advertisement

Winter Health Tips: গাঁটের ব্যথার যম! সর্দিকাশির মহৌষধ! ২ ফোঁটা আদার তেলে জব্দ শীতের শত দুঃখ কষ্ট!

Last Updated:
Winter Health Tips: আয়ুর্বেদে আদাকে "মহৌষধি" হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চরক সংহিতা এবং সুশ্রুত সংহিতা এর ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছে, যেখানে এটি বাত এবং কফ দোষের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিবেচিত হয়।
1/5
আদার তেল তাজা বা শুকনো মূল থেকে বাষ্প পাতনের (স্টিম ডিস্টিলেশন) মাধ্যমে বের করা হয়। এর সক্রিয় উপাদান, জিঞ্জেরল, শোগাওল এবং জিঙ্গিবেরিন, এটিকে ঔষধি গুণ প্রদান করে। আদার তেল দীর্ঘকাল ধরে আয়ুর্বেদ এবং ঐতিহ্যবাহী ঔষধে শরীরকে উষ্ণ করতে, ব্যথা উপশম করতে এবং হজম উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর সুগন্ধ তীব্র, মশলাদার এবং সতেজ।
আদার তেল তাজা বা শুকনো মূল থেকে বাষ্প পাতনের (স্টিম ডিস্টিলেশন) মাধ্যমে বের করা হয়। এর সক্রিয় উপাদান, জিঞ্জেরল, শোগাওল এবং জিঙ্গিবেরিন, এটিকে ঔষধি গুণ প্রদান করে। আদার তেল দীর্ঘকাল ধরে আয়ুর্বেদ এবং ঐতিহ্যবাহী ঔষধে শরীরকে উষ্ণ করতে, ব্যথা উপশম করতে এবং হজম উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর সুগন্ধ তীব্র, মশলাদার এবং সতেজ।
advertisement
2/5
আয়ুর্বেদে আদাকে
আয়ুর্বেদে আদাকে "মহৌষধি" হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চরক সংহিতা এবং সুশ্রুত সংহিতা এর ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছে, যেখানে এটি বাত এবং কফ দোষের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিবেচিত হয়। ঠান্ডা আবহাওয়া, জয়েন্টে ব্যথা এবং হজমের সমস্যায় আদার তেল বিশেষভাবে কার্যকর বলে মনে করা হয়। পাহাড়ি এবং গ্রামীণ এলাকায় এটি এখনও ম্যাসাজ এবং ঘরোয়া প্রতিকারে ব্যবহৃত হয়। বলছেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ দীক্ষা ভাভসর৷
advertisement
3/5
আদার তেলে বেশ কিছু জৈব-সক্রিয় যৌগ থাকে। জিঞ্জেরল প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে শোগাওল ব্যথা উপশমকারী বৈশিষ্ট্য প্রদান করে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে যা শরীরকে মুক্ত র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। এই যৌগগুলি আদার তেলকে স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয়ের জন্যই উপকারী করে তোলে।
আদার তেলে বেশ কিছু জৈব-সক্রিয় যৌগ থাকে। জিঞ্জেরল প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে শোগাওল ব্যথা উপশমকারী বৈশিষ্ট্য প্রদান করে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে যা শরীরকে মুক্ত র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। এই যৌগগুলি আদার তেলকে স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয়ের জন্যই উপকারী করে তোলে।
advertisement
4/5
আদার তেল জয়েন্টের ব্যথা, পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং আর্থ্রাইটিসের জন্য প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী হিসেবে কাজ করে। এর উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, প্রদাহ কমায়। নিয়মিত ম্যাসাজ হাঁটু, পিঠ এবং কাঁধের ব্যথা থেকেও মুক্তি দিতে পারে। আদার তেল সর্দি, কাশি এবং নাক বন্ধ থাকা উপশম করতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা আদার তেল দিয়ে বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে শ্বাসনালী খুলে যায় এবং শ্লেষ্মা আলগা হয়। বুক এবং পিঠে আলতো করে ম্যাসাজ করলে উষ্ণতা এবং কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আদার তেল জয়েন্টের ব্যথা, পেশী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং আর্থ্রাইটিসের জন্য প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী হিসেবে কাজ করে। এর উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, প্রদাহ কমায়। নিয়মিত ম্যাসাজ হাঁটু, পিঠ এবং কাঁধের ব্যথা থেকেও মুক্তি দিতে পারে। আদার তেল সর্দি, কাশি এবং নাক বন্ধ থাকা উপশম করতে সাহায্য করে। কয়েক ফোঁটা আদার তেল দিয়ে বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে শ্বাসনালী খুলে যায় এবং শ্লেষ্মা আলগা হয়। বুক এবং পিঠে আলতো করে ম্যাসাজ করলে উষ্ণতা এবং কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
advertisement
5/5
আদার তেলের সুগন্ধ মনের উপর এক সতেজ প্রভাব ফেলে। এটি অ্যারোমাথেরাপিতে চাপ, ক্লান্তি এবং মানসিক অলসতা দূর করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মনকে কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে এবং দুঃখ বা বিরক্তি কমাতে পারে। আদার তেল খুবই শক্তিশালী, তাই এটি সরাসরি ত্বকে লাগানো এড়িয়ে চলুন। নারকেল, তিল বা বাদাম তেলে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে এটি ব্যবহার করুন। এটি নিরাপদে ম্যাসাজ, স্টিম, অ্যারোমাথেরাপির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, অথবা স্নানের জলে যোগ করেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
আদার তেলের সুগন্ধ মনের উপর এক সতেজ প্রভাব ফেলে। এটি অ্যারোমাথেরাপিতে চাপ, ক্লান্তি এবং মানসিক অলসতা দূর করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মনকে কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে এবং দুঃখ বা বিরক্তি কমাতে পারে। আদার তেল খুবই শক্তিশালী, তাই এটি সরাসরি ত্বকে লাগানো এড়িয়ে চলুন। নারকেল, তিল বা বাদাম তেলে কয়েক ফোঁটা মিশিয়ে এটি ব্যবহার করুন। এটি নিরাপদে ম্যাসাজ, স্টিম, অ্যারোমাথেরাপির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, অথবা স্নানের জলে যোগ করেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement