advertisement

Gobordanga: ঐতিহ্যের শহর গোবরডাঙ্গা, হেরিটেজ-এর তালিকায় এই ৫ দর্শনীয় স্থান

Last Updated:
জেলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শহরের মধ্যে অন্যতম গোবরডাঙ্গা। গোবরডাঙ্গার প্রাচীন ঐতিহ্যকে বহন করে চলেছে এলাকার বেশ কিছু স্মৃতি সৌধ ও প্রাচীন নির্মাণ
1/7
জেলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শহরের মধ্যে অন্যতম গোবরডাঙ্গা। গোবরডাঙ্গার প্রাচীন ঐতিহ্যকে বহন করে চলেছে এলাকার বেশ কিছু স্মৃতি সৌধ ও প্রাচীন নির্মাণ। তবে দশকের পর দশক ধরে এভাবে পড়ে থাকায়, অনেক ইতিহাসই মুছে যেতে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী এই শহরে
জেলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শহরের মধ্যে অন্যতম গোবরডাঙ্গা। গোবরডাঙ্গার প্রাচীন ঐতিহ্যকে বহন করে চলেছে এলাকার বেশ কিছু স্মৃতি সৌধ ও প্রাচীন নির্মাণ। তবে দশকের পর দশক ধরে এভাবে পড়ে থাকায়, অনেক ইতিহাসই মুছে যেতে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী এই শহরে
advertisement
2/7
গোবরডাঙা শহরের ইতিহাস বিজড়িত বেশ কয়েকটি স্থানকে বেছে নিয়ে হেরিটেজ স্বীকৃতি দিয়েছে হেরিটেজ কমিটি। জেনে নিন সেই তালিকায় রয়েছে কোনগুলি
গোবরডাঙা শহরের ইতিহাস বিজড়িত সেই বেশ কয়েকটি স্থানকেই বেছে নিয়ে হেরিটেজ স্বীকৃতি দিয়েছে হেরিটেজ কমিটি। জেনে নিন সেই তালিকায় রয়েছে কোনগুলি
advertisement
3/7
গোবরডাঙ্গা শহরেরঅন্যতম প্রাচীন বিদ্যালয় গোবরডাঙা খাঁটুরা উচ্চ বিদ্যালয়। ১৮৫৬ সালে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠি হয়। এই বিদ্যালয় তৈরির প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন সারদা প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়
গোবরডাঙ্গা শহরেরঅন্যতম প্রাচীন বিদ্যালয় গোবরডাঙা খাঁটুরা উচ্চ বিদ্যালয়। ১৮৫৬ সালে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠি হয়। এই বিদ্যালয় তৈরির প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন সারদা প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়
advertisement
4/7
হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে চন্ডীতলার জোড়া শিব মন্দির, যা তৈরি করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহযোগী, প্রথম বিধবা বিবাহ যিনি করেছিলেন সেই শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন। তাঁর মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে গোবরডাঙ্গা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই মন্দির গড়ে ওঠে।
হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে চন্ডীতলার জোড়া শিব মন্দির, যা তৈরি করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহযোগী, প্রথম বিধবা বিবাহ যিনি করেছিলেন সেই শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন। তাঁর মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে গোবরডাঙ্গা পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই মন্দির গড়ে ওঠে।
advertisement
5/7
হেরিটেজ তকমা পেয়েছে গোবরডাঙ্গা প্রসন্নময়ী কালী মন্দির। ১২২৯ বঙ্গাব্দে গোবরডাঙ্গার তৎকালীন জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায় ও পরবর্তীতে তাঁর ছেলে কালীপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৈরি হয়েছিল গোবরডাঙ্গার প্রসন্নময়ী কালী মন্দির
হেরিটেজ তকমা পেয়েছে গোবরডাঙ্গা প্রসন্নময়ী কালী মন্দির। ১২২৯ বঙ্গাব্দে গোবরডাঙ্গার তৎকালীন জমিদার খেলারাম মুখোপাধ্যায় ও পরবর্তীতে তাঁর ছেলে কালীপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৈরি হয়েছিল গোবরডাঙ্গার প্রসন্নময়ী কালী মন্দির
advertisement
6/7
প্রসন্নময়ী কালী মন্দিরে প্রবেশ পথের ঠিক ডানদিকে গা-ঘেঁষে একই সময় তৈরি হয়েছিল নহবত খানা, এক সময় দূরদুরান্ত থেকে বাদ্যকার ও শিল্পীরা এসে নহবত খানায় আশ্রয় নিতেন ও অনুষ্ঠানে গান বাজনা করতেন। লাল রঙের স্থাপত্যটিও স্থান পেয়েছে হেরিটেজ কমিশনের তালিকায়
প্রসন্নময়ী কালী মন্দিরে প্রবেশ পথের ঠিক ডানদিকে গা-ঘেঁষে একই সময় তৈরি হয়েছিল নহবত খানা, এক সময় দূরদুরান্ত থেকে বাদ্যকার ও শিল্পীরা এসে নহবত খানায় আশ্রয় নিতেন ও অনুষ্ঠানে গান বাজনা করতেন। লাল রঙের স্থাপত্যটিও স্থান পেয়েছে হেরিটেজ কমিশনের তালিকায়
advertisement
7/7
হেরিটেজ কমিটির তালিকায় রয়েছে, গোবরডাঙ্গার আরও একটি প্রাচীন নিদর্শন, ইংরেজ আমলে গোবরডাঙ্গা জমিদার বাড়ির মূল ভবন যেখানে ছিল, তার ঠিক সামনেই এখনও রয়েছে সিংহ দুয়ার। মূল ভবনের স্থান পরিবর্তন হলেও রয়ে গিয়েছে প্রবেশদ্বারের দুদিকে সিংহ দেওয়া স্তম্ভ যা এখনও প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন বহন করে চলেছে
হেরিটেজ কমিটির তালিকায় রয়েছে, গোবরডাঙ্গার আরও একটি প্রাচীন নিদর্শন, ইংরেজ আমলে গোবরডাঙ্গা জমিদার বাড়ির মূল ভবন যেখানে ছিল, তার ঠিক সামনেই এখনও রয়েছে সিংহ দুয়ার। মূল ভবনের স্থান পরিবর্তন হলেও রয়ে গিয়েছে প্রবেশদ্বারের দুদিকে সিংহ দেওয়া স্তম্ভ যা এখনও প্রাচীন ইতিহাসের নিদর্শন বহন করে চলেছে
advertisement
advertisement
advertisement