সকালে ঘুম থেকে উঠে এই কাজটি কিন্তু ভুলেও করবেন না... নীরবে ধাওয়া করবে প্রাণঘাতী হার্ট অ্যাটাক! তিলে তিলে শেষ হবে সব
- Reported by:Trending Desk
- news18 bangla
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ ব্যাখ্যা করেন যে, সকাল ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছায়, সন্ধ্যার দিকে তা কমে যায়। কারণ কী? ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সবার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। স্ট্রেস হরমোনের (কর্টিসল) মাত্রা বেড়ে যায়, রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং প্লেটলেটগুলি আরও আঠালো হয়ে যায়, যার ফলে হৃদপিণ্ড আরও বেশি পরিশ্রম করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
advertisement
advertisement
ক্যালিফোর্নিয়া-ভিত্তিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সঞ্জয় ভোজরাজ ব্যাখ্যা করেন যে, সকাল ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছায়, সন্ধ্যার দিকে তা কমে যায়। কারণ কী? ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সবার শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। স্ট্রেস হরমোনের (কর্টিসল) মাত্রা বেড়ে যায়, রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং প্লেটলেটগুলি আরও আঠালো হয়ে যায়, যার ফলে হৃদপিণ্ড আরও বেশি পরিশ্রম করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। হঠাৎ চাপ পড়লে বা পরিশ্রম করলে বিপদ আরও বেড়ে যায়।
advertisement
ডা. ভোজরাজ উল্লেখ করেছেন যে কিছু রুটিন হৃদযন্ত্রের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। খালি পেটে চা বা কফি পান করা, ঘুম ভেঙে প্রথমে জল না খেয়ে বা শরীরকে হাইড্রেট না করেই, সকালের ওষুধ এড়িয়ে যাওয়া, বিশেষ করে রক্তচাপ বা হৃদরোগের জন্য, ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কাজে লেগে পড়া, শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার সময় না দিয়েই তাড়াহুড়ো করে সকাল কাটানো।
advertisement
advertisement
সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীর রিহাইড্রেট করার জন্য বেশ কিছুটা জল খাওয়া, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ওষুধ খাওয়া, বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকলে, শরীরিক শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে হালকা প্রোটিন সমৃদ্ধ জলখাবার খাওয়া, হৃদপিণ্ডের উপর চাপ কমাতে ১০-১৫ মিনিট হালকা ব্যায়াম যেমন স্ট্রেচিং, হাঁটাহাঁটি বা যোগব্যায়াম করা।
advertisement
advertisement









