advertisement

Health Tips: পথে-ঘাটে-জঙ্গলে জন্মায়! 'এই' ফুল সর্বরোগহরা! ম্যাজিকের মতো কমায় 'কৃমি', কী ফুল জানেন?

Last Updated:
Health Tips: রাস্তার ধারে জন্মানো ঘেটু বা ভাট গাছকে অনেকেই আগাছা মনে করেন। কিন্তু আয়ুর্বেদ মতে এই গাছের পাতা ত্বকের ক্ষত, ফোলা ও নানা রোগের চিকিৎসায় উপকারী ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়
1/6
রাস্তার দুই পাশে যেন চাষ করা, তবে আসলে চাষ নয়। সাধারণ মানুষের কাছে এটি আগাছা বা জঙ্গল। কোনরকম পরিচর্যা ছাড়াই আগাছা ও জঙ্গলে জন্মানোর ফলে অবহেলিত এই উদ্ভিদ। নাম অনেকের অজানা। তবে অনেকেই এটিকে চেনেন ঘেটু অথবা ভাট নামে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
রাস্তার দুই পাশে যেন চাষ করা, তবে আসলে চাষ নয়। সাধারণ মানুষের কাছে এটি আগাছা বা জঙ্গল। কোনরকম পরিচর্যা ছাড়াই আগাছা ও জঙ্গলে জন্মানোর ফলে অবহেলিত এই উদ্ভিদ। নাম অনেকের অজানা। তবে অনেকেই এটিকে চেনেন ঘেটু অথবা ভাট নামে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/6
আগাছা জন্মানো এই উদ্ভিদটি ক্ষতিকারক বা অপ্রয়োজনীয় নয়। আয়ুর্বেদ উপায়ে ঠিক ব্যবহার জানলে ব্যাপক উপকার হবে শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে। আয়ুর্বেদের মতে, এই গাছের স্বাদ তিক্ত এবং এর গুণ হালকা, শুষ্ক ও তীক্ষ্ণ ধরনের। এটি শরীরের কফ ও বাত দোষ কমাতে সাহায্য করে।
আগাছা জন্মানো এই উদ্ভিদটি ক্ষতিকারক বা অপ্রয়োজনীয় নয়। আয়ুর্বেদ উপায়ে ঠিক ব্যবহার জানলে ব্যাপক উপকার হবে শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে। আয়ুর্বেদের মতে, এই গাছের স্বাদ তিক্ত এবং এর গুণ হালকা, শুষ্ক ও তীক্ষ্ণ ধরনের। এটি শরীরের কফ ও বাত দোষ কমাতে সাহায্য করে।
advertisement
3/6
মালদহের হবিবপুর আর‌এন রায় গ্রামীণ হাসপাতালের আয়ুর্বেদ মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান,‌
মালদহের হবিবপুর আর‌এন রায় গ্রামীণ হাসপাতালের আয়ুর্বেদ মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান,‌ "ঘেটু গাছের পাতা বিশেষ করে ত্বকের বিভিন্ন রোগে খুব উপকারী। ত্বকে ক্ষত হলে ঘেটু পাতার রস লাগালে দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। শরীরের কোথাও চামড়ার নিচে ছোট ছোট গাঁট বা সিস্ট হলে ঘেটু পাতা, কচি কদম পাতা এবং নিশিন্দা পাতা একসঙ্গে বেটে সামান্য গরম করে কয়েকদিন লাগালে ফোলা ধীরে ধীরে কমে যায়।"
advertisement
4/6
তিনি আরও জানান,
তিনি আরও জানান, "আয়ুর্বেদে ঘেটু আরও কিছু কাজে ব্যবহার করা হয়, যেমন পেট পরিষ্কার করতে রেচক হিসেবে, কৃমির সমস্যা কমাতে, বিষের প্রভাব কমাতে, খাবারে রুচি বাড়াতে, এছাড়া জ্বর, কুষ্ঠ, মধুমেহ অর্থাৎ ডায়াবেটিস, রক্তপিত্ত, আমবাত ইত্যাদি রোগের চিকিৎসাতেও এটি ব্যবহৃত হয়।"
advertisement
5/6
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ঘেটু গাছে জীবাণু নাশক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং ক্ষত দ্রুত শুকানোর ক্ষমতা রয়েছে। ঘেটু বা ভাট গাছ প্রায় সব জায়গাতেই দেখা যায়। সাধারণত ঝোপঝাড় বা পতিত জমিতে এই গাছ বেশি জন্মায়।
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ঘেটু গাছে জীবাণু নাশক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং ক্ষত দ্রুত শুকানোর ক্ষমতা রয়েছে। ঘেটু বা ভাট গাছ প্রায় সব জায়গাতেই দেখা যায়। সাধারণত ঝোপঝাড় বা পতিত জমিতে এই গাছ বেশি জন্মায়।
advertisement
6/6
শীতকালে এই গাছে ফুল ফোটে। বাংলার লোকাচারে শিবরাত্রি পুজোর সময় ভাট ফুল অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এই ফুল শিবের পুজোয় দেওয়া হয় বলে গ্রামবাংলায় এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
শীতকালে এই গাছে ফুল ফোটে। বাংলার লোকাচারে শিবরাত্রি পুজোর সময় ভাট ফুল অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। এই ফুল শিবের পুজোয় দেওয়া হয় বলে গ্রামবাংলায় এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement