গ্লুকোমা থাবা বসালে তরুণদেরও দৃষ্টিশক্তি নষ্ট! আগেভাগে ধরা পড়লেই বাঁচতে পারে রোগ, কী লক্ষণ জেনে নিন

Last Updated:
Glaucoma: ভারতে গ্লুকোমায় আক্রান্ত ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের মধ্যে ১২ লক্ষের বয়স ৪০ বছরের কম। Dr Sneha Kankaria গ্লুকোমা সচেতনতা ও নিয়মিত চোখ পরীক্ষা জরুরি বলে জানিয়েছেন।
1/8
গ্লুকোমা সম্পর্কে সাধারণ ধারণা হল এটি বয়সকালের রোগ। কিন্তু বাস্তবে এই নীরব চোখের অসুখ তরুণ বয়সেও দৃষ্টিশক্তির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই কোনও স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই ধীরে ধীরে দৃষ্টি ক্ষয় হয়, যা সময়মতো ধরা না পড়লে স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই তরুণদের মধ্যেও গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা, আগেভাগে শনাক্তকরণ এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা দৃষ্টিশক্তি রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গ্লুকোমা সম্পর্কে সাধারণ ধারণা হল এটি বয়সকালের রোগ। কিন্তু বাস্তবে এই নীরব চোখের অসুখ তরুণ বয়সেও দৃষ্টিশক্তির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই কোনও স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই ধীরে ধীরে দৃষ্টি ক্ষয় হয়, যা সময়মতো ধরা না পড়লে স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই তরুণদের মধ্যেও গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা, আগেভাগে শনাক্তকরণ এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা দৃষ্টিশক্তি রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। (Representative Image) 
advertisement
2/8
 ভারতে মোট প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ গ্লুকোমায় আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষের বয়স ৪০ বছরের কম। এই সংখ্যার মধ্যে বিরল শিশু ও কিশোর বয়সে হওয়া গ্লুকোমাও রয়েছে, যেমন জুভেনাইল ওপেন-অ্যাঙ্গল গ্লুকোমা (JOAG)। (Representative Image) 
ভারতে মোট প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ গ্লুকোমায় আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষের বয়স ৪০ বছরের কম। এই সংখ্যার মধ্যে বিরল শিশু ও কিশোর বয়সে হওয়া গ্লুকোমাও রয়েছে, যেমন জুভেনাইল ওপেন-অ্যাঙ্গল গ্লুকোমা (JOAG)। (Representative Image) 
advertisement
3/8
এই রোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন Dr Sneha Kankaria, গ্লুকোমা ও ক্যাটারাক্ট বিশেষজ্ঞ, আয়ুষ আই ক্লিনিক—Dr Agarwal’s Eye Hospital-এর চেম্বুর ইউনিট।
এই রোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন Dr Sneha Kankaria, গ্লুকোমা ও ক্যাটারাক্ট বিশেষজ্ঞ, আয়ুষ আই ক্লিনিক—Dr Agarwal’s Eye Hospital-এর চেম্বুর ইউনিট। (Representative Image) 
advertisement
4/8
গ্লুকোমার ঝুঁকির কারণসবচেয়ে বড় ঝুঁকি হল পারিবারিক ইতিহাস। জিনগত ত্রুটির কারণে চোখের ভিতরের তরল সঠিকভাবে বেরোতে না পারলে গ্লুকোমা হতে পারে। এছাড়াও চোখে আঘাত, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি গ্লুকোমার ঝুঁকি বাড়ায়। ভারতে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শিশুদের মধ্যে প্রাইমারি কনজেনিটাল গ্লুকোমা (PCG) প্রায় ৩৭ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী এবং এশীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রোগ তুলনামূলকভাবে আগেই প্রকাশ পায়।
গ্লুকোমার ঝুঁকির কারণ সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হল পারিবারিক ইতিহাস। জিনগত ত্রুটির কারণে চোখের ভিতরের তরল সঠিকভাবে বেরোতে না পারলে গ্লুকোমা হতে পারে। এছাড়াও চোখে আঘাত, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি গ্লুকোমার ঝুঁকি বাড়ায়। ভারতে গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শিশুদের মধ্যে প্রাইমারি কনজেনিটাল গ্লুকোমা (PCG) প্রায় ৩৭ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী এবং এশীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রোগ তুলনামূলকভাবে আগেই প্রকাশ পায়। (Representative Image) 
advertisement
5/8
কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়? গ্লুকোমা শনাক্ত করতে প্রয়োজন সম্পূর্ণ চোখের পরীক্ষা। এর মধ্যে রয়েছে চোখের ভিতরের চাপ (IOP) মাপা, গনিওস্কপি করে চোখের ড্রেনেজ অ্যাঙ্গল পরীক্ষা, ভিজ্যুয়াল ফিল্ড টেস্ট এবং অপটিক নার্ভের গঠন বিশ্লেষণের জন্য অপটিক্যাল কোহেরেন্স টোমোগ্রাফি (OCT)। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই রোগ ধরা পড়তে পারে।
কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?  গ্লুকোমা শনাক্ত করতে প্রয়োজন সম্পূর্ণ চোখের পরীক্ষা। এর মধ্যে রয়েছে চোখের ভিতরের চাপ (IOP) মাপা, গনিওস্কপি করে চোখের ড্রেনেজ অ্যাঙ্গল পরীক্ষা, ভিজ্যুয়াল ফিল্ড টেস্ট এবং অপটিক নার্ভের গঠন বিশ্লেষণের জন্য অপটিক্যাল কোহেরেন্স টোমোগ্রাফি (OCT)। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই রোগ ধরা পড়তে পারে। (Representative Image) 
advertisement
6/8
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিবর্তমানে ব্যবহৃত আধুনিক আই ড্রপ চোখের চাপ কমাতে কার্যকর এবং আগের তুলনায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। কিছু ধরনের গ্লুকোমায় লেজার চিকিৎসা এখন প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। মিনিমালি ইনভেসিভ গ্লুকোমা সার্জারি (MIGS)-এর মাধ্যমে ছোট ইমপ্লান্ট ব্যবহার করে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব। জটিল বা উন্নত পর্যায়ের গ্লুকোমায় এখনও ট্রাবেকিউলেকটমি সার্জারি সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। প্রয়োজনে ড্রেনেজ ভালভও বসানো হতে পারে।
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি:  বর্তমানে ব্যবহৃত আধুনিক আই ড্রপ চোখের চাপ কমাতে কার্যকর এবং আগের তুলনায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। কিছু ধরনের গ্লুকোমায় লেজার চিকিৎসা এখন প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। মিনিমালি ইনভেসিভ গ্লুকোমা সার্জারি (MIGS)-এর মাধ্যমে ছোট ইমপ্লান্ট ব্যবহার করে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব। জটিল বা উন্নত পর্যায়ের গ্লুকোমায় এখনও ট্রাবেকিউলেকটমি সার্জারি সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। প্রয়োজনে ড্রেনেজ ভালভও বসানো হতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
7/8
নিয়মিত আই ড্রপ ব্যবহার, চোখে আঘাত এড়ানো, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকা গ্লুকোমা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। পাশাপাশি নিয়মিত ফলো-আপ অত্যন্ত জরুরি।
নিয়মিত আই ড্রপ ব্যবহার, চোখে আঘাত এড়ানো, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপান থেকে দূরে থাকা গ্লুকোমা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। পাশাপাশি নিয়মিত ফলো-আপ অত্যন্ত জরুরি। (Representative Image) 
advertisement
8/8
Generated imageকেন নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন? গ্লুকোমার কোনও স্থায়ী চিকিৎসা নেই—শুধু রোগের অগ্রগতি ধীর করা যায়। ফলো-আপে গাফিলতি করলে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানো এবং আজীবন নজরদারিতে থাকা দৃষ্টিশক্তি রক্ষার একমাত্র উপায়।
কেন নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন?  গ্লুকোমার কোনও স্থায়ী চিকিৎসা নেই—শুধু রোগের অগ্রগতি ধীর করা যায়। ফলো-আপে গাফিলতি করলে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানো এবং আজীবন নজরদারিতে থাকা দৃষ্টিশক্তি রক্ষার একমাত্র উপায়। (Representative Image) 
advertisement
advertisement
advertisement