/11
ভাড়ার ক্ষেত্রে অফ-সিজনে সাধারণত ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যেই এই লাক্সারি বাসে যাতায়াত করা যায়। তবে পর্যটন মরশুমে চাহিদা বাড়লে ভাড়া বেড়ে ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে পৌঁছায়। অনলাইন ও অফলাইন—দু’ভাবেই টিকিট কাটা যায়। বিশেষ করে রেডবাস, মেকমাই ট্রিপের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্যটন মরশুমে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
ভাড়ার ক্ষেত্রে অফ-সিজনে সাধারণত ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যেই এই লাক্সারি বাসে যাতায়াত করা যায়। তবে পর্যটন মরশুমে চাহিদা বাড়লে ভাড়া বেড়ে ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে পৌঁছায়। অনলাইন ও অফলাইন—দু’ভাবেই টিকিট কাটা যায়। বিশেষ করে রেডবাস, মেকমাই ট্রিপের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্যটন মরশুমে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
advertisement
11/11
ফলে এখন পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় আর ট্রেনের টিকিট না পেয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে না। সন্ধ্যা বা রাতে কলকাতা থেকে বাসে চেপে পরদিন সকালে চোখ খুললেই দেখা মিলবে শিলিগুড়ির চা-বাগান আর দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি। কাজের সূত্রে হোক বা অবকাশ যাপন—টয়লেট-সহ লাক্সারি বাসে কলকাতা–শিলিগুড়ি যাত্রা এখন অনেকটাই আরামদায়ক, নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
ফলে এখন পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনায় আর ট্রেনের টিকিট না পেয়ে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে না। সন্ধ্যা বা রাতে কলকাতা থেকে বাসে চেপে পরদিন সকালে চোখ খুললেই দেখা মিলবে শিলিগুড়ির চা-বাগান আর দূরে কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি। কাজের সূত্রে হোক বা অবকাশ যাপন—টয়লেট-সহ লাক্সারি বাসে কলকাতা–শিলিগুড়ি যাত্রা এখন অনেকটাই আরামদায়ক, নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত। (ছবি ও তথ্য : ঋত্বিক ভট্টাচার্য)
advertisement
advertisement
advertisement